‘নিয়মিত ও পূর্ণ মেয়াদের চিকিৎসায় যক্ষ্মা সম্পূর্ণ ভালো হয়’


74 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
‘নিয়মিত ও পূর্ণ মেয়াদের চিকিৎসায় যক্ষ্মা সম্পূর্ণ ভালো হয়’
জুন ২৪, ২০১৯ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

যক্ষ্মারোগী সনাক্তকরণে সাংবাদিকদের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময়

আব্দুর রহমান ::

যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে সামাজিক আন্দোলন বেগবান করতে সাংবাদিকদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। সোমবার (২৪ জুন) বেলা ১১ টায় জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব)’র আয়োজনে কাটিয়া আমতলা মোড়রস্থ এভিএএস কলেজের সম্মেলন কক্ষে অধ্যক্ষ আক্তারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সাইফুল্লাহ আল কাফি, নাটাব প্রতিনিধি তরুণ কুমার বিশ্বাস, ব্র্যাক জেলা ম্যানেজার শেখ শরিফুল ইসলাম, উপজেলা ম্যানেজার বাসুদেব নন্দি প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, ‘বাংলাদেশে যক্ষ্মা একটি প্রধান স্বাস্থ্য সমস্যা। যদিও যক্ষ্মা একটি নিরাময়যোগ্য ব্যধি। তারপরও সাধারণ মানুষ এ সর্ম্পকে অবগত নন। তাই সাধারণ মানুষকে যক্ষ্মার বিষয়ে আরো বেশি সচেতন করতে গণমাধ্যমকে ভুমিকা রাখতে হবে। বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশে ২০১৭ সালে ৩ লাখ ৬৪ হাজার মানুষ নতুন করে যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়েছিল। ওই বছর দেশে যক্ষ্মায় ৬০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। বাংলাদেশে বছরে যক্ষ্মায় আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা অপরিবর্তিত আছে। দেশের ২৬শতাংশ রোগী জাতীয় কর্মসূচির বাইরে রয়ে গেছে। যক্ষা একটি সংক্রামক ব্যাধি। যা প্রধানত ফুসফুসে আক্রান্ত করে। যক্ষ্মা বলতে সাধারণভাবে আমরা ফুসফুসের যক্ষ্মাকেই বুঝি। তবে ফুসফুস ছাড়াও শরীরের বিভিন্ন স্থানে যক্ষা হতে পারে। যেমন: লসিকাগ্রন্থি, হার ও গিট, অন্ত্র, হৃদপিন্ডের আবরণ ও মস্তিস্কের আবরণ ইত্যাদি। অতীতে মানুষের যক্ষা ধরা পড়লে হতাশ হয়ে জীবন যাপন করত। কারণ তখন যক্ষার কোন ঔষধ ছিল না। ফলে মানুষ খুবই ভয় পেত। আজ আর সেই দিন নেই, যক্ষার ওষুধ নিয়মিত খাওয়ার পর তা সম্পূর্ণরূপে ভালো হয়। এসময় জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জানানো হয়, সাতক্ষীরা জেলায় জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে ২হাজার ৮শ ৭৪ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ এ তিন মাসের সার্ভে ১ হাজার ৬শ জন রোগী চিকিৎসারত ছিলেন। এরমধ্যে ২৪ জন রোগীর মৃত্যু ঘটে। যক্ষ্মা রোগীর চিকিৎসা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে।