নৌ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী রিমান্ডে


325 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
নৌ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী রিমান্ডে
জুলাই ১৯, ২০১৭ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::
রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত নৌপরিবহন অধিদপ্তরে নিজ কার্যালয়ে গতকাল মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হন এ কে এম ফখরুল ইসলাম (ডানে)। ফাইল ছবিজাহাজের নকশা অনুমোদনের জন্য ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও শিপ সার্ভেয়ার এ কে এম ফখরুল ইসলামকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে দুদকের পক্ষ থেকে এই আসামিকে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর পক্ষে জাহাঙ্গীর আলম আদালতকে বলেন, এই আসামি নকশা অনুমোদন করিয়ে দেওয়ার জন্য ঘুষ নিয়েছেন, যা দুদকের ফাঁদ পাতা টিম হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে তিনি এ অনৈতিক কর্মকাণ্ড করেছেন। তাঁর জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। কেন তিনি এ অনৈতিক কর্মকাণ্ড করতেন এবং তাঁর অফিসে আর কে কে জড়িত, তা খুঁজে বের করতে এই আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।

অপর দিকে এই আসামির পক্ষে আদালতে পাল্টা যুক্তি তুলে ধরেন তাঁর আইনজীবী কবির হোসাইন। আদালতকে তিনি বলেন, এই আসামি কোনো ঘুষ গ্রহণ করেননি। তিনি যখন অফিসে খাবার খাচ্ছিলেন তখন অন্য কেউ ওই টাকা রেখে গেছেন। এটা ওই অফিস কক্ষের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে। তিনি আরও বলেন, অফিসে পক্ষ-বিপক্ষে লোক থাকে। বাস্তবে তাঁর কাছ থেকে কোনো টাকাই উদ্ধার হয়নি। আসামির পকেট থেকে কিংবা আসামির ড্রয়ার থেকে কোনো টাকা উদ্ধার হয়নি। তিনি সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রের শিকার।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বে একটি দল। নাসিম আনোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, অভিযোগ রয়েছে, ফখরুল ইসলাম ঘুষ না নিয়ে জাহাজের নকশা অনুমোদন করেন না। জাহাজের প্রকারভেদে ৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষের রেট ওঠানামা করে। তাঁর বিরুদ্ধে আরও বেশ কিছু অভিযোগ আছে। এগুলো কমিশনের নজরে এনে অনুমোদন নিয়ে অনুসন্ধান করা হবে।