পরীক্ষায় পাসের হার নয়, মানুষ হওয়াই গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী


294 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পরীক্ষায় পাসের হার নয়, মানুষ হওয়াই গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী
জুলাই ২৩, ২০১৭ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হওয়াই গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় পাসের হার বিবেচ্য নয়।

রোববার সকালে গণভবনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়া হয়। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

রোববার সকালে গণভবনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এবার সব বোর্ড মিলে পাসের গড় হার ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় যারা পাস করেছে তাদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা ফেল করেছে তাদেরকে পড়ালেখার প্রতি উৎসাহ দিতে হবে। তাদের পড়ালেখার প্রতি আরও মনোনিবেশ করতে হবে, তাদের আরও ভালো করতে হবে।

শিক্ষার গুণগত মানের প্রতি গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়তে হবে। পড়াশোনায় মন দিতে হবে। অভিভাবক–শিক্ষকদের উচিত শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা দেওয়া। সন্তান যাতে মাদকাসক্তিতে না যায়, জঙ্গিবাদে না জড়ায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ছেলেমেয়ে কার সঙ্গে মেশে, তা দেখতে হবে। পড়ালেখার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসে আমরা শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছিলাম। নিরক্ষরমুক্ত দেশ গড়তে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। আজকে আমাদের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। তবে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহ কম। কিন্তু এ শিক্ষার প্রয়োজন।

বাংলাদেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষিত জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করেন। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর শুরু করে বর্তমান সরকারও সে আদর্শকে লালন করে শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদেশের ক্ষুধার্ত-দরিদ্র মানুষের মুক্তি, অধিকার আদায়েই জাতির পিতা স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তুলতে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে শুরু করেছিলেন। একটি রাষ্ট্রীয় কাঠামো গড়ে পৃথিবীর ১১৬টি দেশের স্বীকৃতি আদায় ও জাতিসংঘসহ ২৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ অর্জন করেছিলেন।

সঠিক সময়ে পরীক্ষা নেওয়া ও ফলাফল প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।