পশ্চিম সুন্দরবনে আবারও সক্রিয় বনদস্যু জোনাব বাহিনী


333 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পশ্চিম সুন্দরবনে আবারও সক্রিয় বনদস্যু জোনাব বাহিনী
জুলাই ৭, ২০১৯ ফটো গ্যালারি সুন্দরবন
Print Friendly, PDF & Email

মিঠু বরকন্দাজ ::

পশ্চিম সুন্দরবনে আবারও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বনদস্যু জোনাব বাহিনী। অন্য কোন বনদস্যু না থাকায় জোনাব বাহিনী পশ্চিম সুন্দরবনের ভারত সীমান্তবর্তী রায়মঙ্গল হতে পুষ্পকাঠি পর্যন্ত বিস্তর এলাকা এককভাবে আধিপত্ত বিস্তর করছে। বনজীবিদের অপহরণ ও মুক্তিপনে মরিয়া হয়ে উঠছে বনদস্যু জোনাব বাহিনী। গতকাল সুন্দরবন থেকে ফিরে আসা মৎস্যজীবি শ্যামনগর উপজেলার দক্ষিণকদমতলা গ্রামের মৃত সোনা গাজীর পুত্র আব্দুল রশিদ, খবির উদ্দীন শেখের পুত্র কামাল শেখ ও ফজলূ গাজীর পুত্র আলা উদ্দীন গাজী জানান, তারা কদমতলা ফরেষ্ট স্টেশন থেকে মাঝ ধরার বৈধ পাশ নিয়ে সুন্দরবনের ইলশে মারী এলাকায় মাছ ধরতে গেলে জোনাব বাহিনী তাদের প্রত্যেক নৌকায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মুক্তি পনের দাবীতে আটক করে। সেখানে তারা জোনাব বাহিনীর সাথে অনেক কথোপকথনের মধ্যে বাড়ী ফিরে প্রত্যেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে জোনাব বাহিনী তাদের ছেড়ে দেয়। এসময় জোনাব বাহিনীর প্রধান জোনাব বলে দেন, প্রত্যেকে টাকা পরিশোধ না করে সুন্দরবনে প্রবেশ করলে প্রাণ হারাবি। ফিরে আসা আরও অনেক জেলে এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, জোনাব বাহিনী সংখ্যায় মাত্র ৪জন। কিন্তু তারা বাংলাদেশে বসবাস করেন না। ভারতে বসবাস করে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে দীর্ঘ দিন বাংলাদেশের জেলেদের অপহরণ করে মুক্তিপন নিয়ে আবর ভারতে পাড়ি জমায়। যখন বাংলাদেশে প্রশাসনের অভিযান ও তৎপরতা তুলনামূলক কম থাকে, তখনই জোনাব বাহিনী আবার বাংলাদেশে প্রবেশ করে নিরীহ জেলেদের অত্যাচার নির্যাতন, অপহরণ ও মুক্তিপন আদায় করে। তারা আরও জানান, অন্যান্য বনদস্যু বাহিনীর চেয়ে জোনাব বাহিনীর মুক্তিপনের চাহিদা অনেক বেশি। গাবুরা ইউনিয়নের মৎস্যজীবি মহসিন, আনারুল, শফিকুল, আমজাদ ও মালেক জানান, জোনাব বাহিনী কর্তৃক তাদরে উপরে অনেক অত্যচার, নির্যাতনের শীকার হতে হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে তাদের আকুল আবেদন, দ্রুত গতিতে জোনাব বাহিনী কে গ্রেফতার করে সর্বচ্চ শাস্তি প্রদান করা।

#