পাইকগাছার বিভিন্ন আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন এডিসি মারুফ আলম


109 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছার বিভিন্ন আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন এডিসি মারুফ আলম
জুলাই ১৮, ২০২১ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় বিভিন্ন আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মোঃ মারুফ আলম। তিনি শনিবার বিকালে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের দেবদুয়ার, হরিঢালী ইউনিয়নের রহিমপুর ও গোলাবাটি এবং কপিলমুনি ইউনিয়নের কাশিমনগর আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে এডিসির সাথে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এডিসি মারুফ আলম বলেন আমি কয়েকটি এলাকার আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছি, এসব আবাসনে যারা বসবাস করছে তাদের অনেকের সাথে কথা বলেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্পের ঘর পেয়ে তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রীর উপর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একটি আবাসন নদীর ধারে করা হলেও জোয়ারের পানি আবাসনে প্রবেশ করার কোন সম্ভবনা নেই। অতি জোয়ার কিংবা জলোচ্ছাসেও যাতে আবাসনে পানি প্রবেশ না করে তার জন্য পুরা আবাসন জুড়েই প্রতিরক্ষাবাঁধ দেওয়া হয়েছে। যার ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগেও আবাসনে পানি প্রবেশের সম্ভবনা নেই। পরিদর্শনকালে প্রকল্পের কাজে কোন ত্রুটি পাওয়া যায়নি বলে জেলা প্রশাসনের এ কর্মকর্তা জানান। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় অত্র উপজেলার কয়েকটি স্থানে এলাকার ৫২০জন দুস্থ ও ভূমিহীন পরিবারের জন্য মুজিববর্ষের গৃহনির্মাণ করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহযোগিতায় দুই শতক জমিসহ দু’দফায় নির্মিত এসব রঙিন ঘর প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনীর মধ্য দিয়ে উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে।

#

পাইকগাছার ১ হাজার দরিদ্র খামারী পেল উন্নতমানের গো-খাদ্য

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র খামারীদের মাঝে উন্নতমানের গো-খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব গো-খাদ্য বিতরণ করা হয়। টানা লকডাউনে একদিকে যেমন কর্মহীন হয়ে পড়েছে বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার মানুষ। তেমনি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে অসংখ্য খামারি। বিশেষ করে বসত বাড়িতে কিংবা ছোট ছোট খামার করে গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগী পালন করছেন এলাকায় এমন অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরণের খামারী রয়েছেন যারা এই লকডাউনের মধ্যে গো-খাদ্য যোগাড় করতে হিমসিম খাচ্ছে। এমন ১হাজার খামারিদের জন্য উন্নত মানের গো-খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন উপজেলা প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষথেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ১হাজার দরিদ্র খামারীদের মাঝে বিতরণ করেছেন উন্নতমানের গো-খাদ্য। প্রতিটি খামারী পেয়েছেন ৫ কেজি গমের ভুসি, ৫ কেজি অটো কুড়া ও ২ কেজি সরিষার খৈল।