পাইকগাছার লতা ইউপি উপ-নির্বাচনে আ’লীগের সম্ভাব্য ৯ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাশা


240 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছার লতা ইউপি উপ-নির্বাচনে আ’লীগের সম্ভাব্য ৯ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাশা
জানুয়ারি ২৬, ২০১৯ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন : চূড়ান্ত প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আ’লীগ

এস, এম, আলাউদ্দিন সোহাগ ::

পাইকগাছার লতা ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ৯ জন চেয়ারম্যানপ্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছেন। প্রার্থী চূড়ান্ত নিয়ে দলীয় সমঝোতা বৈঠক হলেও একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর ইউপি চেয়ারম্যান দিবাকর বিশ্বাস মৃত্যুবরণ করলে লতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়। গত ২৩ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী ৩১ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ৩ ফেব্রুয়ারি প্রত্যাহার ও ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে, তফসিল ঘোষণার পর আওয়ামীলীগের ৯জন চেয়ারম্যান প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করে উপজেলা আওয়ালীগ বরাবর আবেদন করেছেন। মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হচ্ছেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজল কান্তি বিশ্বাস, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি বাবুলাল বিশ্বাস, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক নেতা চিত্তরঞ্জন মন্ডল, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগনেতা ও প্রয়াত চেয়ারম্যানের ভাই ভূধর চন্দ্র বিশ্বাস, প্রয়াত চেয়ারম্যানের স্ত্রী দেবী রাণী বিশ্বাস, ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামীলীগনেত্রী রাধিকা রাণী গোলদার, ইউপি সদস্য দেবাশীষ রায়, জ্যোতিষ চন্দ্র মন্ডল ও প্রভাষক বিষ্ণুপদ মন্ডল। মনোনয়ন প্রত্যাশী ৯ জনের মধ্যে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ শুক্রবার বিকালে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে বিশেষ সভা আহবান করেন। উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক গাজী মোহাম্মদ আলী ও সদস্য সচিব মোঃ রশীদুজ্জামানের উপস্থিতিতে বিশেষ সভায় ৯ জনের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে প্রার্থী চূড়ান্ত করার চেষ্টা করলেও শেষমেষ সমঝোতার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এ ব্যাপারে উপজেলা আ’লীগের আহবায়ক গাজী মোহাম্মদ আলী জানান, আমরা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে প্রার্থী চূড়ান্ত করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু শেষমেষ কোন সমঝোতা না হওয়ায় চূড়ান্ত প্রার্থী করার বিষয়টি জেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের উপর অর্পন করেছি। এখন বিষয়টি সম্পূর্ণ জেলা নেতৃবৃন্দের উপর নির্ভর করছে।

#