পাইকগাছায় আলোচিত মিনহাজ নদী নিয়ে উত্তেজনা


357 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছায় আলোচিত মিনহাজ নদী নিয়ে উত্তেজনা
মে ২৯, ২০১৭ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় মিনহাজ নদীর দখল নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে মাছ ধরে প্রতিপক্ষের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অনেকেই অভিযোগ করেছেন। এদিকে প্রতিপক্ষের লোকদের মারপিট করায় ঘটনাস্থলে আবারো অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ১০টায় শুড়িখালী বাজারে কবিরউদ্দীন মিস্ত্রী (৪০) কে মারপিট করে। এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পুলিশ জানায়, মিনহাজ নদী নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আব্দুর রব ও এবিএম এনামুল গংদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। যা নিয়ে কয়েকবার সংঘর্ষ ও মামলা মোকদ্দমার সৃষ্টি হয়েছে। যে কারণে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারী করে। খুলনা ৪র্থ জজ আদালতে দেওয়ানী ৪৯/১৭ মামলায় একই ঘটনায় স্থিতিবস্থা বজায় রাখার আদেশ দিলেও তা অমান্য করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে এনামুল হকের স্ত্রী গাজী সুলতানা পারভীন বলেন, সম্প্রতি প্রতিপক্ষ রবের লোকজন তার স্বামীকে অস্ত্র ও বোমা মামলা সাজিয়ে পুলিশী ধরিয়ে দিয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় আমাদের পক্ষে কথা বলায় কবির মিস্ত্রীকে রবের লোকজন শুড়িখালী বাজারে ফেলে বেধড়ক মারপিট করেছে। তাছাড়া রবের লোকজন আদালত ও প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নদী থেকে মাছ ধরে উল্টো আমাদের লোকজনের উপর দোষ চাপাচ্ছে। আমাদের লোকজনের নামে মামলা মোকদ্দমা দেওয়ায় তারা বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এ ব্যাপারে রবের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি। অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ ও এলাকায় মারপিটের সংবাদ শুনে থানা থেকে মিনহাজ নদী এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান। এদিকে প্রশাসনের জারী করা ১৪৪ ধারা বলবৎ রাখার জন্য দাবী জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারণ মানুষ। অনেকেই বলছেন, ১৪৪ ধারা জারী করার পরও যেখানে প্রতিপক্ষের লোককে মারপিটের ঘটনা ঘটছে সেখানে ১৪৪ ধারা শিথিল করা হলে আবারো দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে।