পাইকগাছায় চিংড়ি ঘেরের বাসা বাড়ী ভাংচুর ও মারপিটে আহত-৬


331 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছায় চিংড়ি ঘেরের বাসা বাড়ী ভাংচুর ও মারপিটে আহত-৬
ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২০ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,এম, আলাউদ্দিন সোহাগ ::

পাইকগাছায় সন্ত্রাসী স্টাইলে চিংড়ি ঘেরে ঢুকে বাসা বাড়ী ভাংচুর ও মারপিটে মহিলাসহ ৬জন আহত হয়েছে। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার লতা ধলাই গ্রামের সবুজ মৎস্য খামারে এ ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। উপজেলার লতার ধলাইতে প্রয়াত ঘের মালিক ফসিয়ার রহমানের বড় ছেলে মাশফিয়ার রহমান সবুজের নামে ৪শ বিঘার একটি চিংড়ি ঘের রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ঘের মালিক সবুজ সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের উন্নয়নে আর্থিক সহায়তা স্বরূপ ঘের থেকে আনুমানিক সাড়ে ৩ বিঘার একটি ঘের পৃথক করে গ্রামবাসীদের দিয়েছেন। কিন্তু গ্রামবাসীদের একাংশ অভিযোগ তোলেন, ঘেরে দায়িত্বে থাকা স্থানীয় ইউপি সদস্য দেবাশীষ রায়ের পরিবার হিসাব-নিকাশ নিয়ে তঞ্চকী করে আসছেন। যার প্রেক্ষিতে এ বছর উভয়ের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। এ সম্পর্কে ঘের মালিক সবুজ বলেন, চলতি মৌসুমে গ্রামবাসীদের মধ্যে অনেকেই এ ঘেরটি দাবী করলে আমি কাউকে না দিয়ে তা নিজে করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাঁধ কেটে বড় ঘেরের সঙ্গে মিশিয়ে দিলে দেবাশীষ মেম্বরের পরিবার তা আবার বেঁধে দেয়। ঘের কর্মচারী স্থানীয় বরুন রায় ও সুব্রত মন্ডল জানান, ঘটনার দিন সকালে তারা আবারো বাঁধ কেটে বাসায় গেলে ইউপি সদস্য দেবাশীষ, পিতা সুনীল রায়, ভাই আশীষ, সাগর সহ আরো ৮/১০জন হামলা চালিয়ে বাসা বাড়ী ভাংচুর করে আমাদেরকে লাঠিশোটা দিয়ে মারপিট করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। এতে বরুন রায়, কুমারেশ সরকার, সুব্রত মন্ডল, মনিশংকর রায়কে মারপিট করা অবস্থায় ঠেকাতে গেলে সন্ধ্যা ও রিক্তা মন্ডল আহত হয়। এ ঘটনার পরপরই পুলিশের এস,আই মিন্টু মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় ঘের ম্যানেজার মনিশংকর রায় বাদী হয়ে দেবাশীষ, সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দাখিল করেছে। ওসি (তদন্ত) আশরাফুল আলম জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। যার আইনী প্রক্রিয়া চলছে।

#