পাইকগাছায় জন্মান্ধ ও বোবা ৩ সন্তানকে নিয়ে বড় অসহায় একটি পরিবার


468 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছায় জন্মান্ধ ও বোবা ৩ সন্তানকে নিয়ে বড় অসহায় একটি পরিবার
অক্টোবর ২৩, ২০১৬ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,এম, আলাউদ্দিন সোহাগ, পাইকগাছা (খুলনা) ॥
খুলনার পাইকগাছায় জন্মান্ধ ও বোবা ৩ সন্তানকে নিয়ে এক কালের জমিদার বংশ আজ পথের ভিখারী। বিষন্নতার কান্না প্রতিনিয়ত তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে তাদের। দুঃখ, কষ্ট, লাঞ্চনা, বঞ্চনা কাকে বলে এ পরিবারটির দিকে তাকালে তা অনুভব করা যায়। এমতাবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য কামনা করেছেন এ অসহায় পরিবারটি।
খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার তোকিয়া গ্রামের আবুল কাশেম (আবুল) বিশ্বাসের ৩ সন্তানই জন্মান্ধ। আবুলের পূর্বসূরীরা ছিলেন জমিদার পরিবার। এ জমিদার পরিবারের উত্তরসূরী আবুল কাশেম (আবুল) বিশ্বাসের ৪ সন্তানের মধ্যে জাকির বিশ্বাস (৪০), ফারুক বিশ্বাস (৩৮), শেফালী খাতুন (২৬) জন্মান্ধ। প্রথম কন্যা সন্তানটি সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকলেও অন্ধ ৩ সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। সম্পদ-সম্পত্তি যা ছিল সবকিছুই ৩ সন্তানের চিকিৎসার পিছনে খুইয়ে আজ তিনি নিঃস্ব। শিশুকালে অন্ধাবস্থায় ফারুক ও জাকির ১০ পারা পর্যন্ত কোরআন শরীফ মুখস্থ করে বলে তারা জানায়। সাংসারিক অভাব অনাটনের জন্য আবুলের দু’পুত্র ফারুক ও জাকির ভিক্ষার পথ বেছে নেয়। সকাল ৮ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত গদাইপুর বাসস্ট্যান্ডে বসে থাকে কখন বাস আসে। বাস দাঁড়াতেই উঠে পড়ে তাতে যাত্রীদের কাছে ২/১ টি টাকার জন্য হাত পাততে থাকে। তা থেকে প্রতিদিন আয় ৪০/৫০ টাকা এবং ৬ মাস পরে দু’ভাইয়ের ৬ হাজার প্রতিবন্ধী ভাতা দিয়ে চলে তাদের সংসার। তবে বিস্ময়কর হলো, চলাচল করতে পথ চিনিয়ে দিতে কারো সাহায্যের প্রয়োজন হয় না তাদের। অনুভূতি ও নাকের ঘ্রাণ দিয়ে তাদের পথ চলা। ৮ বছর আগে পার্শ্ববর্তী থানা আশাশুনির মুড়োগাছা গ্রামের সুমি নামে এক মেয়েকে বিয়ে করে ফারুক। সংসার জীবনে ফারুক ২ সন্তানের জনক। বর্তমানে সে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। শেফালী খাতুন আবুল বিশ্বাসের ছোট কন্যা সেও জন্মান্ধ ও বোবা। লোকজন গেলে কোন কিছুই বুঝতে না পারলেও ঘাড়-মুখ এদিক-ওদিক ফিরিয়ে ফ্যাল-ফ্যাল করে হাসে। সারা দিন ছোট্ট একটি ঘরে বসে কান্না-কাটি করে। তথ্য সংগ্রহে এ পরিবারে যাওয়ার পর অসহায় এ পরিবারের সকলেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে এবং বলতে থাকে এমনকি পাপ করেছি আল্লাহ আমাদের উপর এমননিভাবে প্রতিশোধ নিচ্ছে। আবুল বিশ্বাসের দাদা খাতের আলী বিশ্বাস ছিলেন পাইকগাছার শীর্ষ জমিদার। অথচ আজ সে পরিবারটি সবকিছু হারিয়ে পথের ভিখারী। অসহায় এ পরিবারটির আয়ের কোন উৎস না থাকায় সন্তানদের ভবিষ্যৎ ভাবনায় প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য কামনা করেছেন তাদের পরিবার।

###

কপিলমুনিতে সড়ক দূর্ঘটনায় ১জন নিহত
কপিলমুনি প্রতিনিধি :
কপিলমুনিতে সড়ক দূর্ঘটনায় ১জন নিহত হয়েছে। প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাইকগাছাগামী যাত্রীবাহী বাস (খুলনা-ব-৯৯০) কপিলমুনি হাসাপতাল সংলগ্ন নিকারী পাড়া মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে বাইসাইকেলযোগে আসা মোঃ আনছার আলী মোড়ল (৫৭) এর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে আনছারের শরীরের বিভিন্ন স্থান ক্ষত-বিক্ষত হয় এবং সাইকেলটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। মুমূর্ষ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে কপিলমুনি হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। তাৎক্ষণিক তাকে খুলনায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। আনছার তালা থানার খলিলনগর গ্রামের মৃতঃ করিম মোড়লের ছেলে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি।
এবিষয়ে কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ী ইনচার্জ মোঃ বরকত হোসেন দূর্ঘটনার বিষয়ে অবগত নন বলে জানান।
####

কপিলমুনি সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতির
পিতার সুস্থ্যতা কামনা
কপিলমুনি প্রতিনিধি :
কপিলমুনি সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতি, দৈনিক আলোকিত সংবাদ ও এসডব্লু নিউজের প্রতিনিধি এম আজাদ হোসেনের পিতা আলহাজ্ব মোঃ তোফাজ্জেল হোসেন মোড়ল বার্ধক্য জণিত রোগে ভূগছেন।
তার সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন কপিলমুনি সিটি প্রেসক্লাবের  কার্যকরী সহ-সভাপতি এইচ এম এ হাশেম, সহ-সভাপতি শেখ দীন মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক পলাশ কর্মকার, সহ-সাধারণ সম্পাদক এইচ এম জিয়াউর রহমান, কোষাধ্যক্ষ জগদীশ দে, সাংগঠনিক সম্পাদক মজুমদার পলাশ, দপ্তর সম্পাদক এম আজিজুর রহমান, প্রচার সম্পাদক আঃ সবুর আল-আমীন, ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক স ম নজরুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য বদরুল আলম, মোঃ রফিকুল ইসলাম খান, সদস্য পবিত্র মন্ডল, তপন পাল  প্রমুখ।