পাইকগাছায় দু’পক্ষের মামলায় পড়ে হয়রানীর শিকার হচ্ছে চিংড়ি ব্যবসায়ী


299 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছায় দু’পক্ষের মামলায় পড়ে হয়রানীর শিকার হচ্ছে চিংড়ি ব্যবসায়ী
নভেম্বর ৯, ২০১৬ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পাইকগাছা  ॥
খুলনার পাইকগাছায় একই জমির মালিকানা স্বত্ব নিয়ে দু’পক্ষের একাধিক মামলায় পড়ে হয়রানীর শিকার হচ্ছে এক চিংড়ি ব্যবসায়ী। ঘের মালিকের অভিযোগ উভয়পক্ষের মামলার জালে পড়ে হয়রানীসহ বার বার অর্থ দন্ড দিতে হচ্ছে।
এ সংক্রান্ত সর্বশেষ এক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রধান শিক্ষক অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে এক তরফা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে বলে প্রতিপক্ষের অভিযোগ।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায, উপজেলার বাইশারাবাদ মৌজার এস,এ ৩১ খতিয়ানের ৮৯ শতক জমি নিয়ে স্থানীয় শামছুর গাজী ও মিজানুর রহমানের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

উভয়পক্ষ স্বত্বের দাবী নিয়ে হারীর টাকা আদায়ের জন্য স্থানীয় চিংড়ি ঘের মালিক মোবারক সরদারের বিরুদ্ধে আদালত ও ইউএনও’র কার্যালয়ে একাধিক মামলা মোকদ্দমা করে। মামলা মোকদ্দমায় ফেলে ইউপি

চেয়ারম্যান ও প্রধান শিক্ষকদের কাছে তদন্ত চেয়ে তদন্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাদীপক্ষ ঘের মালিকের কাছ থেকে বার বার হারীর টাকা আদায় করছে বলে ঘের ব্যবসায়ী মোবারক সরদার জানান।

সর্বশেষ মিজানুরের দায়ের করা ফৌজদারী আদালতের ৭৬/১৬ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ জিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুজিবর রহমান পক্ষপাতিত্ব করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

তিনি বলেন, ২৬/৯৫ রায় ডিক্রি ও সর্বশেষ সেটেলমেন্ট জরিপে ৩১ ধারার রেকর্ড আমলে না নিয়ে তিনি এক তরফা মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট দেন বলে অভিযোগ করেন। ঘের মালিক মোবারক সরদার বলেন, মিজানুর ও

সামছুর গাজী বাদী হয়ে আদালতে কমপক্ষে ৫টি মামলা করে হয়রানী করেছে। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি গোপনে এবং প্রকাশ্যে তদন্ত করে যা পেয়েছেন সে অনুযায়ী তদন্ত রিপোর্ট আদালতে পেশ করেছেন।
##