পাইকগাছায় পুলিশের ভ্যানের সাথে ধাক্কা লেগে প্রাণ গেলো মটরসাইকেল আরোহী ইকবালের


566 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছায় পুলিশের ভ্যানের সাথে ধাক্কা লেগে প্রাণ গেলো মটরসাইকেল আরোহী ইকবালের
মে ৩০, ২০১৮ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস, এম, আলাউদ্দিন সোহাগ ::
পাইকগাছায় পুলিশ ভ্যানের সাথে ধাক্কা লেগে প্রাণ গেলো এক মটর সাইকেল আরোহী পোনা ব্যবসায়ীর। মর্মান্তিক এ দূর্ঘটনাটি বুধবার সকাল ১১টার দিকে পাইকগাছা-খুলনা প্রধান সড়কের বাদামতলা মোড় নামক স্থানে ঘটে। নিহত পোনা ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন (৩০) জেলার দাকোপ উপজেলার নলিয়ানের নজরুল ফকিরের ছেলে। দূর্ঘটনায় মটর সাইকেল চালক (২৯) ও গুরুতর আহত হয়। আহত রমজান উপজেলার গড়ইখালী ইউনিয়নের হুগলারচক গ্রামের আজিজুল হক মিস্ত্রীর ছেলে।
থানা পুলিশ প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাগেছে, নিহত ইকবাল ঘটনার দিন সকালে পাতিলে রেনু (গলদা) পোনা নিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে গড়ইখালী বাজার হতে খুলনা- ২-১২-২৪০৬ নং ১০০ সিসি প্লাটিনা ভাড়াটিয়া মটরসাইকেল যোগে ডুমুরিয়া যাচ্ছিল। পথিমধ্যে পাইকগাছা-কপিলমুনির মধ্যবর্তী ঘাতক বাদামতলা মোড় নামক স্থানে পৌছালে মোড় অতিক্রম করার সময় পাইকগাছা থানার পুলিশ ভ্যান ও মটরসাইকেলটি মুখোমুখি হয়ে যায়। এ সময় মটরসাইকেল চালক রমজান মটরসাইকেলটি দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলে মুহূর্তের মধ্যে মটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে আরোহী পোনা ব্যবসায়ী পুলিশ ভ্যানের চাকার সামনে গিয়ে পড়ে। একই ভাবে চালক রমজানও মটরসাইকেল সহ বিপরীত দিকে ছিটকে পড়ে। পরে থানা পুলিশ গুরুতর আহত অবস্থায় দু’জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ইকবালের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে খুলনায় প্রেরণ করেন। হাসপাতালের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডাঃ প্রশান্ত কুমার মন্ডল জানান, অর্ধ অজ্ঞান অবস্থায় ইকবাল সহ তাদের দু’জনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আহতদের মধ্যে ইকবালের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার ডান হাতটি ভেঙ্গে যায় এবং মুখের ডানপাশে কাঁটা ক্ষত ছিল। প্রচন্ড খিচুনি হওয়ায় তার অবস্থা আশংকা জনক মনে করে তাকে খুলনায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে খুলনায় যাওয়ার পথে পথিমধ্যেই ইকবালের করুণ মৃত্যু হয় বলে থানার ওসি (তদন্ত) এসএম শাহাদাৎ হোসেন জানিয়েছেন। পুলিশের এ কর্মকর্তা আরো জানান, নিহত ইকবালের ময়না তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু তার পরিবারের আপত্তি থাকায় ময়না তদন্ত ছাড়াই নিহত ইকবালকে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়।