পাইকগাছায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন


352 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
এপ্রিল ১১, ২০১৭ খুলনা বিভাগ
Print Friendly, PDF & Email

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ::
খুলনার পাইকগাছায় জায়গা জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে বিভিন্ন মামলা সহ নানাভাবে হয়রানী করার প্রতিবাদে পাইকগাছা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে নগরশ্রীরামপুরের মৃত ছমির উদ্দীনের ছেলে আব্দুস সাত্তার লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান। বক্তব্যে তিনি বলেন, একই এলাকার শ্যামল কর্মকার ও বাসুদেব কর্মকারের কাছ থেকে কোবলা মূলে ৫ শতক জমি ক্রয় করে ৯ বছর ধরে ভোগ দখল করছে। এ জমি থেকে উচ্ছেদ করার জন্য শ্যামল কর্মকারের ভাই অমল কর্মকার ও নির্মল কর্মকার দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছে। এমনকি নিজেদের ঘরে আগুন দিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করে, যা তদন্তে কালে মিথ্যা প্রমাণিত হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। হয়রানীর হাত থেকে রক্ষা পেতে এসপি বরাবর আবেদন করা হলে এসপি ওসি, পাইকগাছাকে ১১১৮০/ভি নং স্মারকে ২৯/১২/২০১৬ তারিখে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। বিষয়টি আদালতে দেওয়ানী ১১৬/১৬ মামলা থাকায় উভয়পক্ষকে স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখার নির্দেশ দেন এবং এসপি, খুলনাকে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠান।
###

পাইকগাছায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে চরম বিপাকে সর্বসাধারণ
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে চরম বিপাকে রয়েছে সর্বসাধারণ। প্রতিদিন সকাল-দুপুর-সন্ধ্যায় রুটিন মাফিক বিদ্যুতের লোডসেডিং-এর কবলে পড়ে জনসাধারণ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য সহ সবখানে প্রায় অচল অবস্থা বিরাজ করছে। বিদ্যুতায়িত কর্মকান্ড প্রায় বন্ধের উপক্রম। অবস্থা দৃষ্টে মনে হয় বিষয়টি দেখার কেউ নেই। কয়েকমাস ধরে ভোর ৬টা থেকে সকাল ৮টা, বেলা ১টা থেকে বিকাল ৫-৬ টা ও মাগরিবের নামাজ শুরু হলেই বিদ্যুৎ চলে যায়। বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবন-যাত্রা মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। বোর্ড পরীক্ষা চলাকালেও বিদ্যুতের এ আসা-যাওয়া শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মারাত্মক বিঘœ ঘটছে। বিদ্যুতায়িত কর্মকান্ড নিয়ে জড়িত থাকার মুহুর্তে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় বিপাকে পড়ে কর্মকান্ডে জড়িত থাকা ব্যক্তিরা। শুরু হয় অপেক্ষার পালা। ব্যবসা বাণিজ্য ফেলে রেখে ভ্যাপসা গরমে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে চলে যেতে হয়। চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রে রোগীরা পড়ে চরম বিপাকে। সংবাদ কর্মীদের সংবাদ পাঠানো নিয়ে কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। মৎস্যজাত দ্রব্য নষ্ট, ইলেকট্রিক সামগ্রি হচ্ছে নষ্ট। এ ব্যাপারে স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করা হলে তাদের প্রতিনিয়ত একই জবাব খুলনা থেকে সমস্যা, লাইন মেরামত হচ্ছে- এমনিভাবে নানা অভিযোগ। অপেক্ষা করেন কিছুক্ষণের মধ্যে বিদ্যুৎ পাবেন। এছাড়া আকাশে কোন রকম মেঘ করলেই বা বাতাস উঠলেই মুহুর্তের মধ্যে বিদ্যুতের খোঁজ থাকে না।

###

“গ্লোবাল ডেভলপমেন্ট এন্ড রিসার্স ইনিসিয়েটিভ”
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
শিশু মনোনশীল, মাতৃ¯েœহ পরায়নতায়, আধুনিক কলাকৌশল প্রয়োগে বাংলাদেশে সর্ব প্রথম প্রাক শিশু শিক্ষা নিয়ে এলো “গ্লোবাল ডেভলপমেন্ট এন্ড রিসার্স ইনিসিয়েটিভ” প্রতিষ্ঠান।
ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলা ভূমি সাগর সৈকত আর পৃথিবী বিখ্যাত ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন, জোৎনাঝরা রাতে সাগরের নীলজল আর ভাটিয়ালী গানের সুরে মাতাল হাওয়ায় দামাল ছেলেদের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা চলেছি আলোর পথবেয়ে ধীরেধীরে স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশের গভীর থেকে গভীরে। দিন বদলের পালায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে বিভিন্ন সেক্টরে। দেশ চলছে এগিয়ে আর আমরা .চলছি স্বপ্নের পথ বেয়ে নয় বাস্তবতার অর্জনে সোনালী দিনের পথে। বাংলাদেশের শিশু শিক্ষা, মেধা প্রস্তুতিকরন এবং মায়ের ¯েœহ পরায়নতায় শিক্ষাকে হৃদয়ে স্থান করে দিতে যে লোকটি নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন তিনি আর কেউ নন, ডঃ আসাদ ইসলাম, মোনার্শ ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত। অষ্ট্রেলিয়ার কর্মজীবনের পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের দারিদ্র পীড়িত জনগোষ্ঠির ছেলে মেয়েদের প্রাথমিক শিক্ষা উপযোগী পাঠদানে নিয়ে এসেছেন আধুনিক তথ্য সম্মিলিত পাঠদান পদ্ধতি। সহজ, সাবলীল এবং সাধারন পাঠদান পদ্ধতি একজন শিশুকে পাঠভীতি নয় পাঠগ্রহনে কতটুকু আগ্রহী করে তুলতে পারে তার একটা শিক্ষা গবেষনা প্রকল্প বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলায় ২০১০ সাল থেকে শুরু হয়েছে। জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে বেকার যুবগোষ্ঠিকে  প্রশিক্ষিত করে গড়ে তুলেছেন শিক্ষা বিস্তারে এক দক্ষ জনসমষ্ঠি। কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষে বেকার সমস্যা না হয়ে তারাইডঃ আসাদ ইসলাম সাহেবের গবেষনা প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষন নিয়ে গ্রাম,গঞ্জ, উপজেলা শহরে শিক্ষ সম্প্রসারনে নিরলস ভুমিকা রেখে চলেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের মার্চ মাসে শুরু হয়েছে আতœঃ জেলা শিক্ষা সম্প্রাসারন কর্ম বিন্যাস এবং প্রশিক্ষিত শিক্ষিকা তৈরি করন সেমিনার। পাইকগাছা, আশাশুনি, তালা ও ডুমুরিয়া উপজেলার ইউনিয়ন গুলিতে অঞ্চল ভিত্তিক বেশ কয়েকটি জোনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা ভিত্তিক সকল শিক্ষীকাদের একটি নির্দিষ্ঠ স্থানে একত্রিকরন করে ডঃ আসাদ সাহেবরে প্রশিক্ষীত ও সুদক্ষ ট্রেইনার দিয়ে শিশুদের পাঠদানের কলাকৌশল পর্যাবেক্ষন পূর্বক ভিন্ন ধর্মী কলাকৌশল, মেধাপ্রস্তুতি করনে মায়ের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়ে কী ভাবে একটি অমনোযোগী  শিশুকে মনোযোগী করে যুগপোযোগী শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়,সে বিষয়ের উপর ৫ দিন ব্যাপী সকার ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত শিক্ষীকাদের প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন ডঃ আসাদের প্রতিষ্ঠান“গ্লোবাল ডেভলপমেন্ট এন্ড রিসার্স ইনিসিয়েটিভ”নামক প্রতিষ্ঠানটি।এ প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন দিক নিয়ে যিনি নিরালস প্ররিশ্রম করে চলেছেন তিনি আর কেউ নন ডঃ আসাদ সাহেবের সহোদর ভ্রাতা মুনতাসির মামুন সিরাজ। সদালপি অমায়িক ব্যবহারের অধিকারী ব্যক্তি যিনি নিরালস পরিশ্রম করে চলেছেন দিনের পর দিন। বাংলাদেশের কয়েকটি জেলা,উপজেলায় ইউনিয়নে যেখানে দারিদ্র শিশুদের অধিবাস সেখানে তিনি শিক্ষা প্রকল্পের মাধ্যমে সে অঞ্চলগুলিকে সুশিক্ষিত করে চলেছেন।তিনি বলেছেন বাংলাদেশের ৫টি মৌলিক সম্যসার অন্যতম ১টি হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা। প্রথমে আমরা শিক্ষা নিয়ে কাজ করছি। পরবর্তিতে আমরা ধাপে ধাপে বস্ত্র, বাসস্থান, স্বাস্থ্য, অন্ন প্রভূত সমস্যা গুলিকে নিয়ে কাজ করব। পরবর্তি কর্মসূচি স্বাস্থ্য সেবার সম্পর্কে তিনি বলেন দারিদ্র পীড়িত জনগোষ্ঠকে চিকিৎসার প্রাথমিক খরজাদী  আমরা করার চেষ্ঠা করব।যতটুকু সামার্থ করা যায় আমরা করব। ভিক্ষুক মুক্ত বাংলাদেশ গঠনে আমার  ভিক্ষুক পূর্নবাসন করব। বেকার দারিদ্র শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠিকে প্রশিক্ষনের মাধ্যমে কর্মমুখি করে তুলতে আমরা নিরালস পরিশ্রম করে চলেছি। আজকে শিশুদেরকে যদি আমরা অধুনিক মননশীল শিক্ষায় সুশিক্ষত করে প্রাথমিক শিক্ষার দোড়-গড়ায় পৌছে দিতে পারি সেক্ষেত্রে ঐই শিশুরা ভবিষ্যতে প্রাথমিক শিক্ষায় এত ভাল রেজাল্ট করবে যেটি প্রাইমারিতে পড়–য়া সাধারন শিশুদের থেকে তাদেরকে আলাদা ভাবে চেনা যাবে বলে আমাদের বিশ্বাস।পাশাপাশি শিশুরা ভদ্র ,বিনীয়, বিন¤্রতা, সময়ানুবর্তিতা, বুদ্ধিদিপ্ত কৌশল পারদর্শি হয়ে বাবা-মাদের বোঝা হয়ে নয় বরং নিজেদের মেধা বিকাশে এতটাই শিক্ষানুরাগী হয়ে পড়বে যেটা সমাজের আর্শিবাদ বা অলংকর হয়ে বাবা-মাদের মুখ উজ্জ্বাল করবে। কোন সরকারী অনুদান নয়, নয় কোন অর্থলগ্নীকারী সাহায্য সহযোগীতা।ডঃ আসাদ সাহেবের ব্যক্তিগত প্রচেষ্ঠায় বিদেশিদের অনুদানে রিসার্সের মাধ্যমে বাংলাদেশকে নিয়ে চলেছেন পৃথিবীর বুকে ১ নং শিক্ষা ব্যবস্থায়, তাই আর বাংলাদেশ ও নয় বিশ্বের যে কোন দেশ থেকে পিছিয়ে। ধীরে ধীরে মানষের কল্যানে কর্মমুখি এক শিক্ষিত জনসমষ্ঠি তৈরিকরার মানসে কাজ করে চলেছেন শিশুদেরকে নিয়ে। আগামী ২০-২৫ বছর পরে এই শিশুরাই হবে কর্মমুখি, উদ্দোমী ও তারুণ্যে ভরা বাংলাদেশের জাতীয় সম্পাদ।