পাইকগাছায় বিরোধপূর্ণ ইটের ভাটা দখল নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে


306 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছায় বিরোধপূর্ণ ইটের ভাটা দখল নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে
এপ্রিল ২৭, ২০১৬ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,এম আলাউদ্দিন সোহাগ, পাইকগাছা :
পাইকগাছায় আলোচিত এস,এ,কে ব্রিকস্ জিগজ্যাগ ইট ভাটা দখল, পাল্টা দখলকে কেন্দ্র করে মামলা, পাল্টা মামলা অব্যাহত। এম,পি নুরুল হক পক্ষে আযম খান গং ও অজয় সরকারের পক্ষে বাবু গাইন, রুহুল আমিন খান সমর্থকদের মর্যাদার লড়াইয়ে দু’পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। অপর দিকে এস,পি অফিসে ভাটার বিরোধ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বসাবসির কথা থাকলেও আযম খানদের অনুপস্থিতির কারণে কোন সিদ্ধান্তে পৌছানো যায়নি বলে সূত্র জানিয়েছে। দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি মামলায় প্রায় ৫’শ জনকে আসামী করা হয়েছে। মামলায় গ্রেফতার আতঙ্কে ভুগছে অনেকে। এদিকে পাইকগাছার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মূল ভাটা মালিক রুহুল আমিন খানের দায়ের করা এম,আর ১০০/১৬ মামলায় পুলিশ আযম খানের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চাঁদখালীর হাচিমপুরে কপোতাক্ষ নদের তীরে প্রায় ১০ একর সম্পত্তির উপর স্থাপিত এস,এ,কে ব্রিকস এর স্বত্ব নিয়ে স্থানীয় রুহুল আমিন খান ও আযম খানদের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ সহ মামলা রয়েছে। মুল মালিক রুহুল আমিন খান এর পক্ষে অবশেষে ডুমুরিয়ার অজয় সরকারের অনুসারী বাবু গাইন ভাটাটি নিজের নিয়ন্ত্রনে নেয়। এদিকে প্রতিপক্ষ আযম খান ভাটাটি পুন: উদ্ধারের জন্য পাইকগাছা-কয়রার এমপির দারস্ত হন। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানিয়েছে সর্বশেষ ১৬ এপ্রিল ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সকালে ৫০/৬০ টি মোটর সাইকেলে করে প্রায় ২৫০ জন ব্যক্তি বিরোধপূর্ন ভাটাটি দখল করেন। ঘটনার সময় বাবু গাইন পক্ষের ভাটা ম্যানেজার জয়দেব মন্ডল, দুষ্টু, পরাগ সহ ৬ জন পার্শ্ববর্তী ইট ভাটা মালিক মহিউদ্দীন খানের বাড়ীতে আশ্রয় নিলে দুবৃর্ত্তরা এ বাড়িতে হামলা চালিয়ে এদেরকে বের করে বেধড়ক মারপিট করে জখম করে। জানা গেছে এ সহিংসতার পিছনে পুলিশ এম,পি ও তার পুত্রের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দপ্তরে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। এ ঘটনায় আহত জয়দেব মন্ডল এম,পির পুত্র শেখ মনিরুল ইসলাম, আযম খান ও গদাইপুর ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা যুবলীগ সভাপতি সহ দেড়’শ জনের বিরুদ্ধে ১৭ এপ্রিল থানায় মামলা দায়ের করেন। এদিকে থানায় এম,পির পক্ষে মামলা গ্রহণ না করায় আদালতে মামলা করা  হয়। আদালতের নির্দেশে এপর্যন্ত বাবু গাইন ও রুহুল আমিন খান দের বিরুদ্ধে আযম খান গংদের দায়ের করা দুটি মামলা থানায় এফ,আই,আর করেছে। এ মামলায় এপর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি বলে জানা গেছে। ভাটা কেন্দ্রীক বিরোধ গত কয়েকদিন যাবৎ প্রশাসনের মধ্যে তোড়পাড় সৃষ্টি হয়েছে। ইট ভাটাটি বর্তমানে বাবু গাইনের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে বলে জানা গেছে।