পাইকগাছায় সুপেয় পানিয় জলের তীব্র সংকট


886 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছায় সুপেয় পানিয় জলের তীব্র সংকট
এপ্রিল ২২, ২০১৭ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,এম, আলাউদ্দিন সোহাগ, পাইকগাছা ::
খুলনার পাইকগাছায় সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সংকট নিরসনে সরকারি-বেসরকারিভাবে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও তা ৩ লক্ষাধিক মানুষের চাহিদা পূরনে নিতান্তই অপ্রতুল। লবণ পানি অধ্যুষিত বিপুল জনগোষ্ঠির সুপেয় পানির প্রধান উৎস্য ২ হাজার ৬৫৩টি অগভীর নলকূপ। তবে অধিকাংশ নলকূপে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক ও আয়রণের পরিমাণ বেশী থাকায় তা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে আছে দীর্ঘদিন। আবার অনেকে সূপেয় পানির সংকটে তা পান করে আর্সেনিকসহ বিভিন্ন পানিবাহিত দূরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লবণ পানি অধ্যুষিত এলাকার শিশু-কিশোর, স্কুল-কলেজের ছাত্র/ছাত্রী ও মহিলারা বিভিন্ন পানির পাত্র নিয়ে সূপেয় পানির সন্ধানে ছুঁটে যায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পানির প্রকল্পগুলোতে। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সূত্র জানায়, উপজেলার ১০ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভায় অগভীর নলকুপ রয়েছে ২ হাজার ৬৫৩ টি। উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নে ৩২৭টি, কপিলমুনিতে ৩৯৫টি, লতায় ১৯৮টি, দেলুটিতে ২০১টি, সোলাদানায় ১৭৩টি, লস্করে ১৯৫টি, গদাইপুরে ৩৭১টি, রাড়–লিতে ৩৪০টি, চাঁদখালিতে ৩৯৯টি ও গড়ইখালী ইউনিয়নে ১৩৪ টি অগভীর নলকূপ রয়েছে। এছাড়া ভিএসএসটি ৩১ টি, এসএসটি ৬১৮ টি, রেইন ওয়াটার হার্ভেষ্টিং ৭৪৮ টি ও পিএসএফ ৪৯৪ টি থাকলেও অধিকাংশ আর্সেনিক ও লবণক্ততার কারণে তা পানযোগ্য নয়। পাইকগাছা পৌরসভার সরলের ৩টি পানির ফিল্টার থেকে ১ টাকা লিটার পানি কিনে পানীয় জলের চাহিদা মেটাচ্ছে। যদিও তা যথেষ্ঠ মান সম্পন্ন নয়। চলতি অর্থ বছরে উপজেলার সোলাদানা, লস্কর ও গড়–ইখালি ইউনিয়নে ৩ হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ১২০ টি পানির ট্যাংক। ৫ ইউনিয়নের ৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপন করা হয়েছে, ২৫ হাজার লিটার পানির ধারণ ক্ষমতার  ৫টি রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং সিস্টেম। তবে কোন কিছুতেই যেন নিরসন হচ্ছে না সূপেয় পানির সংকট। কেননা উপজেলার অধিকাংশ নলকূপগুলোতে রয়েছে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক ও আয়রণ। সূত্র জানায়, উপজেলার শামকপোতা, বাহিরবুনিয়া গদারডাঙ্গা, পুটিমারী, পুতুলখালী, হাড়িয়া, পানারাবাদ, তেঁতুলতলা, হানি মুনকিয়া, কাঠামারী, গঙ্গারকোনা, লতা সদর সহ সেখানকার প্রায় সবক’টি গ্রাম। কপিলমুনির চিনেমলা, গোয়ালবাথান, প্রতাপকাটি, কাজীমুছা, মালত, নাবা, ভৈরবঘাটা, বিরাশি, শ্যামনগর, বারইডাঙ্গা, শিলেমানপুর সহ কয়েকটি গ্রাম, দেলুটি, সোলাদানা ও লস্কর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি সূপেয় পানি সংকট। এসব এলাকার মানুষরা বিকল্প হিসেবে পুকুরের পানি ব্যবহার করছে। আবার অনেকে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে পান করছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় মিষ্টি পানির আঁধার নেই সেসব এলাকায় বৃষ্টির পানিই একমাত্র ভরসা।

পাইকগাছা সংবাদ ॥ গণধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা : জেল হাজতে ২
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
খুলনার পাইকগাছায় গণধর্ষণের অভিযোগে পঞ্চাশোর্ধ এক ধর্ষক সহ সহযোগী আর এক চা বিক্রেতা মহিলাকে আটক করে পুলিশ জেলহাজতে পাঠিয়েছে। শনিবার সকালে ভিকটিমকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য খুমেক হাসপাতালে পাঠানোর কথা জানা গেছে। ঘটনার প্রায় এক মাস অতিবাহিতের পর মামলা হওয়ায় এলাকায় কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে ভিকটিমের যাপিত জীবন নিয়ে আসামী পরিবারের পক্ষ থেকে নানান প্রশ্ন তুলেছেন। থানার মামলা ও ধর্ষিতার বক্তব্যর উদ্বৃতি দিয়ে পুলিশ জানিয়েছেন, চলতি মাসের ৫ এপ্রিল উপজেলার কপিলমুনির পুলিশ ফাঁড়ির কাছে স্থানীয় চা বিক্রেতা জরিনা বেগম (৫২) এর বাসাবাড়িতে নিয়ে গোলাবাড়ি এলাকার রমজান নেকারীর স্ত্রী শারমিন ইসলাম (২২) কে তার দাদা সম্পর্কের মাছ ব্যবসায়ী নজরুল মোড়ল সহ কয়েকজন মিলে গণধর্ষণ করেন। স্থানীয় সুত্র দাবী করছে, প্রথমে এ ঘটনা স্থানীয় ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর এর রেশ ধরে ধর্ষিতার স্বামী রমজান বৃহস্পতিবার দুপুরে হাটের দিনে রমজান তার লোকজন নিয়ে কপিলমুনি বাজারে নজরুল মোড়লকে ব্যাপক মারপিট করলে বিষয়টি আরও জানাজানি হয়। প্রত্যক্ষদর্শী জেলাপরিষদ সদস্য নাহার আক্তার সহ অনেকেই জানিয়েছেন মারপিটের এক পর্যায়ে খবর দেওয়া হলে স্থানীয় ক্যাম্প পুলিশ রমজান ও নজরুল কে পুলিশ হেফাজতে নেয়। সর্বশেষ ভিকটিম বাদী হয়ে দাদা নজরুল, চা বিক্রেতা জরিনা সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে শুক্রবার থানায় মামলা করে যার নং ৩২। ভিকটিমের স্বামী রমজানকে জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ ছেড়ে দিয়েছেন। এদিকে আটক আসামী নজরুলের স্ত্রী আছিয়া বেগম দুই পরিবারের মধ্যে জমির বিরোধের কথা জানিয়ে বাদীর জীবন যাপন নিয়ে প্রশ্ন তুলে পুলিশি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ধর্ষণ মামলার কথা জানিয়ে ওসি মারুফ আহম্মদ এ মামলার ধৃত আসামীদের শনিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।

####

পাইকগাছায় ব্যবসায়ী আবু তাহের মারা গেছে
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছা পৌরসভার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক জি,এম, আবু তাহের (৬৮) শনিবার সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নানিল্লাহি………রাজিউন)। সকালে তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করলে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ২ মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক, পেশাজীবি, ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ পৌরসভাস্থ বাসভবনে ছুটে আসেন। জানাযা শেষে সরকারী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

কয়রা উপজেলা তাঁতী লীগের আহবায়ক কমিটি গঠন

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ তাঁতী লীগ কয়রা উপজেলা শাখার ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল খুলনা জেলা তাঁতী লীগের আহবায়ক সুমন আহম্মেদ খান ও সদস্য সচিব কাজী আজাদুর রহমান (হিরক) স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল। কমিটির আহবায়ক হলেন শেখ জাহাঙ্গীর আলম,যুগ্ম আহবায়ক আছাদুজ্জামান (সবুজ),জয় কুমার মন্ডল ও শেখ বাবুল আক্তার। সদস্যরা হলেন কুদ্দুস শেখ,মোঃ হারুন অর রশিদ,রেজওয়ান হোসেন,আবুল কালাম সানা,আশরাফুল ইসলাম,সাদ্দাম হোসেন,অপুর্ব গাইন,তৌফিক আলম পলাশ,মোক্তারুল ইসলাম,শাহাজান মন্টু,মোঃ মনিরুল ইসলাম,রফিকুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম,সোহরাব আলী,নারায়ন বাইন,কামরুল ইসলাম ও ফিরোজ আহম্মেদ। কয়রা উপজেলা তাঁতী লীগের কমিটি ঘোষনা করায় খুলনা জেলা তাঁতী লীগের  সকল নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জনানো হয়েছে।

###