পাইকগাছায় হত্যা মামলা তুলে নেয়ার জন্য বাদী-সাক্ষীদের চাপ সৃষ্টি : থানায় জিডি


98 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছায় হত্যা মামলা তুলে নেয়ার জন্য বাদী-সাক্ষীদের চাপ সৃষ্টি : থানায় জিডি
জানুয়ারি ২৫, ২০২০ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
খুলনার পাইকগাছায় আলেয়া হত্যা মামলার ১নং আসামী কর্তৃক বাদী ও ১নং সাক্ষীকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করছে। মামলা প্রত্যাহার না করলে খুন জখমের হুমকি দেওয়ায় পাইকগাছা থানায় শনিবার সাধারণ ডায়েরী হয়েছে।
সাধারণ ডায়েরী সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জানুয়ারি রাতের যেকোন সময় রাড়–লী ইউনিয়নের কলমিবুনিয়া গ্রামের মৃত শাহাজানের স্ত্রী আলেয়া বেগম (৪৬) কে হত্যা করা হয়। এ অভিযোগে নিহতের ছেলে আলমগীর গাজী বাদী হয়ে পাইকগাছা থানায় ৩জনের নাম উল্লেখ করে ২০নং হত্যা মামলা করে। যার আসামীরা শ্রীকন্ঠপুর গ্রামের মৃত মেহের বিশ্বাসের ছেলে আরশাদ আলী বিশ্বাস, হাশেম সরদারের ছেলে আমান সরদার, ফজু বিশ্বাসের ছেলে হোসেন বিশ্বাস। মামলার ১নং আসামী আরশাদ বিশ্বাস ২৩ জানুয়ারি দুপুর আনুমানিক ২টায় মামলার ১নং আসামী আরশাদ বিশ্বাস ০১৭২১-৭৫৯৪৪৭ নং হতে ১নং সাক্ষী নিহতের ভাই ইউনুস সরদারের ০১৭৪২-৪৫৬০১৭ নং মোবাইল করে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও মামলা তুলে নেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। মামলা না ওঠালে তাকে খুন জখমের হুমকি দেয় বলে সাধারণ ডায়েরীতে উল্লেখ করেন। সাধারণ ডায়েরী নং- ১০৭১, তাং- ২৫/০১/২০২০। উভয়ের কথোপকথন ইউনুসের মোবাইলে ধারণ করা আছে। ওসি এমদাদুল হক শেখ জানান, জিডি হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আসামীদের ধরার ব্যাপারে অভিযান অব্যাহত আছে।

#

চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগের অপরাধে

পাইকগাছায় প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে ২জন আহত

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
খুলনার পাইকগাছায় সøুইচ গেটের পানি উঠানোকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে একই পরিবারের ২জন আহত হয়েছে। আহতদের পাইকগাছা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত তাকে চিকিৎসক খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার লস্কর গ্রামে।
জানা যায়, লস্কর সøুইচ গেট দিয়ে পানি তুললে এলাকা তলিয়ে দিলে এলাকাবাসী স্থানীয় জাফরদের বিরুদ্ধে লস্কর ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করে। শুক্রবার চেয়ারম্যান কে,এম, আরিফুজ্জামান তুহিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চলে যাওয়ার পর শনিবার সকালে অতর্কিতভাবে লাঠিশোটা নিয়ে অভিযোগ করার অপরাধে শফিকুলদের উপর আমিনুদ্দীন সানার ছেলে হাফিজুর, জাফর, হায়দার, আয়ুব, মোমিন উদ্দীনের ছেলে মান্নান, শাহাবুদ্দীন গাজীর ছেলে মাসুদ গাজী হামলা চালায়। এ সময় মোমিন উদ্দীন সানার পুত্র শহিদুল ইসলাম সানা ও শফিকুল ইসলাম সানা আহত হয়। আহতদের পাইকগাছা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। ওসি এমদাদুল হক শেখ জানান, ঘটনা শুনেছি। তবে থানায় এখনও কোন মামলা হয়নি।