পাইকগাছায় ১৮৫ হেক্টর জমিতে পানের আবাদ : লাভবান কৃষক


616 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছায় ১৮৫ হেক্টর জমিতে পানের আবাদ : লাভবান কৃষক
জুন ৬, ২০১৮ কৃষি খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,এম,আলাউদ্দিন সোহাগ ::
পাইকগাছায় ১৮৫ হেক্টর জমিতে পানের আবাদ হয়েছে। বিগত বছরের চেয়ে দ্বিগুনেও বেশি দাম পাওয়ায় পান চাষিরা অধিক লাভের আশা করছেন। উপজেলা কৃষি অফিসের সূত্র মতে উপজেলায় ১৮৫ হেক্টর পানের বরজ রয়েছে। যার মধ্যে রাড়–লীতে ৯০ হেক্টর, হরিঢালীতে ৫০ হেক্টর, কপিলমুনিতে ১০ হেক্টর। অত্র এলাকা পান চাষের জন্য সমৃদ্ধ হওয়ায় পানে চাষে ঝুঁকছে কৃষকরা। অন্যান্য ফসলের চাষাবাদ বাদ দিয়ে অনেকে পান চাষে এগিয়ে এসেছেন। ফলে প্রতি বছর আবাদের পরিমাণ ও পান চাষের সংখ্যা বাড়ছে। পানের দাম এ বছর অথিতের যে কোন সময়ের চেয়ে রেকর্ড পরিমান বেড়েছে। ফলে অন্যান্য বছরের চেয়ে এ বছর পান চাষীরা অধিক লাভের আশা করছেন।
রাড়ুলী ইউনিয়নের কাটিপাড়া গ্রামের লক্ষ্মন দাশ জানান, আমি প্রায়ই ১০ বছর যাবৎ পান চাষ করছি। বর্তমানে ২ বিঘা জমিতে আমার পানের বরজ রয়েছে। পান চাষের মাধ্যমে সংসারের যাবতীয় খরচ সহ ৪টি সন্তানের লেখাপড়া শেখাচ্ছি। আমার বড় মেয়ে অনার্স, মেজ মেয়ে এইচএসসি ও সেজ মেয়ে এস,এস,সি তে পড়ছে। এদের লেখাপড়া ও সংসারের খরচ যোগান দিয়েও পান চাষ করে প্রতি বছর অনেক টাকা আমি সঞ্চয় করি। এ কাজে পরিবারের সবাই আমাকে সহযোগিতা করে। বিগত বছর যে, পানের পন ৫০ টাকা বিক্রয় হতো এবছর তা ২০০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। উৎপাদিত পান কপিলমুনি, কাছিঘাটা, ও ঢাকায় পাইকারী বিক্রয় করি। এ বছর দাম বেশি হওয়ায় বিঘা প্রতি লাভ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছি। লক্ষ্মন দাশের মেয়ে পুজা দাশ ও পিয়ালী দাশ জানান, লেখাপড়ার পাশাপাশি আমরা বাবা মায়ের সাথে পানের পরিচর্যা থেকে শুরু করে বাজারজাত প্রক্রিয়া পর্যন্ত সহযোগিতা করি।
পাইকগাছা উপজেলা কৃষি অফিসার এ,এইচ,এম, জাহাঙ্গীর আলম জানান, এখানকার পানের মান ভালো হওয়ায় বেশির ভাগ ঢাকায় সরবরাহ করা হয়। কাঠা প্রতি ১৮০ পন পান উৎপাদিত হলে যা প্রায় ১৮ হাজার টাকায় বিক্রয় হয়। অন্যান্য যেকোন বছরের চেয়ে এবছর পানের পাইকারী দাম বেশি হওয়ায় পান চাষিরা অধিক লাভবান হবেন।
##