পাইকগাছায় ৭ স্থানে ওয়াপদার বাঁধ ভেঙ্গন,বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত


77 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছায় ৭ স্থানে ওয়াপদার বাঁধ ভেঙ্গন,বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত
আগস্ট ২১, ২০২০ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,এম, আলাউদ্দিন সোহাগ, পাইকগাছা (খুলনা) ॥
খুলনার পাইকগাছায় গত ২ দিনে আমাবশ্যার প্রবল জোয়ারের পানির চাপে ৪টি ইউনিয়নের ৭টি স্থানে ওয়াপদার বাঁধ ভেঙ্গে ও উপচে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। যাতে মৎস্য ঘের, ফসলের ক্ষেত ও বাড়ী-ঘর ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পাউবো’র উদ্যোগে সাময়িকভাবে বাঁধ মেরামত করা হলেও বেতবুনিয়ার আবাসন প্রকল্পের ৫শতাধিক পরিবার পানির মধ্যে বসবাস করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নে বেতবুনিয়া আবাসন ও গুচ্ছগ্রাম পানিতে থৈ থৈ করছে। একই ইউনিয়নের টেংরামারী ও ভাঙ্গা হাড়িয়ার ওয়াপদার বাঁধ ভেঙ্গে বুধবার ৫ হাজার বিঘা চিংড়ি ঘের প্লাবিত হয়ে ফসল ও মাছের ব্যাপক ক্ষতি হয়। যা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রশাসনের উদ্যোগে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সহ¯্রাধিক লোক ভাঙ্গনরোধ করলেও বৃহস্পতিবার দুপুরে কিছু অংশ ভেঙ্গে যায়। যা বিকেলে ভাটার সময় স্থানীয় চেয়ারম্যান এস,এম, এনামুল হক ৪শতাধিক লোক নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে বাঁধটি মেরামত করে। এ সময় শতাধিক লোক টেংরামারী পুরাতন গেট সংলগ্ন ওয়াপদার ভাঙ্গনও মেরামত করে। অপরদিকে, দেলুটি ইউনিয়নের চকরি-বকরি বদ্ধ জলমহল ও গেওয়াবুনিয়ার ওয়াপদার বাঁধ উপচিয়ে জোয়ারের পানি এলাকায় প্রবেশ করে। যাতে এলাকায় ব্যাপক মাছ ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি  হয়েছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রিপন মন্ডল বলেন, দ্বীপ বেষ্টিত দেলুটি সব সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার। বুধবার গদাইপুরের কচুবুনিয়া ও লতার কাঠামারীর ওয়াপদার রাস্তা জোয়ারের পানি উপচে শ’শ’ বিঘার চিংড়ি ঘের প্লাবিত হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বাঁধ দিয়ে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। এসও ফরিদ উদ্দীন বলেন, টেকসহি বাঁধ না দিলে এসব উপকূলীয় অঞ্চল ঝুঁকির মধ্যে থাকবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

#

পাইকগাছায় ৩৬ ঘণ্টা পর নিখোঁজ অহেদ আলীর লাশ উদ্ধার

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
অবশেষে ৩৬ ঘণ্টা পর নদীতে ডুবে যাওয়া নিখোঁজ অহেদ আলীর লাশ শিবসা নদীর বগুড়ারচক চরের কাটাবন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় বগুড়ারচক চিংড়ি ঘেরের লোকজন লাশটি দেখে অহেদ বাড়ীর লোকজন সংবাদ দিলে তার স্বজন লাশটি উদ্ধার করে। বেলা ১১টায় জানাযা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। সে পুরাইকাটি গ্রামের হাতেম দফাদারের ছেলে। মৃত্যুকালে সে স্ত্রী, কন্যা ও পুত্র রেখে গেছেন। গত মঙ্গলবার দিনমুজুরীর কাজ শেষে বেলা ৪টার দিকে কপোতাক্ষ আলোকদ্বীপ খেয়া পার হওয়ার সময় নৌকা ডুবিতে সে হারিয়ে।