পাইকগাছা সংবাদ ॥ ইউএনও’র সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের মত বিনিময়


502 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছা সংবাদ ॥ ইউএনও’র সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের মত বিনিময়
অক্টোবর ৫, ২০১৫ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

05.10.15.
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥ পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ কবির উদ্দিনের সাথে মতবিনিময় করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা।

আগামী  ৯ অক্টোবর ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের জন্য ঢাকা মহানগরে বাস প্রবেশের লক্ষে সোমবার সকালে ইউএনও’র সাথে মতবিনিময় করে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা সুপারিশ দাবি করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স ম বাবর আলী, শিক্ষার্থী মুজাহিদ, সাগির, বাপ্পি, জুবায়ের, মৌসুমী আক্তার, মুন্নি, নিপা ও ফয়সাল।
##
পাইকগাছায় ভালবেসে বিয়ে করে বিপাকে যুবক-যুবতী
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥ পাইকগাছায় ভালবেসে বিয়ে করে বিপাকে পড়েছেন বাক্কার ও সেলিনা নামের যুবক-যুবতী। বিয়ের ৩ মাসপর এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সেলিনাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে বাক্কারের পরিবার। পুলিশ ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে আদালতে পাঠিয়েছে ভিকটিমকে। প্রাপ্ত অভিযোগে জানাগেছে উপজেলার রাড়–লী গ্রামের আরশাদ আলী মোড়লের বড় মেয়ে শাহিনা বেগমের সাথে বিয়ে হয় ধলাই গ্রামের  জিন্নাত আলী গাজীর  মেজো ছেলে মাহাবুব আলমের। আত্মীয়তার এ সুত্র ধরে মাহাবুবের ছোট ভাই বাক্কার গাজীর সাথে প্রেমে জড়িয়ে পড়ে শাহিনার ছোট বোন সেলিনা। বিষয়টি জানতে পেরে সেলিনার পিতা-মাতা তাকে একই এলাকার আরশাদ সানার ছেলে মিজানের সাথে পত্র করে। পত্র করা ছেলে মনোনিত না হওয়ায় গত ৬ জুলাই বাড়ী থেকে পালিয়ে গিয়ে বাক্কার গাজীর সাথে বিয়ে করে সেলিনা। পরে বাক্কারের পরিবার সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে সেলিনাকে তার পিতা-মাতার কাছে ফেরত দিতে চাইলে সে যেতে রাজি না হওয়ায় ফেরত নিতে ব্যার্থ হয় তার পিতা-মাতা। পরবর্তীতে নব-দম্পত্তি সাংসারিক কাজে মননিবেশ করলেও সেলিনার মাতা সালমা বেগম বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বাক্কার গাজী সহ ৩ জনকে আসামি করে মামলা করলে মামলাটি গত ২৫ আগষ্ট পাইকগাছা থানায় এজাহার হিসাবে গণ্য হয়। পুলিশ ইতোমধ্যে বাক্কারের মাতা জরিনা বেগমকে আটক করলে মামলার হয়রানী থেকে রক্ষা পেতে গত রোববার বাক্কারের পরিবার সেলিনাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ ব্যাপারে সেলিনার বড় বোন শাহিনা জানান, বর্তমান এ পরিস্থিতির জন্য আমার পিতা-মাতাই দায়ি। বিশেষ করে মা সালমা বেগম সেলিনাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যেখানে বিয়ে দেয় সেখানে নির্যাতন সইতে না পেরে দেবর বাক্কারের সাথে বিয়ে করতে বাধ্য হয়। আমাদের দু’বোনের সুখের সংসার বিনষ্ট করতেই এ হয়রানি মূলক মামলা করা হয়েছে এবং এতে সেলিনা ও বাক্কারের কোন দোষ নেই বলে শাহিনা জানান। প্রেম করে বিয়ে করার বিষয়টি সেলিনা স্বীকার করেছে বলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবু সাঈদ জানান। সোমবার ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে ভিকটিমকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে ওসি আশরাফ হোসেন জানান। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আবু বক্কারের পরিবার।
##

পাইকগাছায় অবৈধ স্থাপনা অপসারণ কার্যক্রম ও গণসৌচাগারের জায়গা পরিদর্শন
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥ পাইকগাছা পৌর সদরের বাসষ্টান্ড সংলগ্ন জিরো পয়েন্ট এলাকার অবৈধ স্থাপনা অপসারণ কার্যক্রম ও গণসৌচাগার নির্মাণের জায়গা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স ম বাবর আলী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ কবির উদ্দিন ও পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর। নেতৃবৃন্দ সোমবার সকালে এলাকা পরিদর্শন করে যাত্রী সাধারণের জন্য জনবহুল জিরো পয়েন্ট এলাকায় একটি গণসৌচাগার নির্মাণের জন্য জায়গা নির্ধারণ ও অবৈধ স্থাপনা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাস মালিক সমিতির জাহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক আজিজুর রহমান, আলতাফ হোসেন, আজিবর রহমান ও সার্ভেয়ার জাহাঙ্গীর আলম।
##

পাইকগাছা বনানী সংঘের ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥ পাইকগাছা বনানী সংঘের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় বনানী সংঘ কার্যালয়ে সংঘের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স ম বাবর আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক জিএম আজহারুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, নাথ বিষ্ণপদ, এ্যাডঃ মোজাফফার হাসান, আবু জাফর, জি এ রশিদ, সুনীল কুমার মন্ডল, মাষ্টার ইমান আলী, আব্দুল খালেক, শিক্ষক রণজিৎ সরকার, দীলিপ কুমার, শেখ শহিদুল ইসলাম বাবলু, মনোহার চন্দ্র সানা ও কাউন্সিলর শেখ মাহাবুবুর রহমান রঞ্জু।