পাইকগাছা সংবাদ ॥ এক শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল ও গৃহিত অর্থ ফেরতের সুপারিশ


354 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছা সংবাদ ॥ এক শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল ও গৃহিত অর্থ ফেরতের সুপারিশ
মে ১০, ২০১৮ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,এম, আলাউদ্দিন সোহাগ ::
জাল সনদপত্র দিয়ে চাকরি করায় খুলনার পাইকগাছায় এক শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল ও এ পর্যন্ত গৃহিত যাবতীয় বেতন ভাতা ফেরতের সুপারিশ করেছেন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের অডিট কর্মকর্তা মোঃ ফরিদ উদ্দীন।

জানা যায়, উপজেলার শহীদ জিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক শংকর প্রসাদ মুনি জাল সনদপত্র দিয়ে চাকরি করছেন। যা ৩০ মার্চ ২০১৬ তারিখের অডিট কর্মকর্তার ডিআইএ/খুলনা/৪৪০এস নং স্মারকে দেখা যায়। শংকর প্রসাদ মুনি ১ জুলাই ২০০২ তারিখে চাকরিতে যোগদান করেন। সে থেকে সরকারি বেতনভাতা উত্তোলন করে আসছেন। যাতে উক্ত তারিখ পর্যন্ত তিনি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার ১৩টাকা উত্তোলন করেন। অডিট কর্মকর্তার রিপোর্টে সনদপত্রটি জাল সন্দেহ হলে তিনি জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, বগুড়াতে যাচাইয়ের জন্য প্রেরণ করেন। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান যাচাই-বাছাই করে উক্ত নামে ১৩৪০৫ নং সনদপত্র প্রদান করেন নাই বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ৭ অক্টোবর’১৭ এর ৫৭.২১.০০০০.০০৭.৩৬. ০০১.১৭-১১৩৩ নং স্মারকে পরিচালক, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রেরিত পত্রে দেখা যায়। এদিকে, ৩০ মার্চ ২০১৬ পর্যন্ত গৃহিত অর্থ ফেরত ও নিয়োগ বাতিলের সুপারিশ করা হলেও এরপরও তিনি আরো ২ বছর ধরে বেতন ভাতা সহ যাবতীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করে চলেছেন। এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি শেখ রফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জাল সনদপত্র দিয়ে চাকরির সুবাদে বেতন ভাতা সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করা চরম অপরাধ। এর কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। শিক্ষক শংকর প্রসাদ মুনি জানান, তার কাগজপত্র সবই সঠিক। পুনরায় তদন্ত করার জন্য প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) বরাবর দরখাস্ত দিয়েছি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জয়নাল আবদীন জানান, বিষয়টি অবগত হয়েছি। যেহেতু মন্ত্রণালয়ের বিষয় সে কারণে আমার বা আমাদের কিছু করার নেই।
##

পাইকগাছায় অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে দু’শিক্ষক বরখাস্ত
এস,এম, আলাউদ্দিন সোহাগ ::
খুলনার পাইকগাছায় অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে দু’শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সাথে সভায় ৩ সদস্যের কমিটিকে তদন্তপূর্বক ২ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমাদানের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে।

জানা যায়, রোববার রাতে হাবিবনগর মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক আজিজুর রহমান ও একই মাদরাসার জনৈকা শিক্ষিকার ভাড়াটে বাড়িতে যায়। কপিলমুনি ইউপির সাবেক সদস্য হারুনার রশিদের বাড়িতে ক্লবসিবল গেটে তালা দেওয়ায় উক্ত শিক্ষক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। সোমবার সকালে ঘরের ভিতর কেউ আছে এমন সন্দেহ পোষণ করে বাড়ির মালিকের স্ত্রী সকালে বাড়ির গেটে আবারো তালা লাগিয়ে দেয়। গৃহকর্তা বাড়িতে আসলে গৃহিনী বিষয়টি তাকে ও স্থানীয়দের জানায়। গৃহকর্তা কাউকে না জানিয়ে চুপিসারে তালা খুলে দিয়ে তাদের চলে যেতে বলে এবং অন্যত্র বাসা ভাড়া করে থাকার জন্য জানিয়ে দেন বলে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান। মাদরাসার অভিভাবক ও স্থানীয়দের চাপে ম্যানেজিং কমিটি মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জরুরী সভা আহবান করে। সভায় উপস্থিত সকল সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি দু’শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেন। একই সাথে মাদরাসার সহ-সভাপতি আব্দুল জব্বারকে আহবায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠণ করা হয়। এ ব্যাপারে আব্দুল আজিজের কাছে জানতে চাইলে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান। মাদরাসার অধ্যক্ষ সাইফুল্লাহ জানান, ঘটনা একটি ঘটেছে। যে কারণে জরুরী সভার মাধ্যমে দু’জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পেলেই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

##