পাইকগাছা সংবাদ ॥ নকল সরবরাহের প্রস্তুতি কালে দুই শিক্ষক আটক


397 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছা সংবাদ ॥ নকল সরবরাহের প্রস্তুতি কালে দুই শিক্ষক আটক
ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৬ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

 

পাইকগাছায় চলতি এসএসসি পরীক্ষায় নকল সরবরাহের প্রস্তুতি কালে পুলিশ দুই শিক্ষককে আটক করেছে। আটককৃতরা থানা হেফাজতে রয়েছে। থানা পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, রোববার সকাল ১১টার দিকে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পৌর সদরের পাইকগাছা সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রের পার্শ্ববর্তী একটি বাড়ীতে বসে ৪/৫ জন শিক্ষক ইংরেজী প্রশ্ন পত্রের নকল সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ কবির উদ্দীন বিষয়টি খতিয়ে দেখতে থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন। পরে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে লস্কর আলিম মাদ্রাসার আরবি শিক্ষক আজগর হোসেন ও একই মাদ্রাসার কম্পিউটার শিক্ষক অমর মন্ডলকে আটক করে। এসময় অন্যান্য শিক্ষকরা পালিয়ে যায় বলে থানা পুলিশ জানিয়েছে।
###

পাইকগাছায় শহীদ গফুর প্রাইমারী স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল

পাইকগাছায় শহীদ গফুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গুলশাহানারা বেগমের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের তদন্ত শেষে অবৈধ কার্যকলাপের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। এদিকে শাস্তির সুপারিশ জানিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করায় বেসামাল হয়ে পড়েছেন শিক্ষক গুলশাহানারা। তিনি নিজের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড ভিন্নখাতে প্রভাহিত করতে তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত অভিযোগে জানাগেছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গুলশাহানারা বেগম ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে গাইড বই বাবদ ৪শ টাকা, ছাড়পত্র বাবদ ৩শ টাকা, ভর্তি ফি বাবদ ১শ টাকা, সিলেবাস বাবদ ১০ টাকা, ফেল করা ছাত্র/ছাত্রীদের মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে টিসি দিয়ে অন্যত্র ভর্তি করা সহ বিদ্যালয়ের নতুন পুরাতন ও গাইড বই বিক্রিকরা সহ নানা অনিয়ম করে আসছেন। তিনি ইমন হোসেন নামে ৪র্থ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর নিকট থেকে ভর্তি ফি বাবদ ১শ টাকা ও গাইড বই বাবদ ৩শ টাকা দাবী করলে শিক্ষার্থীর অভিভাবক ইয়াসমিন বেগম গত ১২ জানুয়ারী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসার নরেন্দ্র নাথ মৈত্র, সহকারী শিক্ষা অফিসার তপন কুমার কর্মকার, মিজানুর রহমান ও জ্যোতি শংকর রায়কে সাথে নিয়ে ২১ জানুয়ারী সরেজমিন তদন্তে যান। তদন্তে কর্মরত শিক্ষক সহ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের লিখিত স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে প্রাথমিক ভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা উশিঅ/পাইক-২০১৬/৯৯ নং স্মারকে গত ৩ ফেব্রুয়ারী শিক্ষক গুলশাহানারা বেগমের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ জানিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এ ঘটনায় চুড়ান্ত তদন্তে জেলা শিক্ষা অফিসার আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সরেজমিন আসবেন বলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার নরেন্দ্র নাথ মৈত্র জানান। এদিকে জেলা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তদন্তে আসার আগেই বেসামাল হয়ে পড়েছেন শিক্ষক গুলশাহানারা বেগম। তদন্ত প্রতিবেদন মিথ্যা প্রমাণিত করতে তিনি তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে ভর্তির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হওয়ায় শিক্ষার্থীর অভিভাবক অন্যের প্ররচনায় উদ্ধুদ্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে শিক্ষা অফিসার বরাবর মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন বলে শিক্ষক গুলশাহানারা বেগম লিখিত জবাব দিয়েছেন।
###

পাইকগাছায় অবরুদ্ধ থেকে প্রতিকার চেয়ে আ’লীগ নেতার সংবাদ সম্মেলন

পাইকগাছায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও তার পুত্র বাড়ীর চারিপাশে সিমানা প্রাচীর নির্মাণ করে অবরুদ্ধ করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছেন আ’লীগ নেতা আব্দুল আজিজ গোলদার। তিনি অবরুদ্ধ থেকে প্রতিকার চেয়ে রোববার পাইকগাছা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন আমি ১৯৬৬ সাল থেকে (বর্তমান পৌরসভার) ৪নং ওয়ার্ডের আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি সরল মৌজায় এসএ ৫৫ নং খতিয়ানে ৫২৮৫নং কোবলা দলিল মূলে মৃত হরিপদ রজকের ছেলে মুকন্দ রজকের কাছ থেকে .৭২৬০ একর জমি খরিদ করি। যা থেকে কিছু জমি হস্তান্তর করি। বিক্রয়কৃত জমি স্ব স্ব ক্রেতাদের নামে রেকর্ড হয়। অবশিষ্ট .১৯৭৫ একর জমি আমার নামে রেকর্ড হয়। যার ডিপি নং ১৯৪ এবং .০১ একর জমি আমার চাচীর নামে রেকর্ড হয় যার ডিপি নং ৯০৯। উক্ত জমিতে ১৯৮৫ সাল থেকে বিক্রয়কৃত ক্রেতাগণ আমি ও আমার পরিবার বাড়ী-ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছি। এমতাবস্থায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের ছেলে গত ৪/১১/১৫ তারিখ ৩৪৬৬ নং পাওয়ার অফ এ্যার্টনী দলিল মূলে এসএ ৫৭ নং খতিয়ানে .৫০ একর জমি গ্রহণ করেন। যা (খ) তফসিল ভূক্ত অর্পিত সম্পত্তি। পাওয়ার অফ এ্যার্টনী নেওয়ার পর এমপি’র ছেলে ও তার লোকজন আমাদের বসতবাড়ী ভাংচুর করে আমার বসত ঘরের চারিপাশে সিমানা প্রাচীর নির্মাণ করায় আমি ও আমার পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছি। তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অবরুদ্ধ থেকে প্রতিকার চান।
###