পাইকগাছা সংবাদ ॥ নাশকতার অভিযোগে ইউপি সদস্য আটক


439 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছা সংবাদ ॥ নাশকতার অভিযোগে ইউপি সদস্য আটক
আগস্ট ৩১, ২০১৫ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,এম, আলাউদ্দিন সোহাগ,পাইকগাছা :
খুলনার পাইকগাছায় নাশকতার অভিযোগে ইউপি সদস্য এবাদুল হককে আটক করা হয়েছে। আটক ইউপি সদস্য উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের দেবদুয়ার গ্রামের মৃত শেখ গোলাম রসুলের ছেলে। সোমবার সকালে থানার এস.আই কাজী মাসুম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে কে.ডি. সাহাপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকা থেকে এবাদুলকে আটক করে। নাশকতার অভিযোগে ইউপি সদস্যকে আটক করা হয়েছে বলে ওসি আশরাফ হোসেন জানান।
##
সরকারী ক্রয় নীতিমালা বিষয়ক দু’দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা প্রতিনিধি :
পাইকগাছায় সরকারী ক্রয় নীতিমালা বিষয়ক দু’দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে হরিঢালী ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আবু জাফর সিদ্দিকী রাজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন পরিষদবর্গ, ক্রয়ের সাথে জড়িত ব্যক্তি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, প্লাটফর্ম সদস্য ও স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ। সুশীলন শরিক প্রকল্পের মাঠ সহায়ক কর্মকর্তা লিজা মন্ডল,  আব্দুস সাত্তার ও আহমেদ শরীফের পরিচালনায় সার্বিক তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন সচিব তপন বাইন। এই সময় বক্তব্য রাখেন, শরিক প্রকল্পের টিম লিডার শিপক চন্দ্র দে।
##
দেলুটি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ
পাইকগাছা প্রতিনিধি :
পাইকগাছার দেলুটি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এনামুল কবিরের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। পাইকগাছা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের আইনজীবি এ্যাডঃ এফ.এম.এ রাজ্জাকের প্রদান করা নোটিশে জানা গেছে, ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা এনামুল কবির দেলুটি ভূমি অফিসে যোগদানের পর হতে বিভিন্ন  অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন। টাকা ছাড়া তিনি কোন কাজ করেন না বলে তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
প্রাপ্ত অভিযোগ মতে, উপজেলার বারুইডাঙ্গা গ্রামের দবিরউদ্দীন সরদার ও তার দু’মেয়ে শহর বাবু ও নাজমা খাতুনের তেতুলতলা মৌজায় এস,এ ১/৪ খতিয়ানভূক্ত এস,এ ১০৯ ও ২৭৭ দাগে ৩.৩৩ একর জমির মধ্যে ০.৬৬ একর জমি খরিদ করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোগবান দখলীকার আছেন। সে অনুযায়ী চলমান জরিপে বি.আর.এস ১৭৭ নং খতিয়ানে ১৫৭ দাগে ০.৬৬ একর জমি রেকর্ড হয়ে চুড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে। এদিকে দবির গংদের টাকার বিশেষ প্রয়োজন হওয়ায় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির প্রয়োজন পড়ে। এ জন্য ২৪/০৫/২০১৫ ইং তারিখ সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর নামপত্তনের জন্য আবেদন করে। যার কেস নং- ১৯১৭/১৪-১৫। কেস করার পর তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে এনামুল কবির দবির গংদের সাথে তালবাহানা করতে থাকে। এক পর্যায়ে তাদের কাছে ১০ হাজার ঘুষ দাবী করলে প্রয়োজনের তাগিদে ভুক্তভোগীরা এনামুল কবিরকে নগদ ৫ হাজার টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে আরও দাবীকৃত ৫ হাজার টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে কাগজপত্র দেখাতে পারেননি মর্মে প্রতিবেদন পেশ করেন। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ভূক্তভোগীদের পক্ষে আইনজীবী এফ.এম.এ রাজ্জাক প্রদানকৃত অর্থ ফেরত চেয়ে সংশ্লিষ্ঠ ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেছেন। এ ব্যাপারে লিগ্যাল নোটিশে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয় বলে এনামুল কবির জানান।