পাইকগাছা সংবাদ ॥ বিল্ডিং ধ্বসে মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু


124 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছা সংবাদ ॥ বিল্ডিং ধ্বসে মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু
সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় বিল্ডিং এর সানসেডের আঘাতে ৪র্থ শ্রেনীর মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র ইলিয়াস হোসেন (৯) নামে এক শিশুর করুন মৃত্যু হয়েছে। সে উপজেলার হিতামপুর গ্রামের অহিদুল শেখের ছেলে ও রাড়ুলী দাখিল মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্র। তার পিতা বাক ও মা মানসিক প্রতিবন্ধি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সে তার তিন বন্ধু কে নিয়ে খেলা করছিল। নিহত ইলিয়াসের চাচা তার আকছেদুল শেখ তার পাকা ঘর ভেঙ্গে ফেলছে। কিন্তু সম্পুর্ণ বিল্ডিং অপসারন না হওয়ায় তার সানসেড ঝুলানো অবস্থায় ছিল। হঠাৎ সানসেড তার মাথার উপর ভেঙ্গে পড়লে ঘটনা স্থলে ইলিয়াসের মৃত্যু হয়। ওসি এমদাদুল হক শেখ জানিয়েছেন, রাতেই লাশটি সুরত হাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

#

পাইকগাছার কৃতিম পা পেয়ে স্বাভাবিক জীবনে জাফর
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
সড়ক দুর্ঘটনায় পা হারানো পাইকগাছার জাফর মোড়ল (২২) প্লাস্টিকের কৃতিম পা পেয়ে স্বাভাবিক চলাচল শুরু করেছে। সে পাইকগাছা উপজেলার বিরাশী গ্রামের আনসার মোড়লের ছেলে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ইটের ভাটায় যাওয়ার সময় যশোরের লোহাগড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় তার একটি পা পিকআপের চাকায় পিষ্ট হয়ে যায়। হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার সময় কর্তব্যরত ডাক্তার তার ডান পা সম্পূর্ণ কেটে ফেলে। পঙ্গু অবস্থায় ভিক্ষাবৃত্তি শুরু করে। আগস্ট মাসে জাফর লস্কর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে,এম, আরিফুজ্জামান তুহিনের কাছে ভিক্ষা চাইতে গেলে তিনি তার কাছে বিস্তারিত জানতে চান। এ সময় সে বলে সংসার চালাতে ভিক্ষাবৃতি ছাড়া তার বিকল্প কোন পথ নেই। সব কিছু জানার পর চেয়ারম্যান কে,এম, আরিফুজ্জামান তুহিন তার একটি কৃতিম পা সংযোজনের সিদ্ধান্ত নিয়ে আবারো মানবেতর পরিচয় দেন। চলতি মাসের প্রথম দিকে জাফরকে নিয়ে চেয়ারম্যান সাতক্ষীরার নলতা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে প্রায় অর্ধলাখ টাকা ব্যয় করে প্লাস্টিকের একটি কৃতিম পা তৈরী করে তাকে লাগিয়ে দেয়। চেয়ারম্যান তুহিন বিগত দিনে উপজেলায় প্রায় ৫০জন প্রতিবন্ধীকে চলাচলের জন্য হুইল চেয়ারম্যান প্রদান করেন। সর্বশেষ মঙ্গলবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে তার পিতা-মাতা ও সন্তানের সামনে কৃতিম পা হস্তান্তর করা হয়।