পাইকগাছা সংবাদ ॥ শিশু হত্যার বিচারের দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশ


291 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছা সংবাদ ॥ শিশু হত্যার বিচারের দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশ
ডিসেম্বর ১৮, ২০১৫ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস, এম, আলাউদ্দিন সোহাগ, পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় চাঞ্চল্যকর শিশু হত্যার বিচারের দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহষ্পতিবার বিকেলে অন্যায় প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে দেলুটির হরিণখোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কমিটির আহবায়ক শিশির সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সাধারণ সম্পাদক কমরেড এস,এ রশীদ। বক্তব্য রাখেন, বটিয়াঘাটা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, কমরেড নিতাই গাইন, দেলুটি ইউপি চেয়ারম্যান সমর কান্তি হালদার, এ্যাডঃ পিযুষ কান্তি সরকার, শিক্ষক সুকৃতি মোহন সরকার, সিপিবির উপজেলা সভাপতি কমরেড শেখ আব্দুল হান্নান, সম্পাদক সুভাষ সানা মহিম, রামপদ মন্ডল, বিমল সরকার, দুলাল দেবনাথ, অচিন্ত মন্ডল, বিপ্লব মন্ডল ভোলা, ইউপি সদস্য চঞ্চলা রায়, রাজু রানা মন্ডল, রেবতি মন্ডল, ইব্রাহিম গাজী, নিহত আশরাফুলের বাবা আহাদুল শিকারী ও নিহত রানার নানা মোকছেদ শিকারী ও সুবোধ রায়। উল্লেখ্য পারিবারিক বিরোধের জেরধরে গত ২৮ নভেম্বর হরিণখোলা গ্রামের মফিজুল শিকারীর রান্না ঘরের মিডসেফ থেকে আহাদুল শিকারীর একমাত্র শিশুপুত্র আশরাফুলের মৃত দেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত ১২ নভেম্বর একই ব্যক্তিদের পুকুরথেকে ৬ বছরের শিশু রানার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি হত্যামামলা হয়। এব্যাপারে ওসি (তদন্ত) আলমগীর কবির জানান, মামলা দুটি বর্তমানে সিআইডি’তে রয়েছে। এ মামলায় মফিজুল ও স্ত্রী রহিমা সহ আটক ৪জন জেলহাজতে রয়েছে।
##
পাইকগাছায় কতিপয় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সহকারী শিক্ষক সমিতির কমিটির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার অভিযোগ
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় কতিপয় শিক্ষক উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কমিটির পরাজিত কতিপয় শিক্ষকরা কিছু কিছু প্রধান শিক্ষকদের ইন্ধনে সমিতিকে দিধা বিভক্ত করতে পাল্টা কমিটি গঠনের পায়তারা করছে বলে নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দরা অভিযোগ করেছেন। প্রাপ্ত সূত্রে জানাগেছে সহকারী শিক্ষকদের ১১ দফা দাবী সম্বলিত অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে নাসরিন সুলতানার নেতৃত্বাধীন এস- ১২০৬৮নং রেজিঃ সমিতির শাখা হিসাবে ২০১৪ সালে সহকারী শিক্ষক প্রসেনজিৎ সরকারকে আহবায়ক ও এসকে আসাদুল্লাহ মিঠুকে সদস্য সচিব করে উপজেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির যাত্রা শুরু হয়। কমিটির পক্ষথেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে মানববন্ধন ও স্বারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে আসছে। সম্প্রতি গত ২৭ নভেম্বর টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে কেন্দ্রীয়, জেলা নেতৃবৃন্দ ও অধিকাংশ সহকারী শিক্ষকদের উপস্থিতিতে ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে শিক্ষক বিএম আখতার হোসেনকে সভাপতি ও এসকে আসাদুল্লাহ মিঠুকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। উল্লেখ্য সভাপতি পদে দু’প্রাথীর মধ্যে ভোটের মাধ্যমে শিক্ষক জিএম মিজানুর রহমান পরাজিত হন। গঠিত কমিটির পক্ষথেকে গত বুধবার স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পন করার মাধ্যমে মহান বিজয় দিবস পালন করা হয়। এদিকে অভিযোগ উঠেছে, নবনির্বাচিত কমিটির পরাজিত কতিপয় শিক্ষকরা পদ বঞ্চিত হয়ে নবগঠিত কমিটির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে বিভিন্ন পায়তারা চালাচ্ছে। কিছু কিছু প্রধান শিক্ষকদের  ইন্ধনে পাল্টা কমিটি গঠনের প্রচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এরই অংশ হিসাবে শুক্রবার সকালে শহীদ গফুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দক্ষিণ হরিঢালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) প্রসেনজিৎ সরকারের আহবানে সহকারী শিক্ষক সমাজের ব্যানারে এক সভা আহবান করা হয়। সভায় উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে প্রশিক্ষণরত প্রধান শিক্ষকদের উপস্থিতি প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। এ ব্যাপারে সভায় উপস্থিত উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ রায় জানান, সভায় দাওয়াতের অংশ হিসাবে প্রশিক্ষণের মধ্যাহ্ন বিরতি চলাকালিন সময়ে সভায় উপস্থিত হই। নোয়াকাটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান, কোন সংগঠনের পক্ষনিয়ে সভায় আসা হয়নি, শুধু মাত্র দাওয়াত রক্ষা করতে সভায় উপস্থিত হয়েছি। নব গঠিত কমিটির পরাজিত সভাপতি প্রার্থী জিএম মিজানুর রহমান জানান, সহকারী শিক্ষদের নিয়ে কমিটি গঠনের লক্ষে শুক্রবার শহীদ গফুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একসভা আহবান করা হয়। সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি বিএম আখতার হোসেন জানান, জেলা ও উপজেলায় আমাদের সংগঠন ছাড়া সহকারী শিক্ষকদের আরকোন সংগঠন নাই। আমাদের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের পর পরাজিত কতিপয় শিক্ষক কিছু কিছু প্রধান শিক্ষকদের ইন্ধনে সংগঠনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। ইতোমধ্যে পত্রিকায় বিবৃতি প্রদান সহ বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থেকে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে। যাহা সম্পূর্ণ সংগঠনের গঠন তন্ত্র পরিপন্থি। যারা এ ধরণের কাজে লিপ্ত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং শিক্ষকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে নব নির্বাচিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক এসকে আসাদুল্লাহ মিঠু জানান।
##
পাইকগাছায় ২ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩ প্রার্থীর লড়াই
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
আসন্ন পাইকগাছা পৌরসভা নির্বাচনে ২ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন ৩ প্রার্থী। প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীদের পোষ্টারে পোষ্টারে ছেয়ে গেছে নির্বাচনী এলাকা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পৌষের শীত উপেক্ষা করে প্রার্থীরা ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করছেন। উল্লেখ্য সাধারণ এ আসনে ৪ প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করলে প্রত্যাহারের শেষ দিন প্রার্থী লুৎফর রহমান প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেয়ায় বর্তমানে তরুণ ও প্রবীন মিলে ৩ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতা করছেন। উটপাখি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন অহেদ আলী গাজী। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি আওয়ামীলীগে যোগদান করেছেন। এর আগে তিনি জাতীয় পার্টি করতেন। পানির বোতল প্রতীকনিয়ে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন হাতেম আলী সরদার। ইতোমধ্যে বিএনপি’র প্রার্থী হিসাবে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় হাতেম আলীর নাম এসেছে। পাঞ্জাবী প্রতীকনিয়ে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন প্রার্থী আক্তার গোলদার। এর আগে তিনি জাতীয় পার্টি করতেন, পরবর্তীতে তিনি আওয়ামীলীগে যোগদেন। দাশপাড়া, গোলদার পাড়া, সানাপাড়া সহ সরল ও গোপালপুরের আংশিক নিয়ে ২ নং ওয়ার্ড গঠিত। দক্ষিণ গোপালপুর নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ওয়ার্ডের মোট ভোটর সংখ্যা ৮৬২ জন। নির্বাচনে ৩ প্রার্থীর মধ্যে সামাজিক অবস্থান হিসাবে অহেদ আলী গাজী অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন বলে সাধারণ ভোটাররা জানিয়েছেন।