পাইকগাছা সংবাদ ॥ সোলাদানায় আ’লীগের চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশী শিবুপ্রসাদের শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময়


490 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছা সংবাদ ॥ সোলাদানায় আ’লীগের চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশী শিবুপ্রসাদের শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময়
জানুয়ারি ২৮, ২০১৬ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

পাইকগাছা (খুলন) প্রতিনিধি ॥
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সোলাদানায় আ’লীগের সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী থানা আওয়ামী মৎস্যজীবীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও ইউনিয়ন কৃষকলীগ সদস্য সচিব এ্যাডঃ শিবুপ্রসাদ সরকার ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে দোয়া ও আশির্বাদ কামনা করেছেন। তিনি বুধবার দিনভোর নিজ গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আমুরকাটা রংধনু মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এসএমএ মাজেদ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সোলাদানা ও চারবান্ধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথক পৃথকভাবে মতবিনিময় করে। এ সময় ইউনিয়ন কৃষকলীগের আহবায়ক সুভাষ চন্দ্র রায় ও আ’লীগনেতা পরিতোষ মন্ডলসহ সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়দেব কুমার সানা, রমেন্দ্রনাথ মন্ডল, মোতাহার হোসেন, সহকারী প্রধান শিক্ষক সমরেশ ঢালী, ধীরেন্দ্র, কিশোর মন্ডল, নির্মল বৈরাগী, প্রফুল্ল সানা, পরিমল মন্ডল, অপূর্ব রায়, আবুল গফুর বিশ্বাস, আসীম সানা, লতিকা ঢালী, প্রমিতা ব্যানার্জী, গৌরাঙ্গ ঢালী, জুবায়ের হুসাইন, অমিত সরদার, অনুজ কুমার রায়, বিধান চন্দ্র সরকার, রবীন্দ্রনাথ হালদার, বুলু রাণী মন্ডল, কৃষ্ণা রায়, জয়দেব কুমার হালদার, জগবন্ধু মন্ডল, যুগোল মন্ডল, খগেন্দ্রনাথ মন্ডল, মোহাম্মদ আলী, মুজিবর রহমান, এসনেয়ারা, নিলিমা, ফজলুল হক শেখ, মালবিকা সরকার, ভাগ্যবতি মন্ডল, বিধান চন্দ্র মন্ডল, কমলেশ প্রমুখ।
##
পাইকগাছায় বিপ্লব হত্যা মামলায় আদালতে জবার ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
পাইকগাছা (খুলন) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় বিপ্লব হত্যা মামলায় মূল আসামী জবা খাতুন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। দু’দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার পাইকগাছা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে জবা খাতুন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস,আই বিশ্বজিৎ কুমার জানিয়েছেন, জবানবন্দিতে জবা এ হত্যাকান্ড সম্পর্কে লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, আশাশুনি উপজেলার কচুয়া গ্রামের সুকুমার ঘোষের ছেলে বিপ্লব ঘোষ (৩২) গত বছরের ২ জুলাই নিখোঁজ হয় এবং ৫ জুলাই কপোতাক্ষ নদ থেকে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের মামা বাদী হয়ে থানায় ঐদিন আশাশুনির তেতুলিয়া গ্রামের সুরত আলীর স্ত্রী জবা খাতুনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
##
পাইকগাছায় ৭ মাসে মাদক, জুয়া ও অস্ত্র-গুলি উদ্ধারে পুলিশের সাফল্য
পাইকগাছা (খুলন) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় গত ৭ মাসে থানা পুলিশ মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ব্যাপক সাফল্য দেখিয়েছে। অপরাধ দমন, অস্ত্র, গুলি উদ্ধার, যৌণ হয়রানী প্রতিরোধ, শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আইনে সোপর্দ করলেও এবার জুয়ার অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত এক মহিলার অভিযোগে ওসিকে নাজেহাল করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনা ধীরে ধীরে জানাজানি হওয়ার পর থানা পুলিশিং ফোরাম, বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনসাধারণ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেছেন, পুলিশের চলমান সাফল্যকে ব্যাহত করার জন্য ষড়যন্ত্রকারীরা এ ধরণের কথিত অভিযোগ দিয়ে পুলিশের ভাবমুর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। এলাকাবাসী তদন্ত সাপেক্ষে এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহিৃত করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ঠ কতৃপক্ষের নিকট দাবি জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, ওসি আশরাফ হোসেন থানায় যোগদানের পরথেকে এ পর্যন্ত অস্ত্র, গুলিসহ মাদক ও জুয়া বিরোধী অভিযানে ৩ লাখ টাকা মূল্যের গাঁজা, হিরোইন, ইয়াবা, ফেন্সিডিল উদ্ধার এবং মোবাইল কোটের মাধ্যমে ৮৬ হাজার ৭শ টাকা আদায় হয়েছে। মাদকের ঘটনায় ১১৪ ব্যক্তি আটক হয়েছে। এর মধ্যে ৪৯টি মাদক মামলায় ৭৬ জন ও ১৯টি মোবাইল কোটে ৩৮ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা হয়েছে।এ ছাড়া বন্দুক ৩টি, পিস্তল ২টি, ৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধা হয়েছে। এলাকার সচেতন মানুষ, পুলিশ ফোরাম, জনপ্রতিনিধি, সহকর্মী পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়মিত রুটিন ওয়ার্ক, পারস্পারিক সমন্বয় ও উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাদের চেইন অব কমান্ডের ফলে পুলিশে ব্যাপক সাফল্য এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে। এদিকে উপজেলার হরিঢালী ইউপির নোয়াকাটিস্থ মাদকের অভিযোগে দু’বারের সাজাপ্রাপ্ত ভানু নামে এক মহিলা ওসি আশরাফ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে নাজেহাল করার চেষ্টা করছে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকার সাধারণ মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে নানান প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। উপজেলা পুলিশিং ফোরামের সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গী বলেন, ওসি এ থানায় যোগদানের পর হতে এ পর্যন্ত বিশেষ করে মাদক ও জুয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। এ চলমান প্রক্রিয়া বাঁধাগ্রস্থ করার জন্য মাদকসেবীরা একাট্টা হয়ে এ কথিত অভিযোগ সৃষ্টি করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। চাঁদখালী ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুনছুর আলী গাজী, গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাসসহ অধিকাংশ জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, প্রত্যেকটি ইউনিয়নে মাদক, জুয়া ও যৌণ হয়রানি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ বিষয়ে ওসি আশরাফ হোসেন বলেন, থানায় যোগদানের পর হতে এলাকাবাসী, পুলিশিং ফোরাম, বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও সহকর্মীদের সহযোগিতায় ব্যাপকভাবে জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকায় মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হেনাস্ত করার জন্য এ ধরণের অভিযোগ এনেছে।