পাইকগাছা সংবাদ ॥ সোলাদানা ইউনিয়নের খালিয়ারচক রাস্তাটির বেহাল দশা


383 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছা সংবাদ ॥ সোলাদানা ইউনিয়নের খালিয়ারচক রাস্তাটির বেহাল দশা
জানুয়ারি ১৭, ২০১৬ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,এম, আলাউদ্দিন সোহাগ , পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছার সোলাদানা ইউনিয়নের খালিয়ারচক রাস্তাটির বেহাল দশা। দেখার কেউ নেই। জনদুর্ভোগ চরমে। প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে পথচারীরা। দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
জানা যায়, পাইকগাছা পৌর সদর হতে সোলাদানা ইউনিয়নের বেতবুনিয়া খেয়াঘাট পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার পিচঢালা রাস্তা। উক্ত রাস্তায় প্রতিনিয়ত শতশত নছিমন, করিমনসহ থ্রি-হুইলার মাহেন্দ্র ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যান চলাচল করে থাকে। পাইকগাছা উপজেলার লতা, দেলুটি, গড়ইখালী ইউনিয়নসহ দাকোপ উপজেলার আংশিক লোকজনের একমাত্র অবলম্বন এই রাস্তাটি। যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার লোকজন এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় রাস্তাটির খালিয়ারচক গ্রামের প্রায় ৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে রাস্তার বেহাল অবস্থায় রয়েছে। পীচ ওঠে বড় বড় খানা খন্ডরে রূপ নিয়েছে। ইঞ্জিন চালিত বাহনগুলি প্রায় দূর্ঘটনার কবলে পতিত হয়। আর হাত-পা ভেঙ্গে হাসপাতালে অবস্থান করতে হয় যাত্রীদের। এছাড়া মাঝে-মধ্যে মাছের ট্রাক প্রবেশ করায় রাস্তাটি আরো খারাপের দিকে গিয়েছে। খালিয়ারচক গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শিবপদ মন্ডল জানান, রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে জনসাধারণের চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়বে। মাহিন্দ্র চালক লিটু জানায়, খালিয়ারচকের রাস্তা সংস্কার করা না হলে গাড়ী চালানো বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর এটি হলে প্রায় ৫শ থ্রি-হুইল চালক বেকার হয়ে পড়বে। ৫নং সোলাদানা ইউপি চেয়ারম্যান এস,এম, এনামুল হক জানান,    রাস্তাটি সংস্কারের জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হয়েছে। দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।
###

আাগামী ইউপি নির্বাচনে ভরাডুবির আশংকা তৃণমূল নেতাকর্মীদের
পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠণের এক যুগ ধরে কোন পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছা উপজেলায় দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠণের কমিটি না থাকায় আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে নেতা কর্মীরা হতাশ। পৌর নির্বাচনের মত ভরাডুবির আশংকায় রয়েছে। অঙ্গ সংগঠণগুলো রয়েছে নিস্ক্রীয়। গত নির্বাচনে ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে ৭টি বিএনপির দখলে থাকলেও আগামী নির্বাচন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে তৃণমূল নেতাকর্মীদের। দ্রুত জেলা ও কেন্দ্রীয় বিএনপির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানা যায়, খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার বিএনপির ২০০৪ সালে শহীদ এম,এ গফুর মিলনায়তনে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে এ্যাডঃ জি,এ সবুর সভাপতি ও অধ্যাপক সেখ রুহুল কুদ্দুস সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে দলকে সুসংগঠিত করার জন্য ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠণ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পাইকগাছা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে ৭টিতে বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যানপ্রার্থীরা জয়লাভ করে। কিন্তু দলটিতে তৃণমূল পর্যায়ে কমিটি সস্ক্রীয় না থাকায আগামী নির্বাচন নিয়ে হতাশায় ভুগছে তৃণমূল নেতাকর্মীরা। এমনকি ২০০৯ সালের ২৯ নভেম্বর পাইকগাছা বালির মাঠ নামকস্থানে  একটি সম্মেলন করে ঐ দিনই খুলনা ক্যাসল সালাম হোটেলে জেলা সম্মেলন হয়। সম্মেলন পরে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে অধ্যাপক সেখ রুহুল কুদ্দুসকে বাদ দিয়ে এ্যাডঃ আবু সাঈদকে সম্পাদকের দায়িত্ব দেয় জেলা বিএনপি এবং পূর্ণাঙ্গ কোন কমিটি প্রকাশ করেন নাই। কার্যতঃ বিএনপি দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। মুখ থুবড়ে পড়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের। এছাড়া ছাত্রদলের ৪ বছর পূর্বের আহবায়ক কমিটি থাকায় বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠণের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। যার প্রভাব পড়তে পারে আগামী ইউপি নির্বাচনে। পৌর নির্বাচনের মত ভরাডুবি হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। একাধিক তৃণমূল নেতাকর্মী জানান, গত ইউপি নির্বাচনে আমরা সাংগঠনিকভাবে কাজ করে ১০টি ইউনিয়নের ৭টিতে চেয়ারম্যানসহ প্রায় ৬০টি সদস্য পেয়েছিলাম। কিন্তু বর্তমান দলের নিস্ক্রীয়তার কারণে আগামী ইউপি নির্বাচনে পৌরসভার ন্যায় ইউনিয়নে ভরাডুবির সম্ভাবনা বেশি। এ ছাড়া দীর্ঘদিন বিএনপির প্রাণ সংগঠণ যুবদলের কমিটি না থাকা ও কার্যক্রম না থাকার কারণে আরো বিপর্যয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। তৃণমূল বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠণের নেতাকর্মীরা আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এবং পূর্বের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের জন্য জেলা ও কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাইকগাছা থানা বিএনপির সভাপতি এ্যাডঃ জি,এ সবুর জানান, আগামী নির্বাচনের আগেই দলকে সুসংগঠিত করে পুরোনো ঐতিহ্য ফিরে পাওয়ার আশা করছি।