পাইকগাছা সংবাদ ॥ স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা


1181 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছা সংবাদ ॥ স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা
আগস্ট ১০, ২০১৫ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এসএম আলাউদ্দিন সোহাগ পাইকগাছা :
পাইকগাছায় তীথি অধিকারী (১৪) নামে এক স্কুল ছাত্রী গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। প্রিটেষ্ট পরীক্ষায় ফলাফল খারাপ হওয়ায় আত্মহত্যার কারন হিসাবে এলাকাবাসীরা জানিয়েছে।
জানাগেছে, পৌর সদরের সরল গ্রামের তারক চন্দ্র অধিকারীর দশম শ্রেণী পড়–য়া মেয়ে তীথি অধিকারী ঘটনার দিন রোববার রাতে মায়ের সাথে ঘুমিয়ে পড়ার পর গভীর রাতে ঘর থেকে বেরিয়ে এসে বারান্দার আড়ায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। ভোর রাতের দিকে তাকে শয়ন ঘরে না পেয়ে খোজাখুজির এক পর্যায়ে বারান্দায় ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায় তার মা। সোমবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলে ওসি আশরাফ হোসেন জানান।

স্ত্রীকে গাছে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন; স্বামীকে আদালতে সোপর্দ

পাইকগাছা প্রতিনিধি :
খুলনার পাইকগাছায় গাছে বেঁধে স্ত্রীকে অমানুষিক যৌন নির্যাতনের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ আটক স্বামী ময়নুদ্দীনকে আদালতে পাঠিয়েছে। নির্যাতিতা মাহফুজা বাদি হয়ে রোববার নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে থানায় মামলা করে। এদিকে গুরত্বর আহত মাহফুজার শারিরীক অবস্থা কিছুটা অবনতি হয়েছে বলে জানাগেছে। এ ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিন) এসএম শফিউল্লাহ ও এএসপি সার্কেল (দাকোপ) আব্দুল কাদের বেগ।
জানাগেছে, উপজেলার হরিঢালী গ্রামের আনসার আলী সরদারের ছেলে ময়নুদ্দীন সরদাার (৩৫) এর সাথে গত দেড় মাস পূর্বে বিয়ে হয় ফুলতলা উপজেলার জামিরা গ্রামের সহিলউদ্দিন সরদারের পালিত মেয়ে মাহফুজা বেগম (১৮) এর বিয়ে হয়। বিয়ের ২ মাস অতিবাহিত হওয়ার আগেই একাধিক বিয়ের নায়ক স্বামী ময়নুদ্দীন স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকিয়ার অভিযোগ তোলে। প্রতিবেশি এক যুবকের সাথে পরকিয়ার অভিযোগে ঘটনার দিন শনিবার রাত ১১ টার দিকে ময়নুদ্দীন স্ত্রীকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে বসতবাড়ী সংলগ্ন মজিদ সরদারের বাগানে একটি গাছের সাথে হাত-পা, মুখ বেঁধে পিটিয়ে নির্যাতন করার পর তার যৌনাঙ্গে কলার থোর ঢুকিয়ে যৌন নির্যাতন করে। ঘটনার পর স্থানীয় জনতা গনপিটুনি দিয়ে ময়নুদ্দীনকে পুলিশে দেয়। এ ঘটনায় রোববার স্ত্রী মাহফুজা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ১১ এর ক ও গ ধারায় থানায় মামলা করে। থানাপুলিশ সোমবার আটক ময়নুদ্দীনকে আদালতে পাঠিয়েছে। এদিকে গুরুত্বর আহত মাহফুজার শারিরীক অবস্থা কিছুটা অবনতি হওয়ায় পুনরায় হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে মানবাধিকার উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালক এ্যাড. এফএমএ রাজ্জাক। এ ব্যাপারে ওসি আশরাফ হোসেন জানান আটক ময়নুদ্দীন পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই ন্যাক্কারজনক এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এর আগেও সে দু’টি বিয়ে করে। ঘটনার দিন দুপুরে সে কলাগাছের থোড় সংগ্রহ করে প্রস্তুতি নেয় এবং রাতেই এ ঘটনা ঘটায়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ জানান ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং অপরাধী যাতে পার পেয়ে না যায় এজন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।