পাইকগাছা সংবাদ ॥ হলুদ চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে কৃষকরা


289 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাইকগাছা সংবাদ ॥ হলুদ চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে কৃষকরা
জানুয়ারি ২২, ২০১৯ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস,এম,আলাউদ্দিন সোহাগ ::

উৎপাদন এবং বাজার মূল্য কম থাকায় হলুদ চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে খুলনার পাইকগাছার চাষীরা। এ চাষ ছেড়ে কৃষকরা ঝুঁকছেন অন্যদিকে। তবে ছোট ছোট আকারে জমি চাষ করলে লাভ হচ্ছে। বেশী জমিতে শুধু মাত্র হলুদ চাষ করলে লাভ কম হওয়ায় হলুদের ক্ষেতে মরিচ, বেগুন, আলু, ওলকচু, কচুরমুখিসহ মিশ্র চাষ করলে কিছুটা লাভ হচ্ছে। তাই সেই দিকেই ঝুঁকছে কৃষকরা। সে ক্ষেত্রে হলুদের উৎপাদন কম হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ২০ হেক্টর জমিতে হলুদ চাষ কম হয়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারের মধ্যে হলুদ একটি অতি প্রয়োজনীয় দ্রব্য। হলুদ রান্নার কাজে যেমন ব্যবহার হয়, তেমনি ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধক, রক্ত পরিস্কারক, হজমকারক, কৃমিনাশক এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবেও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। তবে নিত্য প্রয়োজনীয় এ দ্রব্যটির উৎপাদন ভাল না হওয়াই এবং বাজার মূল্য কম থাকায চাষীরা দিন দিন হলুদ চাষ করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।

পাইকগাছা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, পাইকগাছা উপজেলায় এ বছর ৯০ হেক্টর জমিতে হলুদের চাষ হয়েছে। গতবছর ১১০ হেক্টর জমিতে হলুদের চাষ হয়। উপজেলার গদাইপুর ইউপির চরমলই গ্রামের কৃষক সবুর গোলদার জানিয়েছেন, এ বছর ২ বিঘা জমিতে হলুদের চাষ করেছেন তিনি। হলুদের উৎপাদন অনেক কম। এরপর আবার অনেক হলুদ পঁচে নষ্ঠ হয়ে গেছে। ২ বিঘা জমিতে আনুমানিক ৮০ মণ হলুদ হবে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৮০ হাজার টাকা কিন্তু হলুদের বীজ, জমির খাজনা এবং সারসহ আনুসঙ্গিক বিভিন্ন কাজে প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

লোকসান প্রসঙ্গে সবুর বলেন, হলুদ চাষের পাশাপাশি একই জমিতে বেগুন, মরিচ, ওলকচু, আলু, কচুরমুখিসহ মিশ্র চাষ করার ফলে কিছু লাভ হতে পারে। শুধুমাত্র হলুদ চাষ করলে এখন আর লাভ হয় না। হলুদ চাষের জন্য এখন ভাল মানের বীজ পাওয়া যায় না। এছাড়া শ্রমিক মূল্য, সার, কীটনাশকের মূল্য অনেক বেশী। তাছাড়া জমির পাশে এখন আর আগেরমত নালা কিংবা ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকে না। সব বন্ধ হয়ে গেছে। পানি সরবরাহ না থাকার ফলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এবং হলুদ পঁচে যায়। অপর দিকে একই এলাকার শহীদুল মোড়ল জানিয়েছেন, ছোট পরিসরে হলুদ চাষ করলে লাভ হয়। তার ৪ কাঠা জমিতে প্রায় ১২ মণ হলুদ হবে।

এছাড়া হিতামপুর গ্রামের নির্মল চন্দ্র অধিকারী জানিয়েছেন, তিনি ৯ কাঠা জমিতে হলুদ চাষ করে প্রায় ৪০ মণ হলুদ পাবেন বলে আশা করছেন। যার বাজার মূল্য প্রায় ৪০ হাজার টাকা। ৯ কাঠা জমিতে হলুদ চাষ করতে প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। শেখ জিয়াউর রহমান জানিয়েছেন, এক সময় তাদের অনেক জমিতে হলুদের চাষ হতো কিন্তু উৎপাদন কম হওয়ায় এবং লাভ বেশী না হওয়ায় এখন আর হলুদের চাষ করেন না।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এ এইচ এম জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, চাহিদার তুলনায় হলুদ এখন অনেক কম উৎপাদন হচ্ছে। হলুদ চাষে পরিশ্রম বেশী, বীজের দাম বেশী। উপজেলায় লবনাক্ততার পরিমাণ বেশি থাকার কারণে উৎপাদন কমে যাচ্ছে। লাভ কম হওয়ায় হলুদ চাষের জমি কমে যাচ্ছে। কৃষকরা ঝুঁকছেন অন্য ফসল উৎপাদনে।

#

পাইকগাছায় বিজয়ী শিশুদের মাঝে জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতার সনদপত্র বিতরণ

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ::

পাইকগাছায় জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী শিশুদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুলিয়া সুকায়নার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবদীন, শিক্ষা অফিসার গাজী সাইফুল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার রায়, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, সহকারী প্রোগ্রামার মৃদুল কান্তি দাশ ও পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ।

#

পাইকগাছা উপজেলা মাইগ্রেশন ফোরামের মিটিং অনুষ্ঠিত

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ::

পাইকগাছা উপজেলা মাইগ্রেশন ফোরামের মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রত্যাশা প্রকল্পের আওতায় সোমবার সকালে ব্র্যাক কার্যালয়ে ফোরামের সভাপতি এ্যাডঃ শফিকুল ইসলাম কচির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের জেলা আরএসসি ম্যানেজার আফরোজা খাতুন, ফিল্ড অর্গানাইজার দেবাশীষ তরফদার, ওকাপে’র ফিল্ড অর্গানাইজার আজিজুল হক, ফোরামের সদস্য ও সাংবাদিক মোঃ আব্দুল আজিজ, হাসানুজ্জামান, সুকুমার ঢালী, গৌতম রায়, মানবেন্দ্র সানা, কল্যানী রানী মন্ডল, শ্যামল মন্ডল, জিএম তাজ উদ্দীন, শরিফুল ইসলাম ও আজবাহার উদ্দীন।

#

পাইকগাছায় আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ::
পাইকগাছায় আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার গাজী সাইফুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষা অফিসার তপন কর্মকার, ইসলামুল হক মিঠু, যতি শংকর রায়, ঝংকর ঢালী, প্রধান শিক্ষক মিলিজিয়াসমিন, আশুতোষ কুমার মন্ডল, রবীন্দ্রনাথ রায়, মাহমুদ হোসেন, শহিদুল ইসলাম, বিএম আক্তার হোসেন, সুলেখা ঘোষ, সেলিনা পারভীন, জয়া রানী দাশ, অজয় সরকার, অনুপ কুমার, মঞ্জুরুল ইসলাম, এসএম শফি, খলিলুর রহমান, শিক্ষক মহাসিন আজম, এসকে আছাদুল্লাহ মিঠু, শামিমা নাসরিন সিমা, এসএম আমিনুর রহমান লিটু, ললিতা নাথ,
‌রত্নেশ্বর সরকার ও সায়রা খাতুন।

#