‘পাকস্তিানরে সঙ্গে প্রয়োজনে কূটনতৈকি সর্ম্পক ছিন্ন’


323 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
‘পাকস্তিানরে সঙ্গে প্রয়োজনে কূটনতৈকি সর্ম্পক ছিন্ন’
মে ১৪, ২০১৬ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রশ্নে পাকিস্তানের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও ধৃষ্ঠতাপূর্ণ বক্তৃতা-বিবৃতির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা বলেছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বেশি নাক গলালে প্রয়োজনে পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা হবে।

শনিবার রাজধানীতে পৃথক অনুষ্ঠানে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা আরও বলেন, দরকার হলে জাতিসংঘের সহায়তা নিয়ে পাকিস্তানি ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধী সেনা সদস্যেরও বিচার করা হবে। আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে পাকিস্তানের মুখ বন্ধ রাখা উচিত।

রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যৌথ সভায় দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর কোনো অধিকার পাকিস্তানের নেই। পাকিস্তান বাড়াবাড়ি করছে। তবে তাদের চোখ রাঙানিতে বাংলাদেশ ভয় পায় না।

পাকিস্তানের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তোমাদের সঙ্গে আমাদের এমন কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা মহব্বত নেই যে, ওইখানে বসে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবা! দরকার হলে তোমাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখব না। দেশে মানবতাবিরোধীদের বিচার হয়েছে। শিমলা চুক্তি করে ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধী পাকিস্তানি সেনা সদস্যের বিচার হওয়ার কথা ছিল, তোমরা করোনি। দরকার হলে জাতিসংঘের সহায়তা নিয়ে সেই ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধী সেনা সদস্যের বিচারও আমরা করব।’

দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, পাকিস্তানে সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে ১৯৭১ সালেই। অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে তাদের নাক গলানোর এ জংলি মনোভাব বাংলাদেশের মানুষ বরদাশত করবে না।

১৭ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দলীয় কর্মসূচি সফল করতে এ যৌথসভার আয়োজন করা হয়।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম রহমত উল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ড. আবদুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, আবুল হাসনাত, শাহে আলম মুরাদ, সাদেক খান প্রমুখ।