পাটকেলঘাটার রহমতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন


207 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাটকেলঘাটার রহমতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
নভেম্বর ৬, ২০১৯ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা শ্রমজীবী সমবায় সমিতির আড়ালে সুদের ব্যবসা পরিচালনাকারী রহমত আলীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, পাটকেলঘাটা থানার লালচন্দ্রপুর গ্রামের শেখ রবিউল ইসলামের ছেলে সামিউল ইসলাম।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, পাটকেলঘাটা বাজারের হাইস্কুল রোড নামক স্থানে শ্রমজীবি সমবায় সমিতির আড়ালে হিসাব রক্ষক শেখ রহমত আলী দীর্ঘদিন ধরে সুদের ব্যবসা পরিচালনাকারী করে অসছেন। তিনি অভিনব কায়দায় ফাঁকা চেক, স্ট্যাম্প গ্রহনের মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষকে ঋণ দিয়ে মাসিক শতকরা ৩০ টাকা হারে সুদে গ্রহন করে থাকেন। আর এই সুদের টাকা দিতে ব্যর্থ হলে সহজ সরল গ্রাহকদের উপর শুরু হয় বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি, মিথ্যা মামলাসহ মানুষিক নির্যাতন। রাতারাতি কোটিপাতি বনে যাওয়া মামলাবাজ সুদখোর রহমত আলীর রোষানলের শিকার আমার ব্যবসায়ী পিতা শেখ রবিউল ইসলাম। তিনি বিগত ২০১৪ সালে কোন প্রকার টাকার পরিমান উল্লেখ ছাড়াই ফাঁকা চেকের পাতা প্রদানের মাধ্যমে ৩ লাখ টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। এরপর আমার পিতা দোকানে হালখাতা শেষে ওই বছরেই তার সমিতিতে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা সঞ্চয় হিসেবে জমা রাখেন। এমতাবস্থায় হিসাব-নিকাশ নিয়ে রহমত আলী ও আমার পিতার মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্ঠি হয়। আর এই সুযোগ আমার পিতার জামানতকৃত টাকা আত্বসাৎ করার চক্রান্ত বাস্তবায়ন করতে আমার পিতার প্রদেয় ৩ লাখ টাকার ফাঁকা চেকে ২২লাখ টাকা বসিয়ে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় বাদী উক্ত সমিতির সহকারী হিসাবরক্ষক মুজিবর রহমান। তিনি নিজেই স্বাক্ষী দিয়েছেন যে, উল্লে¬খিত চেক আসামী রবিউল ইসলামের। কিন্তু ফাঁকা চেকে টাকার অংক বসিয়েছে কিনা তা আমি জানি না। তারপরও কেন আমার পিতাকে দোষী সাব্যস্ত করা হলো তা আমাদের বুঝে আসে না। একপর্যায়ে আমি কোন উপায় না পেয়ে গত ২৩/১০/১৯ ইং তারিখে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করি। তিনি বিষয়টি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, শুধু আমার পিতা নয়, সুদখোর রহমতের প্রতারনার শিকার সরুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা আঃ হাকিম, শেখ মফিজুল ইসলাম, লুৎফর গাজী, আব্দুল গণি ঢালী, আসাদুল সরদারসহ বহু নিরিহ মানুষ। তার পাঁতানো ফাঁদে পা দিয়ে আজ তারা নিঃশ্ব হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। এমতাবস্থায় তিনি উক্ত সুদখোর রহমত আলীর বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) ও প্রশাসনের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি