পাটকেলঘাটাসহ তালা-উপজেলায় অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আর্সেনিক যুক্ত পানি পান করছে


812 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাটকেলঘাটাসহ তালা-উপজেলায় অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আর্সেনিক যুক্ত পানি পান করছে
নভেম্বর ২৭, ২০১৫ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

মাহফুজুর রহমান মধু, পাটকেলঘাটা :
পানির অপর নাম জীবন বলা হলেও বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাবে সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটাসহ তালা উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আর্সেনিক যুক্ত পানি পান করছে।

ফলে আর্সেনিক সহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বেশির ভাগই শিক্ষার্থীরা। এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পানির সমস্যা দুরীকরনে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর তেমন কোন মাথা ব্যাথা নেই । ফলে জনপ্রতিনিধি সহ স্থানীয় সংসদের দৃষ্টি কামনা করেছে শিক্ষক সহ ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।

সংশি¬ষ্ট অফিস সুত্রে জানা যায়, পাটকেলঘাটাসহ উপজেলায় ২০৮টি প্রাথমিক,৭০টি মাধ্যমিক, ৩৭টি মাদরাসা ও ১১টি কলেজ রযেছে। এ সকল প্রতিষ্ঠাুনে হাজার হাজার শিক্ষার্থী পড়া-শুনো করে আসছে। দেখা গেছে এসকল প্রতিষ্ঠানের বেশীরভাগ নরকুপের পানিতে অতিমাত্রায় আর্সেনিক যুক্ত। বেশীরভাগ প্রতিষ্ঠঅনে বিশুদ্ধ খাবার পানির কোন ব্যবস্থা নেই।
আবার অনেক প্রতিষ্ঠানে ফিল্টার বা অন্য ব্যবস্থা থাকলেও তাহা বেশীরভাগ ক্ষেত্রে অকেজো হয়ে পড়েছে। উপজেলা অফিস সুত্রে জানা গেছে উপজেলায় ১০৬৮গভীর ,২৯৩৮টি অগভীর নলকুপরয়েছে।

তবে বেসরকারী হিসাব মতে এর সংখ্যা অনেক বেশী এর মধ্যে শতকরা ৭০ভাগ নলকুপের পানি আর্সেনিক যুক্ত। যার পানি পানকরা অনুপযোগী হয়ে পড়েছে । তালা উপজেলার দলুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ জানান নলকুপ থাকলেও সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীরা আর্সেনিক যুক্ত পানি পান করছে।

পাটকেলঘাটায় নগরঘাটা কবি নজরল বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক বাবলুর রহমান জানান আমার বিদ্যালয়ে তিনটি নলকুপ আছে যে পানিতে আর্সেনিক আছে।পাটকেলঘাটা বহুমুখী আদর্শমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বলেন, বিদ্যলয়ে  তিনটি নলকুপ আছে যার পানি আসেনিক যুক্ত, তালার একটি বেসরকারী সংস্থার জরিপে দেখা গেছে আর্সেনিক যুক্ত পানি পান করার কারনে  উপজেলায় মোট ৭৩৫জন আর্সেনিকে আক্রান্ত হয়েছে।

তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার বলেন, উপজেলায় আর্সেনিকের মাত্রা অনেক বেশী তবে সরকারের পক্ষ থেকে গভীর নলকুপ পর্যায় ক্রমে স্থাপনের কাজ চলছে, তাছাড়া পুকুরের পানি পান করার ব্যাপারে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।