পাটকেলঘাটায় ছালমনির ক্লিনিক বন্ধ করতে ভবন মালিকের হামলা


197 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাটকেলঘাটায় ছালমনির ক্লিনিক বন্ধ করতে ভবন মালিকের হামলা
অক্টোবর ২, ২০১৯ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

প্রায় সাড়ে ৩৭ লাখ টাকা পরিশোধ করে ১৮ কক্ষের একটি ভবন ১৬ বছরের জন্য বন্দোবস্ত নিয়ে আরও এক কোটি টাকা ব্যয় করে একটি ক্লিনিক পরিচালনা করে আসছিলেন পাটকেলঘাটার কুমিরার গোলাম ছালমনি। অথচ ছয় বছর না পুরতেই ক্লিনিকটি বন্ধ করে ভবন ফেরত নেওয়ার ষড়যন্ত্রে নেমেছে এর মালিক লালচন্দ্রপুর গ্রামের ফজিয়ার রহমানের ছেলে রফিকুল ইসলাম।
বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন ক্লিনিক পরিচালক। তিনি বলেন বাধ্য হয়ে তিনি এ ব্যাপারে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে গোলাম ছালমনি বলেন ২০১৩ সালে পাটকেলঘাটা বাজারের পূর্ব পাশে লালচন্দ্রপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের কাছে বন্দোবস্তর সমুদয় টাকা পরিশোধ করেতিনতলা ভবনটি তিনি ১৬ বছর মেয়াদি বন্দোবস্ত নেন। কিন্তু মাত্র ছয় বছর পুরতেই ভবন মালিক রফিকুল ইসলাম শুরু করেন নানা ষড়যন্ত্র। তিনি ক্লিনিকটির ক্ষতি সাধনের চেষ্টা করেন। তিনি বলেন এ ব্যাপারে মামলা করা হলে আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এতে রফিকুল দারুণ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে রফিকুলের নেতৃত্ব বজলুর রহমানের ছেলে হাফিজুর, আচিমতলার মুনসেফ আলির পুত্র শওকত মোড়ল,লালচন্দ্রপুরের আবুল শেখের ছেলে মিলন, এসেম মিস্ত্রির ছেলে সবুর ও তাদের ১০/১৫ জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী লাঠিসোটা,হাতুড়ি, রামদা,শাবল ,কুড়াল নিয়ে ফিল্মি স্টাইলে ক্লিনিকের ভিতর ঢুকে পড়ে। তারা বিকট হুংকার দিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে। এ সময় তারা আলটাসেনোগ্রাফি মেশিন, ইকো প্লাস আল্টাসোনোগ্রাফি,দুটি আলটাসোনো পিন্টার,ইসিজি মেশিন, সিপিইউ, মনিটর, টিভি, ল্যাব কমপিউটার, ল্যাব প্রিন্টারসহ এক কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জামভাংচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়। এতে বাধা দেওয়ায় সন্ত্রাসীরা গোলাম ছালমানির বাবা গোলাম সরোয়ার ও মা হুমায়রাকে মারপিট করে আহত করে। তারা এখনও সাতক্ষীরা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে গোলাম ছালমনি বলেন বলেন এ বিষয়ে তিনি পাটকেলঘাটা থানায় একটি মামলা দিয়েছেন। কিন্তু পুলিশ রহস্যজনক কারণে মামলাটি রেকর্ড করেনি।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় ভবন মালিক রফিকুলের সন্ত্রাসের মুখে আমরা ও আমার ব্যবসা জিম্মি হয়ে পড়েচে। কোটি টাকা বিনিয়োগ করে তা এখন পানিতে গেছে। পাশপাশি বন্দোবস্তর টাকাও খোয়া যাবার উপক্রম হয়েছে।
গোলাম ছালমানি এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের সহযোগিতা কামনা করে সন্ত্রাসী রফিকুল ও তার ভাড়াটে বাহিনীকে গ্রেফতারের দাবি জানান।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি