পাটকেলঘাটায় জমে উঠেছে ঈদের বাজার


1359 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাটকেলঘাটায় জমে উঠেছে ঈদের বাজার
জুলাই ৭, ২০১৫ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email


মাহফুজুর রহমান মধু, পাটকেলঘাটা :
ঈদকে সামনে রেখে পাটকেলঘাটায় ঈদের কেনা কাটায় উপছে পড়া ভীড়  কেনা কাটা চলছে ধুমধাম। আর মাত্র কদিন পার হলেই মুসলমানদের পবিত্র ঈদুল ফিতর। খুশির ঈদকে ঘিরে পাটকেলঘাটা সহ উপজেলার সকল হাটবাজার ও বিপনী দোকানগুলোতে চলছে কেনা কাটার ধুম। পাটকেলঘাটার বিভিন্ন দেকান গুলোতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত  চলছে বেচাকেনা। ক্রেতা সাধারনরা নিজেদের পছন্দ মত জিনিস কেনাকাটা করছে বেশী বিক্রি হচেছ শিশু পোশাক। এ ছাড়া পাজ্ঞাবী,শাট,প্যান্ট,মেয়েদের থ্রি পিছ,হাফ শার্টের চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। ধনী-গরীব সকলেই ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করে নিতে নতুন পোশাক কিনে থাকে। গরীব, অসহায়, মানুষগুলো তাদের ছেলে-মেয়েদের নতুন পোশাক কিনতে হিমশিম খেলেও অনেকেই ফুটপাতে কম দামের পোশাক কিনতেও দেখা যাচ্ছে। পাটকেলঘাটা বাজারের বিভিন্ন দোকান গুলো ঘুরে দেখা গেছে শাড়ী লুঙ্গি থেকে শুরু করে গার্মেন্টস,শিশু পোশাক,জুতা, কসমেটিকস,সহ নানান রংঙের জিনিষ শোভা পাচেছ বিপনী দোকান গুলোতে। পাটকেলঘাটার ভারতী বস্ত্র সম্ভরের স্বত্বাধিকারী মানস সাধু জানান- অন্য বছরের তুলনায় এ বছর বেচাকেনা অনেকটা ভাল। এ বছর সিল্কের শাড়ী ৫হাজার ৫শ থেকে ৬হাজার টাকায়, বাচ্চাদের কিরণমালা  ৫শটাকা থেকে ৭শ টাকা, প্রিন্টের শাড়ী ৪শ থেকে ৭শ টাকা, জিন্সের প্যান্ট ১৬শ থেকে ২হাজার টাকা, শার্ট ১ হাজার থেকে ১৬শ টাকা, পাঞ্জাবী ১ হাজার থেকে ১২শ টাকা, তাতের শাড়ী ৫শ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লিমা বস্ত্রালয়ের মালিক আবুল কালাম জানান, গার্মেন্টস সামগ্রির মধ্যে শিশুদের ল্যাংগার, কিরণমালা, পোশাকের দাম অনেকটা বেশি চাহিদাও বেশি। অন্যান্য পোশাকের তুলনায় শিশু পোশাক বেশি বিক্রি হচ্ছে। পাটকেলঘাটা বাজারের বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আল্লাহর দান ক্লথ বস্ত্রালয়ের মালিক শেখ অহিদুজ্জামান জানান এবছর বাচ্চাদের সবচেয়ে চয়েজ কিরনমালা ল্যাংগার পোশাকের চাহিদা বেশী তাছাড়া ছেলেদের অরন্য শাট বেশ চাহিদা বহন করছে তাছাড়া, ইত্যাদি গার্মেন্টস, মুনিয়া ফ্যাশন, আল-মদিনা বস্ত্র সম্ভর, ভাই ভাই গার্মেন্টস, দীপেন গার্মেন্টস, আপন ফেব্রিক্স, সানমুন বস্ত্রালয়, উর্মি বস্ত্রালয়, দীপা বস্ত্রালয়, দীঘি বস্ত্রালয়, বৈশাখী বস্ত্রালয়,রনি বস্ত্রালয় রাইট চয়েজ, রূপা ফ্যাশানসহ ৫০ এর অধিক গার্মেন্টস ও কাপড়ের দোকান রয়েছে যে দেকানগুলোতে গভীর রাত পর্যন্ত বেচাকেনা চলছে। সব দোকানগুলোতে বেচাকেনার হিড়িক পড়েছে। এছাড়া কসমেটিকস, টেইলার্স, জুতার দোকান,টুপি,আতর, জুয়েলারী দোকানগুলোতেও চলছে বেচাকেনার ধুম। এছাড়া টুপির দোকানেও প্রচুর কেনাবেচা হচ্ছে।