পাটকেলঘাটায় দুই বোন মারুফা ও বেবীর মাথায় কোপ মারলো রহমান ফকির


514 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাটকেলঘাটায় দুই বোন মারুফা ও বেবীর মাথায় কোপ মারলো রহমান ফকির
জুন ৪, ২০১৮ তালা ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::
বৈদ্যুতিক খুঁটি বসানো নিয়ে দফায় দফায় গোলমাল হয়েছে। শেষ পর্যন্ত পাটকেলঘাটা পল্লী বিদ্যুত কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় ঘটনার নিষ্পত্তি হলেও এবার রহমান ফকির খুঁটিতে বিদ্যুত সংযোগ দিতে বাধার সৃষ্টি করেছে। আর এর প্রতিবাদ করায় দুই বোন মারুফা খাতুন ও বেবী নাজনীনকে পিটিয়ে এমনকি মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেছে রহমান ও তার সহযোগীরা।
সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে একথা বলেন পাটকেলঘাটা থানার এনায়েতপুর গ্রামের শাহবাজ ফকিরের স্ত্রী সাবিনা পারভিন ও তাদের দুই মেয়ে মারুফা ও বেবী নাজনীন। তারা বলেন মাথায় গুরুতর আঘাত খেয়ে তিনদিন সদর হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিয়েছি। এ নিয়ে থানায় মামলাও করেছি। পুলিশ আবদুর রহমানকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি।
সংবাদ সম্মেলনে সাবিনা পারভিন বলেন রহমান ফকির ও তার সহযোগীরা দুর্ধর্ষ প্রকৃতির। বৈদ্যুতিক খুঁটি বসানোর জের ধরে তাদের সাথে শত্র“তা চরমে ওঠে। গত ২৮ মে তারিখের ঘটনা উল্লেখ করে তারা জানান আবদুর রহমান সাবিনাদের বাড়িতে ঢুকে হুমকি দিয়ে বলে খুঁটিতে বিদ্যুত সংযোগ দিতে দেওয়া হবে না। এর প্রতিবাদ করার সাথে সাথে রহমান ও তার সহযোগীরা বেবী নাজনীন ও মারুফাকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারতে থাকে। দুই বোন মারুফা ও বেবীর মাথায় ধারালো দায়ের কোপ মারে। তাদের দেহের কাপড়চোপড় টেনে হিঁচড়ে ছিড়ে ফেলে। কানে ও গলায় থাকা স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। খবর পেয়ে প্রতিবেশিরা ছুটে এসে মেয়ে দুটিকে রক্ষা করে। পরে তাদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর পাটকেলঘাটা থানায় মামলা করা হয় বলে জানান তিনি। তারা বলেন হামলায় অংশগ্রহনকারী আবদুর রহমান ফকির, আলম ফকির, আনারুল ফকির, হালিমা খাতুন, আয়েশা খাতুন এখনও গ্রামে আস্ফালন করে বেড়াচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন রহমানসহ অন্যদের গ্রেফতার না করা হলে তারা আবারও হামলা করতে পারে। এ ঘটনার প্রতিকার দাবি করে সাবিনা পারভিন ও তার দুই মেয়ে মারুফা খাতুন ও বেবী নাজনীন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

##