পাবনা পুলিশ সুপারের সাথে ঈশ্বরদীর কৃষকদের মতবিনিময়


298 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পাবনা পুলিশ সুপারের সাথে ঈশ্বরদীর কৃষকদের মতবিনিময়
আগস্ট ২৭, ২০১৮ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

আর কে আকাশ, পাবনা ::
ঈশ্বরদীর সফল ও জাতীয় পদক প্রাপ্ত কৃষকেরা সদ্য যোগদানকারী পাবনা জেলা পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম পিপিএম’র সাথে মতবিনিময় করেছেন। আজ সোমবার দুপুরে পুলিশ সুপারের সভা কক্ষে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) গৌতম কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোছাঃ শামীমা আক্তার, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির ও সহকারি পুলিশ সুপার সালমা আলম।
কৃষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক ছিদ্দিকুর রহমান কূল ময়েজ, বাংলাদেশ কৃষক উন্নয়ন সোসাইটি ঈশ্বরদী উপজেলা সভাপতি আবুল হাসেম, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক জাহিদুল ইসলাম গাজর জাহিদ, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত কৃষক বেলী বেগম, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক আশরাফ আলী খান ডুবুরী, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক আলহাজ্ব রবিউল ইসলাম, চ্যানেল আই পাবনা প্রতিনিধি আক্তারুজ্জামান, মৎস্য চাষি আবু তালেব জোয়াদ্দার, মোঃ আজগর মল্লিক, ইদ্রিস আলী, হাবিবুর রহমান, আব্দুস সাত্তার, তোরাব জোয়াদ্দার, মহসিন আলী ও সাইদার হোসেন বাবুসহ ঈশ্বরদীর বিভিন্ন স্তরের কৃষকেরা।
বক্তারা বলেন, কৃষকের উৎপাদিত সকল পণ্যেই বর্তমানে লোকশান হচ্ছে। এরপর তা হাট-বাজারে বিক্রি করতে গেলে খাজনার নামে ইজারাদারের লোকেরা কৃষকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন শতকরা দশ টাকা। এক দিনের একটি বাচ্চাসহ একটি গরু বিক্রি করলেও খাজনা গুনে দিতে হয় ১ হাজার টাকা। কৃষি পণ্য বিক্রির পর কৃষকের কাছ থেকে খাজনা নেয়া সরকারের পক্ষ থেকে নিষেধ থাকলেও ইজারাদারের লোকেরা বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে তাদের ইচ্ছে মতো অধিকমাত্রায় খাজনা আদায় করছেন।
বক্তারা আরও বলেন, পাবনা জেলার কোন হাটেই ইজারার নিয়ম মেনে খাজনা আদায় করেনা। হাট-বাজারে কৃষকের কাছ থেকে অধিক হারে খাজনা আদায় করে থাকেন। মাঠ থেকে ভটভটিতে করে কৃষি পণ্য হাটে আনতে পুলিশ বাধা সৃষ্টি করে এতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কাঁচা মালের ট্রাক থেকে চাঁদা রোধে কৃষকেরা পুলিশ সুপারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। সরকার কর্তৃক রাসায়নিক সারের মূল্য নির্ধারনের পরেও ব্যবসায়িরা বস্তা প্রতি দুই থেকে পাঁচশত টাকা বেশি নিচ্ছেন। কৃষি বীমা ও কৃষি হিমাগারের জোর দাবি তোলেন। এর আগে ঈশ্বরদীর কৃষকেরা সংবর্ধনা স্বরুপ তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন ধরনের ফলমূল, সবজি, মসলা, মাছ, ডিম ও দুধ পুলিশ সুপারের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দেন।

##