পার্বত্য চট্টগ্রামের সংবাদ॥ প্রযুক্তিভিত্তিক জ্ঞান নির্ভর সমাজ গঠন করার তাগিদ ;খাগড়াছড়ির ব্রি.জে স ম মাহবুব উল আলম


574 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
পার্বত্য চট্টগ্রামের সংবাদ॥ প্রযুক্তিভিত্তিক জ্ঞান নির্ভর সমাজ গঠন করার তাগিদ ;খাগড়াছড়ির ব্রি.জে স ম মাহবুব উল আলম
মে ১৬, ২০১৬ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ইব্রাহিম ফরাজি ও আমিরহোসেন রাজু.খাগড়াছড়ি:

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার ২০৩পদাতিক ব্রিগেড ও রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল স ম মাহবুব উল আলম এসজিপি, পিএসসি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রযুক্তিভিত্তিক জ্ঞান নির্ভর সমাজ গঠন করা সম্ভব হলে পাহাড়ে সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতি আরও বেশি সুদৃঢ় হবে। তিনি রোববার দুপুরে রাঙ্গামাটি জেলাস্থ লংগদু জোন মাঠ প্রাঙ্গণে লংগদু ২ইস্ট বেঙ্গল জোনের আয়োজনে কমিউনিটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদপত্র বিতরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, পাহাড়ের সকল জনগোষ্ঠি তথা পাহাড়ী-বাঙালিদের প্রযুক্তি ভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় খাগড়াছড়ি ব্রিগেড আওতাধীন লংগদু জোন এই এলাকার যুব সমাজকে কম্পিউটার প্রশিক্ষন প্রদান করেছে। জ্ঞান নির্ভর সমাজ বিনির্মানে প্রযুক্তির ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধি অনস্বীকার্য্য। এসময় তিনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নাই উল্লেখ করে সমাজের গণ্যমাণ্য, জনপ্রতিনিধিসহ সকল প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে লংগদু সেনা জোনের অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল আলীম চৌধুরী পিএসসি, উপ-অধিনায়ক মেজর আজম, ৮আনসার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মুহাম্মদ সোহেলুর রহমান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: তোফাজ্জল হোসেন, ভাইস-চেয়ারম্যান মো: নাছির উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজাম উদ্দিন আহমদ, প্রশিক্ষণার্থীদের অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন কৃতি শিক্ষার্থী শামসুল আলম মাসুদ, অভিভাবক অধ্যাপক ওসমান গনি ও অভিভাবক জোনাকী চাকমা প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কম্পিউটার প্রশিক্ষার্থী ৫৬জনের মাঝে সনদপত্র ও পিএসসি-জেএসসি’র ৪৯জন কৃতি শিক্ষার্থীদেরকে হাতে সনদপত্র বিতরণ ও সংবর্ধনার ক্রেস্ট হাতে তুলে দেন।###

সেনাবাহিনী প্রত্যাহার ঘোষণার প্রতিবাদে ২২মে তিন পার্বত্য জেলায় সকাল সন্ধ্যা হরতাল

ইব্রাহিম ফরাজি ও আমিরহোসেন রাজু.খাগড়াছড়ি :
সেনাবাহিনী প্রত্যাহার ঘোষণার প্রতিবাদে ২২মে খাগড়াছড়ি-রাংগামাটি-বান্দরবানসহ তিন পার্বত্য জেলায় সকাল সন্ধ্যা হরতাল ডাক দিয়েছে বাংগালীর ২টি সংগঠন ।
৪টি ব্রিগ্রেড ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার প্রতিবাদে আগামী ২২মে তিন পার্বত্য জেলায় হরতালের ঘোষণা দিয়েছে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ ও পার্বত্য বাঙালী ছাত্র পরিষদ।
সংগঠনের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবী করে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী গত ৮মে রোববার রাজধানীতে পার্বত্য কমপ্লেক্সের ভিত্তিফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিন পার্বত্য জেলার  ৪টি সেনা ব্রিগ্রেড বাদে বাকী সব সেনাক্যাম্প  প্রত্যাহারের ঘোষণার প্রতিবাদে ১৩মে শুক্রবার সকাল ১১টায়(ঢাকার) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে এ ঘোষনা দেওয়া হয় ।

পার্বত্য নাগরিক পরিষদ ও পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় পার্বত্য নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান আলকাছ আল মামুন ভূইঁয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে আরো বক্তব্য রাখেন, সম-অধিকার আন্দোলনের মহাসচিব মনিরুজ্জামান মনির, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আহমেদ রাজু, পার্বত্য বাঙ্গালী গণমঞ্চের চেয়ারম্যান শওকত আকবর, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা মো: শাহজালাল, মানববন্ধনে সঞ্চালনা করেন পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদেও ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি সাহাদাত হোসেন সাকিব। আরো উপস্থিত ছিলেন-পিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা মো: খলিলুর রহমান, সাদ্দাম হোসেন, ফিরোজ আলম প্রমুখ ।

বক্তারা বলেন, ‘রাজধানীতে পার্বত্যবাসীর অনেক প্রতীক্ষিত কমপ্লেক্সটি নির্মাণের আগেই পরিকল্পিতভাবে উপজাতিকরণ করতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নব কিশোর বিক্রম ত্রিপুরা ও উপজাতি  কর্মকর্তাগণ বৈষম্যমূলক আচরণ ও ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে! তাই এদের মন্ত্রণালয় থেকে অপসারণ করতে হবে’।
বক্তারা বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে, ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠী ও বাঙ্গালীদের  মধ্যেকার সম্প্রীতি রক্ষার জন্য এবং স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীর কোন বিকল্প নেই। সেনাবাহিনী পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায়  অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। অপহরণ, মুক্তিপণ,গুম, চাদাঁবাজি, খুন, ধর্ষণ, রাহাজানি এবং টোকেন বাণিজ্য যতদিন পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্ধ হবে না ততদিন সেনাবাহিনীকে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে পাহাড়ে থাকতে হবে।

বক্তারা বলেন, ‘পাহাড়-সেনাবাহিনীর অনুপস্থিতিতে-পার্বত্য এলাকা বিভিন্ন দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের স্বর্র্গরাজ্যে ও নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হবে। অতএব সেনা ক্যাম্প প্রতাহারের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে’।
বক্তারা আরো বলেন, ‘সেনাক্যাম্প থাকা সত্ত্বেও সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতিসহ উপজাতি সন্ত্রাসীরা ৩টি গ্রুপের পালাক্রমে অসহনীয় চাঁদাবাজি, অপহরণ, গুম ও অস্ত্রের ঝনঝনানিতে-পার্বত্যবাসী অতিষ্ঠ। সেখানে সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করে নিলে পাহাড়ের সকল মানুষ উপজাতি অস্তধারীদের হাতে জিম্মি হয়ে যাবে। পাহাড়ে কোন পর্য়টক যেতে সাহস পাবে না। এতে করে পাহাড়ের উন্নয়ন ব্যহত হবে। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উক্ত ঘোষণা প্রত্যাহার করার দাবিসহ পার্বত্য এলাকায় প্রত্যাহারকৃত সেনা ক্যাম্প পূন:স্থাপন এবং পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের সচিব নব কিশর বিক্রম ত্রিপুরা  ও উপজাতি  কর্মকর্তাদের মন্ত্রনালয় থেকে অপসারণেরর দাবি জানান’।

মানববন্ধনের সভাপতি আলকাছ আল মামুন ভূইঁয়া বলেন, “সেনাবাহিনী যেসময় অবৈধ অস্র উদ্ধারে সফলতা শুরু করেছে, যে সময় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমনে সফলতা পেল, যখন আওয়ামীলীগ নেতা দীপংকর তালুকদার অবৈধ অস্র উদ্ধারের সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছেন, যখন সন্তু বাহিনীকে দমনে সকল জনগন দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ এবং গোটা পার্বত্যবাসী একদাবিতে একাকার, তখনই পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণা বিস্ময়কর। জাতি জানতে চায়, এটা পার্বত্য মন্ত্রনালয়ের সাম্প্রদায়িক সচিবের কোন কারসাজী কিনা?
আমরা পরিস্কার জানিয়ে দিতে চাই, দেশের অখন্ডতা রক্ষায়, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্য রক্ষায়, কোন সন্ত্রাসী গ্রুপের দাবির কাছে মাথানত করে পার্বত্য এলাকা থেকে সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা যাবে না। অনতিবিলম্বে এ ঘোষণা প্রত্যাহারের এবং ২০০১সালের ভূমি আইন পুণ:বিবেচনার প্রতিবাদে আগামী ২২মে ৩পার্বত্য জেলায় সকাল-সন্ধ্যা স্বতস্ফুর্ত হরতাল পালন করা হবে । যেখানে পিকেটারবিহীন হরতাল হবে। জনগন যদি পার্বত্য চট্রগ্রাম থেকে সেনাবাহিনী ক্যাম্প প্রতাহার না চায়, তাহলে তারা সর্বাত্মক হরতাল পালন করবে। কাউকে হরতাল পালনে বাধ্য করা হবে না। এ কর্মসূচীর মাধ্যমে জনগন সরকারকে তাদের রায় জানিয়ে দেবে’।
পার্বত্য সমঅধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনির ২২মে আহুত হরতালকে তার সংগঠনের তরফ থেকে সমর্থন জানিয়ে এ হরতাল পালনে দলমত নির্বিশেষে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।ি তনি বলেন, তিন পার্বত্য জেলা থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা হলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে।###

বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পার্বত্য চট্টগ্রাম ক-অঞ্চল ২য় আঞ্চলিক শাখা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ইব্রাহিম ফরাজি ও আমিরহোসেন রাজু.খাগড়াছড়ি:

আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হউন” শ্লোগানে খাগড়াছড়ি-রাংগামাটি-বান্দরবান পার্বত্য জেলার নিয়ে গঠিত সংগঠন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখা(ক-অঞ্চল) ২য় আঞলিক শাখা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে রাংগামাটি কল্যাণপুর টংগ্যা মিলনায়তন কক্ষে এ আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখা(ক-অঞ্চল) সভাপতি শ্রী প্রকৃতি রন্জন চাকমা সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী শক্তিপদ ত্রিপুরা, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞলিক পরিষদের সদস্য শ্রীমতি মাধবী লতা চাকমা ।
২য় আঞ্চলিক শাখা সম্মেলনে সাংগঠনিক প্রতিবেদন পেশ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখা(ক-অঞ্চল)’র সাধারন সম্পাদক শ্রী ইন্টুমনি চাকমা ।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখা(ক-অঞ্চল)’র সহ-সভাপতি শ্রী বিজয় কেতন চাকমা, তথ্য প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি শ্রী চাইথোয়াই মারমা, রাংগামাটির প্রতিনিধি শ্রী সুরেশ কুমার চাকমা। মুক্ত আলোচনায় সাধারন সদস্যরা বক্তব্য রাখেন। এ সময় খাগড়াছড়ি-রাংগামাটি-বান্দরবানসহ বিভিন্ন এলাকার আদিবাসী নেতৃবৃন্দরা অংশ গ্রহন করেন।
পরে প্রত্যক্ষ সমর্থন গনতান্ত্রিক ভোটে পুন:রায় নবনির্বাচিত হন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখা(ক-অঞ্চল)’র শাখার সভাপতি প্রকৃতি রন্জন চাকমা, সাধারন সম্পাদক শ্রী ইন্টুমনি চাকমা, সাংগঠনিক সম্পাদক অংচমং মারমাসহ ১৯সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয় ।
আদিবাসীদের ঐদিহ্যবাহী এপ্রিল মাসে সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাইং, বৈসুক, বিষু, বিহু,  ৯আগষ্ট আর্ন্তজাতিক আদিবাসী দিবস, ২০জুন আর্ন্তজাতিক শরনার্থী দিবস সহ ইত্যাদি ১৭টি কর্মসূচী ধারবাহিকভাবে পালন করে থাকে ।
উল্লেখ্য বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখা(ক-অঞ্চল)’র গত ২৬অক্টোবর ২০১২ ১ম আঞ্চলিক সম্মেলন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় । এ সম্মেলনে মধ্য দিয়ে ১৯ সদস্য পুর্নাংগ গঠন করার পর থেকে অত্র শাখা কমিটি পার্বত্য অঞ্চলের সামগ্রিক বাস্তবতার আলোকে আদিবাসীর ইস্যু বিষয়ে বিভিন্ন নাগরিক সমাজ, সুশীল সমাজ, পেশাজীবি এবং ছাত্র ও যুব নেতৃবুন্দদের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে নাগরিক আন্দোলন, সামাজিক আন্দোলন ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন এবং চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনসহ সর্বোপরি আদিবাসীদের জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষার আন্দোলনে ভূমিকা রাখছে ।