‘পুলিশ,জামায়াত-শিবির,বিএনপি একজোট হয়ে নৌকাকে হারিয়েছে’


338 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
‘পুলিশ,জামায়াত-শিবির,বিএনপি একজোট হয়ে নৌকাকে হারিয়েছে’
মার্চ ২৭, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার  :
সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউপি নির্বাচনে পুলিশের বিরুদ্ধে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকা’কে পরিকল্পিতভাবে পরাজিত করেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন পরাজিত প্রার্থী আসাদুল হক। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এই অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ, জামায়াত-শিবির ও বিএনপি ক্যাডাররা আমার বিরুদ্ধে একজোট হয়ে নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে মাঠে নামার কারনে আমি পরাজিত হয়েছি। জামায়াত-শিবির ও বিএনপি ক্যাডাররা নির্বাচনের পর নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ায় সংখ্যালঘুদের ওপর সীমাহীন অত্যাচার নির্যাতন চালাচ্ছে। আওয়ামী লীগের লোকজন যারা নৌকায় ভোট দিয়েছে তারা বাড়ি থেকে বের হতে পাচ্ছে না। তাদেরকে অবরুদ্ধে করা রাখা হয়েছে। আর পুলিশ এসব কাজে তাদেরকে সহযোগিতা করছে। থানায় মামলা দিলে মামলা নিচ্ছে না।

লিখিত বক্তব্যে আসাদুল হক আরও বলেন, নির্বাচনের সাতদিন আগে থেকে পুলিশ এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে। এতে সাধারণ মানুষ আতংকিত হয়ে পড়ে। নির্বাচনের আগে পুলিশ প্রতিটি কেন্দ্রে যেয়ে নৌকা প্রতীকের বিপক্ষে আনারস প্রতীকে ভোট চায়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ প্রতিদিন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইমাদুল ইসলামের বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া করেছে এবং নির্বাচনের আগের রাতে পুলিশের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা ইমাদুলকে নিয়ে প্রতিটি কেন্দ্রে ঘুরেছে।
আসাদুল হকের অভিযোগ, ইউনিয়নের নয়টি কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের আসকরা পেয়ে বিএনপি-জামায়াতের লোকজন আওয়ামী লীগের কর্মীদের উপর হামলার সুযোগ পেয়েছে। নৌকায় ভোট দেওয়ার কারণে ও ইমাদুলের মারমুখী আচরণে বাড়িছাড়া হয়েছেন অনেকেই। হামলার শিকার হয়েছেন নৌকার কর্মী গোপাল, আব্দুল হাকিম, আজিবর রহমান, অমল কুমার, সন্দ্বীপ, আব্দুল গনিসহ অনেকেই। রাশিদা খাতুন নামে এক মহিলার চুল ছিড়ে নিয়েছে সন্ত্রাসীরা। সুবর্নাবাদের আব্দুল জলিলকে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। গত ১৫ মার্চ ইমাদুলের হামলায় আহত হয়ে তার ছেলে এখন মৃত্যু পথযাত্রী।
তার অভিযোগ, নির্বাচনের আগে ও পরে পুলিশ, জামায়াত-শিবির-বিএনপি ও ইমাদুল এক কাতারে যাওয়ায় আওয়ামী লীগের লোকজন ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। অনেকেই ভারতে পাড়ি জমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কুলিয়ায় পুলিশের সহায়তায় জামায়াত-শিবির মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। শনিবার রাতে তাকে শ্রমিক লীগ নেতা আলমগীরকে হত্যার পর মিছিল করার কারণে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লিখিত ঘটনা ও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইমাদুলের অর্থ ব্যয়ের তদন্ত পূর্বক কুলিয়া ইউপি নির্বাচন বাতিল করে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানান। ##