প্রচার-প্রচারণায় জমে উঠেছে কলারোয় পৌরসভা নির্বাচন


374 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
প্রচার-প্রচারণায় জমে উঠেছে কলারোয় পৌরসভা নির্বাচন
ডিসেম্বর ১৯, ২০১৫ কলারোয়া ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ইব্রাহিম খলিল :
সাতক্ষীরা দুটি পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে কলারোয়া পৌরসভা একটি। কলারোয়া পৌরসভায় চারজন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। কলারোয় পৌরসভা নির্বাচন দ্বিতীয় নির্বাচন। প্রথম নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী গাজী আক্তারুল ইসলাম নির্বাচিত হন। তবে এবারের নির্বাচনে কলারোয়া পৌরসভায় রয়েছে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। তবে এবারের নির্বাচন কলারোয়া পৌরবাসির জন্য রীতিমত উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। রাস্তাঘাট পোষ্টার ফেস্টুন ছেয়ে গেছে। চলছে আলোচনা সমালোচনা। তবে ভোটাররা এবার একজন সৎ নির্ভীক প্রার্থীকে পৌর মেয়রের চেয়ারে বসাবেন বলে জানান।

Arafat
জেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়, কলারোয়া পৌরসভায় চারজন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। মেয়র পদে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু, বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গাজী আক্তারুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মুনসুর আলী এবং আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী  আরাফাত হোসেন মোবাইল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।

সাতক্ষীরা জেল রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এএফএম এহতেশামুল হক জানান,  কলারোয় পৌরসভা স্থাপিত হয় ১৯৯০ সালে। এখানে জনসংখ্যা রয়েছে ৩৩,৮৫৬ জন তার মধ্যে পুরুষ ১৭,১৬৩ জন ও মহিলা ১৬,৬৯৩ জন। ভোটার সংখ্যা ১৮,৫২৫ জন তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯১০৪ জন ও মহিলা ভোটার ৯৪২১ জন। এ পৌরসভায় ওয়ার্ড রয়েছে ৯ টি।
কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু বলেন, কলারোয়া পৌরবাসি দীর্ঘদিন অবহেলিত। রাস্তা ঘাটের বেহাল অবস্থা। তিনি নির্বাচিত হতে পারলে সকল সমস্যার সমাধান করবেন বলে জানান।

MonSur

কলারোয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক মেয়র আক্তারুল ইসলাম বলেন গেলবার কলারোয়াবসি যেভাবে আমাকে নির্বাচিত করেছিল এবারও তিনি আশাবাদ রেখে বলেন পুনরায় কলারোয়াবাসি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। আমি নির্বাচিত হতে পারলে অসামাপ্ত কাজ গুলো সমাপ্ত করবো।
উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মুনসুর আলী বলেন, কলারোয়া উপজেলা লাঙ্গলের ঘাটি। ইতিমধ্যে কলারায়োয় লাঙ্গলের রব উঠে গেছে। তিনি নির্বাচিত হতে পারলে কলারোয়া পৌরসভাকে একটি মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলবেন।
আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আরাফাত হোসেন বলেন, আমি কলারোয়া মানুষের পাশে সবসময় সুখে দুঃখে পাশে থেকেছি। কলারোয়া মানুষ আমার প্রাণ। আমি নির্বাচিত হতে পারলে কলারোয়া সকল সমস্যার সমাধান করবো। অনুন্নত পৌরসভাকে মডেল হিসেবে গড়ে তুলবো।