প্রতি জেলায় মেডিকেল কলেজ হবে: প্রধানমন্ত্রী


284 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
প্রতি জেলায় মেডিকেল কলেজ হবে: প্রধানমন্ত্রী
মার্চ ১৬, ২০১৬ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নতুন চিকিৎসক তৈরির মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে তার সরকারের সিলেটে একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেয়াই আমাদের লক্ষ্য। এজন্য সিলেটে একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে এবং জনসংখ্যার বিবেচনায় প্রতি জেলায় একটি করে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের চিন্তা-ভাবনাও রয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বুধবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেট কৃষিবিদ মিলানায়তনে বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতির ৪৩তম বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন। খবর বাসসের

চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেকেই মনে করেন, চট্টগ্রাম এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজই বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তিরত হবে। কিন্তু আমরা তা করছি না এবং করবও না। বিশ্ববিদ্যালয় দুটি সম্পূর্ণ পৃথক ও পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠান হবে। যেখানে শিক্ষার্থীরা স্নাতকোত্তর শিক্ষা লাভ করবে ও গবেষণার সুযোগ পাবে। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের নিচের শিক্ষার্থীরা মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করতে পারবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন বিভাগ এবং জেলা পর্যায়ের মেডিকেল কলেজগুলো এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হবে।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা মেডিকেল কলেজ যেমন বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত, একইভাবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজও যথাক্রমে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হবে।’

বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতির সভাপতি ডা. শরফুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সাবেক উপদেষ্টা ডা. সৈয়দ মুদাচ্ছের আলী বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।

এতে স্বাগত বক্তৃতা দেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. দিন মোহাম্মদ নুরুল হক।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. দিন মোহাম্মদ নুরুল হককে তার পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে শহীদ ডা. আলিম চৌধুরী স্বর্ণপদকে ভূষিত করেন।

মন্ত্রিবর্গ, সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও চিকিৎসক সমাজের প্রতিনিধিগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।