প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর নেতৃত্বে ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলের মালয়েশিয়া সফর চুড়ান্ত


117 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর নেতৃত্বে ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলের মালয়েশিয়া সফর চুড়ান্ত
নভেম্বর ১, ২০১৯ প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

শেখ সেকেন্দার আলী, মালয়েশিয়া প্রতিনিধি।

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম শ্রমবাজার, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণ সহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক আলোচনার জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর নেতৃত্বে ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল মালয়েশিয়ার সফর চূড়ান্ত করেছে।
৫ থেকে ৮ নভেম্বর মালেশিয়ার পুত্রাজায়া সেদেশের মানব সম্পদ মন্ত্রণালয় সহ মাহাথির সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীবর্গের সঙ্গে আলোচনা করার কথা রয়েছে। আলোচনায় প্রাধান্য পাবে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত সহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন আলোচনা।
উল্লেখ্য চলতি বছরের ১৪ মে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী (তখন প্রতিমন্ত্রী) ইমরান আহমদ মালয়েশিয়া সফরে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তানশ্রি মুহিউদ্দিন ইয়াসিন ও মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলাসেগারানের সাথে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের অগ্রগতি হিসেবে ২৯ ও ৩০ মে মালয়েশিয়ায় দু’দেশের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের আরেকটি বৈঠক হয়। কিন্তু সেখান থেকেও শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে কোনো রূপরেখা পাওয়া যায়নি।
গত ৭ জুলাই মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুউদ্দিন বিন আব্দুল্লাহর বাংলাদেশ সফরের বৈঠক শেষে পরারাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছিলেন, আগস্টেই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। আসছে মিটিংয়ে দুই দেশের আলোচনার মধ্য দিয়ে শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে আশাবাদী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ । এদিকে মালয়েশিয়ায় প্রচুর শ্রমিকের চাহিদা থাকার কারণে, মালয়েশিয়া চায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার উন্মুক্ত হোক। রীতিমতো মালয়েশিয়ার বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে শ্রমিক সঙ্কটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মালয়েশিয়ার বিভিন্ন কলকারখানার মালিকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারকে জানানো হয়েছে, যদি এইভাবে শ্রমিক সংকট অব্যাহত থাকে তাহলে এদেশের কলকারখানা বন্ধ করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। মালয়েশিয়ার সরকার চাচ্ছে, মালয়েশিয়ার বেকারত্ব হার কমিয়ে, মালয়েশিয়ার নাগরিকদের দিয়ে সে দেশের শ্রমিক সংকট কাটিয়ে উঠতে। বর্তমান মালয়েশিয়া শ্রমিক সংকটের বড় একটি অংশ সে দেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের দিয়ে মিটিয়ে নিচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অব্যবস্থাপনায় ভর্তি পরিক্ষা অনুষ্ঠিত

নাজমুল আলম মুন্না, সাতক্ষীরা।
১ নভেম্বর ২০১৯ শুক্রবার সকাল ১০ টায় সম্পুর্ন অব্যবস্থাপনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গোপালগঞ্জের F -unit এর Admission Test 2019 অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থী। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ Admission Test এর জন্য ব্যবস্থা করেছে গ্রাউন্ড ফ্লোরে। সেখানে কয়েকজন অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে সরাসরি সেখানে গেলে দেখা যায় ছাত্র -ছাত্রীদের পরিক্ষার জন্য চারিদিক ঘেরা একাডেমিক ভবনের নিচে এক পত্তা সামিয়ানা টানানো হয়েছে এবং সারিবদ্ধভাবে বেঞ্চ সাজানো হয়েছে। কিন্তু কোন সীটপ্লান নেই। যে যার ইচ্ছামতো বসে পরিক্ষা দিয়েছে কোন নিয়ম ছাড়াই। তারপর প্রচন্ড গরমে শিক্ষার্থীদের যে বেঞ্চে বসিয়ে পরিক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করেছে কর্তৃপক্ষ সেটা দেখলে আপনারই মন খারাপ হয়ে যাবে। কারন সেই বেঞ্চটিতে এতো ধুলা-ময়লা ও অপরিস্কার অপরিচ্ছন্ন রয়েছে মনে হয় কোনদিনই সেটা পরিস্কার করা হয়নি। সেখানকার পরিবেশ এতো খারাপ যে সেই বেঞ্চে বসার কোন উপায় নেই। তবুও ছাত্র ছাত্রীরা কোন উপায় না পেয়ে পরিক্ষা দিতে বাধ্য হলো। কেন এই অব্যবস্থাপনা এবং নোংরা পরিবেশ। ঢাকা থেকে আগত অভিভাবক রেহানা আক্তার ও সালমা ইসলাম, খুলনা সোনাডাঙ্গার ইউসুফ আলী বেপারী, কুমিল্লা থেকে আগত কিংকর সাহা, দিনাজপুর থেকে রশিদুল হাসান, রাজশাহীর থেকে ইদ্রিস আলী, নওগা থেকে আজমিরা খাতুনসহ কয়েকজন অভিভাবক প্রশ্ন করেছেন কি কারনে সেখানকার পরিবেশ এতো নোংরা হলো? জাতীর পিতার নামের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের টয়লেটগুলো এতো নোংরা পরিবেশ রয়েছে যে, সেখান যাওয়ার অবস্থা নেই। কেন কি কারনে সেখানকার প্রতিবেশ নেতিবাচক অবস্থা তৈরি হলো তার কারন জানতে তদন্ত হওয়া উচিৎ বলে মনে করেন। সেখানে উপস্থিত অনেক শিক্ষার্থী ও কয়েকজন অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন আমাদের ছেলে মেয়েরা এখানে পরিক্ষা দিতে এসেছে টাকা দিয়ে এটাতো বিনা পয়সায় হচ্ছে না। একটি ইউনিটের জন্য প্রত্যেককে ৯শ টাকা দিতে হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় খাতে কোটি কোটি টাকা আয় হয়েছে অথচ
যাদের জন্য পরিক্ষা তাদেরকে খোলা ময়দানে সামান্য সামিয়ানার নিচে কোন ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়নি। এছাড়া বৃষ্টি হলে সব পরিক্ষা তছনছ হয়ে যেত। প্রচন্ড
গরমে শিক্ষার্থীদের কেন এতো আজাব সহ্য করে পরিক্ষা দিতে হলো। তাহলে এটা কি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনিহা নাকি অন্য কিছু সচেতন মহল জানতে চায়।