বকেয়া বিল উত্তোলনের নামে স্থাথ্যকর্মীদের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা হাতিয়ে নিলেন শ্যামনগর হাসপাতালের ক্যাশিয়ার


410 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বকেয়া বিল উত্তোলনের নামে স্থাথ্যকর্মীদের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা হাতিয়ে নিলেন শ্যামনগর হাসপাতালের ক্যাশিয়ার
মে ১১, ২০১৬ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

এস কে সিরাজ, শ্যামনগর :
শ্যামনগর শ্যামনগর হাসপাতালের ক্যাশিয়ার আব্দুস সাত্তার স্বাস্থ্য কর্মী,স্বাস্থ্য সহকারী কর্মী ও কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যকর্মীদের নিকট থেকে তাদের বকেয়া বা এরিয়া বিল উত্তোলনের জন্য এবং একাউন্স অফিসে ঘুষ দেয়ার কথা বলে প্রত্যেকের  নিকট থেকে ৮’শ টাকা করে আদায় করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া অফিস স্টাফসহ দুই শতাধিকের উর্দ্ধে কর্মচারীদের নিকট উপরোক্ত এ বিল ছাড়ার জন্য প্রত্যেকের নিকট থেকে প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকার বেশী হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি।

একাধিক স্বাস্থ্যকর্মী সহকারী কর্মীদের সাথে কথা হলে, তারা বলেন, আমাদের বকেয়া বিল তুলতে উপজেলা হিসাব রক্ষক অর্থ্যাৎ একাউন্স অফিসে ঘুষ দিতে হবে। অন্যথায় বিল উত্তোলন করা সম্ভব নয়। টাকা দিলে বিল ছাড়ানো হবে, না দিলে আপনাদের মত করে আপনাদের বিল ছাড় করাতে হবে।
এভাবে হাসপাতালেরর ক্যাশিয়ার আব্দুস সাত্তার হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের নিকট থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।এদিকে হাসপাতালের ক্যাশিয়ার আব্দুস সাত্তার এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন,আমি কোন টাকা নেয়নি। কমিউনিটি ক্লিনিকের রবিউল এটাকা নিয়েছে। তবে রবিউল ইসলাম, বলেছেন,  যে ক্যাশিয়ার টাকা নিয়েছে তখন আমি ঢাকায় ছিলাম। ক্যাশিয়ার আমাদের কমিউনিটি ক্লিনিকের ৩৯ জনের নিকট থেকে সে আটশত টাকা করে নিয়েছেন। এছাড়া স্বাথ্য সহকারী কর্মী  সহ প্রায় দু” শত স্টাফদের কাছ থেকে এ বাবদ টাকা নেয়া হয়েছে। এদিকে একাউন্স অফিসের দ্বায়িত্বে থাকা নিরন্জন বাবুর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, হাসপাতালেরর ক্যাশিয়ার আমার কোন টাকা দেন নি। এছাড়া এ বিষয় আমি কিছুই জানিনা। ক্যাশিয়ারের সাথে আরো কয়েকজন জড়িত আছেন বলে নাম প্রকাশ না তরার স্বর্তে জানিয়েছেন। এভাবে কৌশলগত পরিবেশে সাধারন কর্মচারীদের জিম্মি করে এভাবে অহেতুক টাকা নেয়ায় সচেতন মহল, এঘটনায় জেলা সিভিল সার্জন – সাতক্ষীরা  মহোদ্বয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তবে শ্যামনগর হাসপাতালেরর স্বাথ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ হাবিবুর রহমান একজন পরিছন্ন ব্যক্তি। তিনি আপ্রান চেষ্টা করছেন, হাসপাতাল কে জন বান্ধব স্বাথ্য সেবায় পরিনত করতে।  শ্যামনগর হাসপাতালেরর স্বাথ্য কমিটির সভাপতি ও শ্যামনগরের চার লক্ষ মানুষের অভিভাবক এম পি এস এম জগলুল হায়দার বলেন,এধরনে অনিয়ম ও দুর্নিতীর সাথে যারা জড়িত থাকবে,তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।