বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা


433 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা
জানুয়ারি ১০, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

সেলিম হোসেন :
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ছিলেন বাঙ্গালী জাতীর সর্বকালের শ্রেষ্ট সন্তান। তিনি ছিলেন হিমালয় পর্বত সমতুল্য মানুষ। তিনি সারা জীবন দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন।

একটি স্বাধীন দেশের নাম, একটি পতাকার নাম, একটি স্বাধীনতার নাম, বাংলার ইতিহাসের নাম হল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। আজকে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনচেতা মনোভাবের কারণে আমরা চাকরি করতে পারছি, মাথা উচু করে গর্বের সাথে চলাফেরা করতে পারছি।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কাল রাত্রে পাক বাহিনী বঙ্গবন্ধু কে ধরে পাকিস্থান কারাগারে যে সেলে রাখা হয়েছিল তার পাশের সেলেই একটি কবর খুড়ে রাখা হয়েছিল যেটিকে দেখিয়ে বঙ্গবন্ধুকে বলা হত যেকোন সময় তোমাকে জীবিত কবর দেওয়া হবে।

তারপরও তিনি ভয় না পেয়ে তাদেরকে বলেছিলেন তোমরা যদি আমাকে মেরে ফেল তবে আমার লাশটি বাংলার মাটিতে পাঠিয়ে দিও। বাংলার মাটি বাংলার জনগনের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভালবাসা এতটাই প্রখর ছিল।
বাংলা নামক রাষ্ট্রের যেন জন্ম না হতে পারে সেজন্য পাকিস্থান সরকার, ইয়াহিয়া খান, আইয়ুব খান যেমন ষড়যন্ত্র করেছিল ঠিক তেমনি বর্তমানে বাংলার মাটিতে থাকা পাকিস্থানের দালাল বেগম খালেদা জিয়া ও তার পুত্র তারেক জিয়া বর্তমান প্রধানমনত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশকে আবারোও পাকিস্থানের হাতে তুলে দেওয়ার পায়তারা করছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর ৪৪ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

রোববার সকাল ১১টায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর ৪৪ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা আরোও বলেন, বেগম জিয়া মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে যে কটুক্তি করেছে সেটা বাঙ্গালী জাতীর জন্য খুবেই দুঃখ জনক ঘটনা।
এ কুরুচি পূণ্য বক্তব্য দেওয়ার জন্য বাংলার মানুষের কাছে ক্ষমা না চাইলে বাহিরে বের হতে পারবেন না। বাংলার মানুষের জনরোশের মুখে পাকিস্থান সরকার বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিলে তিনি লন্ডন, ভারত হয়ে বাংলার মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন। যেটা ছিল বাংলার মানুষের জন্য গর্বের বিষয়।
কিন্তু দুঃখের বিষয় আমরা আজ সেই বঙ্গবন্ধুর দলের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নেই, আমাদের নিজেদের মধ্যে শ্রদ্ধাবোধ নেই, দেশ প্রেম নেই। আমাদের মধ্যে এগুলো জাগ্রত করতে হলেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়িত হবে।

সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন এর সভাপতিত্বে আলোচনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মুনসুর আহমেদ।
প্রধান আলোচক ছিলেন জেলা আয়ামীলীগের সনাধারণ সম্পাদক আলহজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম।
শ্রমিকলীগ নেতা শেখ হারুন উর রশিদের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু আহমেদ ও শেখ সাহিদ উদ্দীন, সাবেক সহ-সভাপতি আবুল খায়ের, সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, পৌর সভাপতি আবু সায়ীদ,জেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু, জেলা শ্রমিকলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল্লাহ সরদার, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাসানুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান অসলে, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন, সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন মারুফ, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের আহবায়ক রাশিদুজ্জামান রাশি। উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান, কোষাধ্যক্ষ আসাদুল হক চেয়ারম্যান, উপ দপ্তর সম্পাদক মীর মোশাররফ হোসেন মন্টু, শেখ আব্দুর রশিদ, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর হোসেন, মহিলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহানা মহিদ, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী আক্তার হোসেন ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এহসান হাবিব অয়ন প্রমুখ।