‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত আরও ১২


345 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত আরও ১২
মে ২৬, ২০১৮ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::
দেশব্যাপী চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যে শুক্রবার গভীর রাত থেকে শনিবার ভোররাত পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নয়জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কুমিল্লায় দু’জন, ময়মনসিংহ, চাঁদপুর, পাবনা, ঠাকুরগাঁও ও কুড়িগ্রামে একজন করে নিহত হয়েছে। র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দিনাজপুর ও জয়পুরহাটে নিহত হয়েছে একজন করে মোট দু’জন। এছাড়া দিনাজপুর, বরগুনা ও ফেনীতে আরও তিনজন নিহত হয়েছে ‘নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে’।

পুলিশ ও র‌্যাব বলছে, নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:

কুমিল্লা: কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই বাবুল ও আলমাস নামে দুইজন নিহত হয়েছে।

নিহত বাবুল ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আশাবড়ি এলাকার মালেকের ছেলে এবং আলমাস উত্তর তেতাভূমি এলাকার আফাজ উদ্দিনের ছেলে। এদের মধ্যে বাবুলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদকসহ ১৬টি ও আলমাসের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাস্থল থেকে পিস্তল ও ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধারের কথা জানিয়ে পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় তাদের তিন সদস্য আহত হয়েছে।

ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি সৈয়দ আবু মোহাম্মদ শাহজাহান কবির জানান, শুক্রবার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল ব্রাহ্মণপাড়ার বাগড়া রামচন্দপুর সড়কে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি ছুড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে দুই মাদক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

দিনাজপুর: বীরগঞ্জ উপজেলায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাবদারুল (৪০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। এছাড়া সদর উপজেলায় ‘নিজেদের মধ্যে গোলাগুলি’তে আরেক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত সাবদারুল বীরগঞ্জ উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের নান্দাইল গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে। সদর উপজেলায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

র‌্যাব-১৩ দিনাজপুর সিপিসি ক্যাম্প-১ এর অধিনায়ক মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা রাতে উপজেলার বাসুদেবপুর এলাকায় অভিযানে যায়। সেখানে মাদক পাচাররত একদল মাদক ব্যবসায়ী র‌্যাবের ওপর হামলা চালালে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই সাবদারুল নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়।

ঘটনাস্থল থেকে থেকে দুই পোটলা গাজা, ৯৫ বোতল ফেনসিডিল, একটি বিদেশি পিস্তল ও ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে জানিয়ে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, এই ঘটনায় র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিহত সাবদারুল এলাকার চিহ্নিত একজন মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে অন্তত ৪০টি মামলা রয়েছে।

এদিকে দিনাজপুর কোতোয়ালী থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, ভোররাতে সদর উপজেলার রামসাগরের পশ্চিমপাড় এলাকায় গোলাগুলির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সেখানে এক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ উদ্ধার করে দিনাজপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

ঘটনাস্থল থেকে ২শ’ বোতল ফেনসিডিল, একটি হাসুয়া, ৪টি ককটেল, একটি পিস্তল ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে দু’পক্ষের গোলাগুলিতে এই ব্যক্তি নিহত হয়েছে। তারব্যক্তির নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ): ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মো. শাহজাজান (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার আঠারবাড়ি ইউনিয়নের উত্তরবনগাঁও গ্রামে এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে জানিয়ে পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসিসহ তাদের তিন সদস্য আহত হয়েছে।

নিহত শাহজাহান উত্তরবনগাঁও গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. বদরুল আলম খান জানান, ঈশ্বরগঞ্জের আঠারবাড়ি ইউনিয়নের তেলুয়ারি মোড় এলাকার একদল মাদক ব্যাবসায়ী মাদক ভাগাভাগি করছে— এমন খবরের ভিত্তিতে তিনি ও ময়মনসিংহ গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবির) ওসি আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ ও ডিবির একটি যৌথদল সেখানে অভিযানে যায়।

তিনি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট, পাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি গুলি ছোড়ে। তখন পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। উভয়পক্ষের মধ্যে গুলির এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটে। পরে সেখানে শাহজাহানকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে ২০০ গ্রাম হেরোইন, পাঁচটি গুলির খোসা, ১টি রামদা, ১টি কিরিচ উদ্ধার করা হয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, শাহজাহানের বিরুদ্ধে থানায় মাদকের ৮টি মামলা রয়েছে।

চাঁদপুর: কচুয়া উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাবলু (৩৫) নামে একজন নিহত হয়েছে।

শুক্রবার ভোররাত ৩টার দিকে উপজেলার ১০ নম্বর আশরাফপুর ইউনিয়নের বনরা গ্রামে ‘বন্দকুযুদ্ধের এই ঘটনা ঘটে জানিয়ে পুলিশ বলছে, বাবলু একজন মাদক ব্যবসায়ী, তার বিরুদ্ধে ৫টি মামলা রয়েছে।

নিহত বাবলু বনরা গ্রামের সুলতার মিয়ার ছেলে। তার বাড়ি থেকে ১১০ পিস ইয়াবা উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও থানা পুলিশ বাবলুর বাড়িতে যৌথ অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে বাবলু গুলিবিদ্ধ হয়। পরে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

পাবনা: সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আব্দুর রহমান নামে একজন নিহত হয়েছে।

শুক্রবার রাত ২টার দিকে পাবনা শহর সংলগ্ন মহেন্দ্রপুর এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’র এ ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছে জানিয়ে পুলিশ বলছে, আব্দুর রহমান একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে।

নিহত আব্দুর রহমান সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের কবিরপুর এলাকার প্রয়াত আছের উদ্দিন শেখের ছেলে।

পাবনার পুলিশ সুপার জিহাদুল কবীর পিপিএম জানান, শুক্রবার আব্দুর রহমানকে গ্রেপ্তারের পর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাত ২টার দিকে পুলিশ তাকে নিয়ে মহেন্দ্রপুর এলাকায় মাদক উদ্ধারে যায়। সেখানে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করে ও গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় আব্দুল রহমান পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়। উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশে তৈরি শাটারগান, তিন রাউন্ড গুলি, চার রাউন্ড গুলির খোসা ও ২০০ পিস ইয়াবা ও পাঁচ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশ সুপার।

জয়পুরহাট: পাঁচবিবি উপজেলায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রিন্টু নামে একজন নিহত হয়েছে।

শুক্রবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার ভীমপুর গ্রামে একটি ইটভাটার পাশে ‘বন্দুকযুদ্ধে’র এ ঘটনায় র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছে জানিয়ে র‌্যাব বলছে, রিন্টু এলাকার একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে জয়পুরহাট ও দিনাজপুরের বিভিন্ন থানায় মাদক, চোরাচালান ও অপহরণের মোট ৯টি মামলা রয়েছে।

নিহত রিন্টু উপজেলার উত্তর গোপালপুর গ্রামের ফজলু রহমানের ছেলে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি এক নলা বন্দুক, গুলি ও এক বস্তা ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

জয়পুরহাট র‌্যাব-৫ ক্যাম্পের অধিনায়ক শামীম হোসেন জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ভীমপুর এলাকায় একটি ইট ভাটাতে মাদক কেনাবেচা চলছে— এমন খবর পেয়ে র‌্যাবের একটি দল সেখানে অভিযানে যায়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি ছুড়লে র‌্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয় রিন্টু। পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বরগুনা: সদর উপজেলায় মাদক ব্যবসায়ীদের দুই গ্রুপের মধ্যে ‘গোলাগুলিতে’ ছগির খান (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার ভোররাতে উপজেরার ৪ নম্বর কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের জাকিরতবক এলাকায় এ ঘটনায় ঘটে জানিয়ে পুলিশ বলছে, ছগিরের বিরুদ্ধে মাদকের ৮টি মামলা রয়েছে।

নিহত ছগির উপজেলার ১নং বদরখালী ইউনিয়নের ফুলতলা গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মাসুদুজ্জামান জানান, ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশের নিয়মিত টহল চলছিল। এ সময় হঠাৎ গুলির শব্দ শুনে জাকিরতবক এলাকায় গিয়ে পুলিশ ছগিরের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে। ঘটনাস্থলে ১টি পাইপগান, ৫ রাউন্ড গুলি, ১০০ পিস ইয়াবা ও কিছু নগদ টাকাও পাওয়া যায়।

ওসি জানান, ধারণা করা হচ্ছে, মাদক ব্যবসায়ী মনির গ্রুপের সঙ্গে এই সংঘর্ষে ছগির নিহত হয়েছে।

ফেনী: সদর উপজেলায় ‘দুই পক্ষের গোলাগুলিতে’ কবির হোসেন (৫০) নামে একজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার ভোররাতে উপজেলার কাজিরবাগ ইউনিয়নের রুহুতিয়া রাস্তার মাথা থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয় জানিয়ে পুলিশ বলছে, ডাকাতি ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে।

নিহত কবির পরশুরাম উপজেলার ধনিকুণ্ডা গ্রামের আবুল খালেক বেতু মিয়ার ছেলে।

ফেনীর মডেল থানার ওসি রাশেদ খান চৌধুরী জানান, ভোররাতে রুহুতিয়া ব্রিকস ফিল্ড এলাকায় গোলাগুলির খবর পায় পুলিশ। সেখানে গিয়ে কবির হোসেন নামে একজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছ, নিজেদের দু’পক্ষের মধ্যে গোলাগুলিতে তিনি নিহত হয়েছেন।

ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক, একটি কার্তুজ ও একটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, তার বিরুদ্ধে ১০টি মামলা রয়েছে।

ঠাকুরগাঁও: সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মোবারক হোসেন কুট্টি নামে একজন নিহত হয়েছে।

শনিবার ভোররাতে উপজেলার পশ্চিম বেগুনবাড়ি ইউনিয়নে ‘বন্দুকযুদ্ধে’র এ ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছে জানিয়ে পুলিশ বলছে, মোবারক একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা রয়েছে।

নিহত মোবারক উপজেলার ছিট চিলারং গ্রামের প্রয়াত শফির উদ্দিনের ছেলে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি আব্দুল লতিফ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোররাতে পুলিশ পশ্চিম বেগুনবাড়ি ইউনিয়নে অভিযান চালায়। এ সময় সেখানে অবস্থানরত মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ী কুট্টি গুলিবিদ্ধ হয়। উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বন্দুকের কার্টুজ ও বেশকিছু দেশি অস্ত্র উদ্ধার করেছে জানিয়ে ওসি বলেন, মাদক ব্যবসায়ী মোবারকের বিরুদ্ধে সদর থানায় ১৫টি মামলা রয়েছে।

কুড়িগ্রাম: ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের গুলিতে ইব্রাহীম আলী নামে একজন নিহত হয়েছে।

শনিবার ভোরে উপজেলার ময়দান সীমান্ত এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সোয়া ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহত ইব্রাহীম উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের নাউডোর বাঁশঝানি এলাকার ইনছাব আলীর ছেলে।

পুলিশ বলছে, ইব্রাহীম একজন মাদক ব্যবসায়ী। তিনি মাদক পাচার সিন্ডিকেটের প্রধান ছিলেন।

ভুরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ কবির জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশ সীমান্তঘেষা দক্ষিণ বাঁশজানী গ্রামে মাদক উদ্ধারে গেলে চোরাকারবারিরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালালে ইব্রাহীমের ডান পায়ে গুলি লাগে। পরে তাকে ভুরুঙ্গামারী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে কুড়িগ্রাম হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সোয়া ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

চোরাকারবারিদের হামলায় পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছে বলেও জানান ওসি।

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আনোয়ারুল হক প্রামাণিক জানান, ডান পায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ইব্রাহীমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।