বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে প্রস্তুত চীন : শি জিনপিং


102 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে প্রস্তুত চীন : শি জিনপিং
অক্টোবর ৪, ২০২০ জাতীয় প্রবাস ভাবনা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

চীন-বাংলাদেশ কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে এবং দু’দেশের সম্পর্ক আরও সুসংহত করতে চীন প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিনি বলেন, যৌথভাবে বহু বিলিয়ন ডলারের বেল্ট অ্যান্ড রোডের নির্মাণ এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার জন্য তার দেশ প্রস্তুত রয়েছে।

বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৪৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে রোববার রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে অভিনন্দন বার্তা বিনিময় অনুষ্ঠানে শি জিনপিং এ মন্তব্য করেন।

শি জিনপিং তার বার্তায় চীন-বাংলাদেশের বন্ধুত্বের দীর্ঘ ইতিহাসের কথা স্মরণ করে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে উন্নয়নের কৌশল আরও সুসংহত করতে এবং চীন-বাংলাদেশ সহযোগী অংশীদারিত্ব আরও এগিয়ে নিতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে কাজ করতে তার দেশ প্রস্তুত রয়েছে। খবর জিনহুয়া, হিন্দুস্তান টাইমস ও এনডিটিভির

চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ৪৫ বছর আগে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে দু’দেশই সর্বদা একে অপরকে সম্মান জানিয়ে এসেছে। পারস্পরিক রাজনৈতিক বিশ্বাসকে বাড়িয়ে তুলেছে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করেছে; যা দুই দেশের জন্যই সুস্পষ্ট সুবিধা বয়ে এনেছে।

শি জিনপিং বলেন, করোনা মহামারিতে চীন ও বাংলাদেশ উভয়ই নানা সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একে অপরকে সহায়তা করেছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপাক্ষীয় সম্পর্কের নতুন অধ্যায় রচিত হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বার্তায় বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক দ্রুত বিকাশ লাভ করছে। দু’দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে; যাকে বাংলাদেশ অনেক গুরুত্ব দেয়।

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অগ্রগতিতে চীনের অব্যাহত সহায়তার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ভবিষ্যতে দু’দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর হবে।

এছাড়া রোববার চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে অভিনন্দন বার্তা বিনিময় করেন।

লি কেকিয়াং তার বার্তায় বলেন, চীন বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করতে এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব স্থিতিশীল ও টেকসই করার ব্যাপারে আগ্রহী; যার লক্ষ্য হলো উভয় দেশের জনগণের উন্নতি।