বাংলাদেশে লক্ষ্যাধিকের বেশী বিলুুপ্ত হয়ে শকুনের সংখ্যা বর্তমানে মাত্র ২৩৫টি


375 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বাংলাদেশে লক্ষ্যাধিকের বেশী বিলুুপ্ত হয়ে শকুনের সংখ্যা বর্তমানে মাত্র ২৩৫টি
সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৫ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

খুলনা প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ থেকে শকুন বিলুপ্ত হতে চলেছে। এক সময় ছিল লক্ষ্যাধিকেরও বেশী শকুন।আজ এদের সংখ্যা মাত্র ২৩৫ টি। এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে বন অধিদপ্তর আয়োজিত একটি সেমিনার থেকে। বৃহস্পতিবার খুলনা অফিসার্স ক্লাবে বন অধিদপ্তর , ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ও আইইউসিএন

অর্থায়নে এই সেনিারের আয়োজন করে। সেমিনারের তথ্য মতে, দেশে তিন প্রজাতির শকুন স্থায়ীভাবে বসবাস করত। রাজ শকুন (যা বাংলাদেশ থেকে ইতমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ), বর্তমানে বাংলা শকুন ও সরুঠুটি শকুন আবাসিক শকুন হিসাবে খুব কম সংখ্যক দেশে বিক্ষিপ্ত অঞ্চলে টিকে আছে। সেমিনারে  শকুন সহাহিকায় প্রকাশ পায় , এক সময় বাংলা শকুন দেশজুড়ে পাওয়া যেত ।

এখন দুর্লভ, যা বৃহত্তর সিলেট ও খুলনা অঞ্চলের কিছু কিছু জাযগায় বসবাস করে। বর্তমানে এদের
সংখ্যা পাঁচশ এর নিচে নেমে এসেছে। তথ্যে জানানো হয় ,গত দুই দশকে ভারতীয় উপমহাদেশে
এই শকুনের সংখ্যা ৯৯.৯% কমে গেছে। ইতমধ্যে আইইউসিএন একে মহাবিপদাপন্ন পাখির তালিকায় স্থান  দিয়েছে। বাংলা শকুন খুব দ্রুত হাওে হ্রাস পাওয়ায় বিশ্বজুড়ে খুব অল্প সময়ে এ বিলুপ্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে । সেমিনাওে আর জানান হয় , বাংলাদেশে শকুনের সংখ্যা ও আবাসস্থল যথাযথ ভাবে পর্যবেক্ষন করার বিজ্ঞানসম্পত কোন প্রক্রিয়া নেই। আইইউসিএন একটি প্রকল্পের মাধ্যমে (ভিএসজেডএস) শকুন সংরক্ষণে কাজ শুরু করেছে। এর মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদী পর্যবেক্ষণ দলও থাকছে। দেশে শকুন বিলুপ্তির প্রধান ও অন্রতম কারন হিসাবে বিশেষজ্ঞরা চিহিন্ত
করেছে যে, গরুর ব্যাথানামক ওষুধ ডাইক্লোফেনাক, কিটোপ্রফেন ব্যপকহারে ব্যবহারের ফলে
শকুনের মৃত্যু ও বিলুপ্তির কারন।

 

গরুর দেহে এই ওষুধ প্রয়োগের পর কোন গরু মারা যাওয়ার পর
ঐ গরুর মাংস ভোক্ষণ এর ফলে শকুনের কিডনী অচল হয়ে যায় এবং ওড়ার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলে । এক সময় তার মৃত্যু হয়। এ দুটি ওষুধ সরকার ইতমধ্যে বিলুপ্ত করেছে ।  সেমিনারে একাধিক বক্তা নিশ্চিত করেন যে, দেশে শকুনের সংখ্যা সর্বনি¤œ ২৩৫ বেশী নয়। খুলনা সার্কেলের বন সংরক্ষক সুনীল কুমার কুন্ডুর সভাপতিত্বে সেসিনাওে প্রধান অতিথি ছিরেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আব্দুস সামাদ। বক্তৃতা করেন পাখি বিমেসজ্ঞ এনামুর হক , ডিএফও জাহিদ হোসেন , ডিসি মোস্তফা কামাল , এসপি হাবিবুর রহমান প্রমুখ।