বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি সাতক্ষীরা জেলার পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা


393 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি সাতক্ষীরা জেলার পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২১ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

আবু ছালেক ::

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখা কর্তৃক বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন। রাত ১২ টা ১ মিনিটে সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে শহীদ মিনারে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন জানানোর জন্য বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার পক্ষ থেকে, জেলা শাখার কার্যালয় প্রাঙ্গন থেকে” আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি ” আমরা কি ভুলতে পারি”সুরে সুরে সুর মিলিয়ে,বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি সাতক্ষীরা জেলা শাখার পক্ষ থেকে ব্যানার ও ফুল নিয়ে সবাই চলতে থাকে শহীদ মিনারে,যার নের্তৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহসভাপতি আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর হোসেন মোল্যা,সাধারন সম্পাদক মো: আবু ছালেক,যুগ্ন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান,সদস্য সামছুর রহমান,এ সময় বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন লেকচার পাবলিকেশনের মিজানুর রহমান মিজান,গ্লোবাল পাবলিকেশনের বৃন্দাবন ব্যানার্জি সহ বই কাননের মকবুল হোসেন,পপি লাইব্রেরির মামুন হোসেন,পুথিঘরের মহিদুর রহমানের পক্ষে মিজানুর রহমান,সাতক্ষীরা বুক হাউজের নাসির উল্লাহ ভুইয়ার পক্ষে প্রানেশ মন্ডল,আলম লাইব্রেরি,সরকার বুক ডিপো,বই মেলা,আজাদ বুক ডিপো, রহমানিয়া লাইব্রেরি,জননী লাইব্রেরি,ন্যাশনাল বুক ডিপো,সালেহা লাইব্রেরি,পুথিঘর সহ সাতক্ষীরা জেলার সকল লাইব্রেরির পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন জনানো হয় শহীদদের প্রতি, মুখের ভাষার জন্য প্রাণ দিয়ে বিরল ইতিহাস গড়েছে বাঙালি। প্রাণের ভাষা বাংলাকে উর্দুর পাশাপাশি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে গড়ে ওঠা দুর্বার আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত, রফিক প্রমুখের তাজা রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ। যার ফলে বাংলা ভাষা পায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা। তারই পথ ধরে শুরু হয় বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন এবং একাত্তরে ৯ মাস পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।
মহান একুশের শহীদদের আত্মত্যাগ বিশ্বসভায় পেয়েছে অনন্য মর্যাদা। সেই রক্তাক্ত স্মৃতিবিজড়িত অমর একুশে ফেব্রুয়ারি । শোক আর গর্বের মহিমান্বিত একটি দিন। জাতীয় শহীদ দিবস। দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবেও বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে প্রতিবছর। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গান গেয়ে শহীদদের স্মরণে বুকে কালো ব্যাজ ধারণ করে, শ্রদ্ধার ফুল হাতে মানুষের পদযাত্রা হয় শহীদ মিনার অভিমুখে। স্মৃতির মিনারে শ্রদ্ধায় অবনত হয় লাখো মানুষ। সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এ দিনে। আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্মরণ করে রাখা হয় একুশের আত্মত্যাগ ও মহিমা।
ফেব্রুয়ারি মাস একুশের শহীদের স্মৃতিবাহী শোকাবহ মাস হলেও আত্মত্যাগ ও আত্মজাগরণের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের কারণে দিনটিকে উদযাপন করা হয় পরম মমতায়। দিনটি চির স্বরনিয় হয়ে থাকবে এবং প্রতিবছর যথাযথ মর্যাদায় পালন হচ্ছে দিনটি।