বাগেরহাটের চিতলমারীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২০


334 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বাগেরহাটের চিতলমারীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২০
অক্টোবর ৬, ২০১৫ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট :
বাগেরহাটের চিতলমারীতে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে  দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে মান্নান শেখের অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় হাসপাতালে নেয়ার পথে মান্নান শেখের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে । চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান,  ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে  সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার বড়গুনি গ্রামের সিরাজ শেখ ও বাবুলু শেখের জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় উভয় পক্ষের লোকজন রাম দা, সড়কি, লাঠি ও কুড়ালসহ  দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে তাদের মধ্যে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেণে আনে। এ সময় সংঘর্ষে প্রায় ২০জন আহত হয়। আহতদের চিতলমারী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসা হলে তাদের মধ্যে সিরাজ শেখ গ্র“পের মান্নান শেখের অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ।
এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে জেলা হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চিতলমারী থানার এস আই মো. সাঈদুর রহমান জানান, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে মান্নানের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যার সাথে জড়িতদের আটকের প্রচেষ্টা অব্যাহত রযেছে।
###

বাগেরহাটে অপহরণকারী শিক্ষিকাসহ অপহৃত স্কুল ছাত্রী উদ্ধার
বাগেরহাট জেলা সংবাদদাতা :
বাগেরহাটের চিতলমারীতে শিক্ষিকা কর্তৃক অপহৃত স্কুল ছাত্রী তামান্নাকে  অপহরণের ২৬ দিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গত সোমবার সন্ধ্যায় টেকনাফ শহরে চিরুনি অভিযান চালিয়ে অপহরণের সাথে জড়িত শিক্ষিকা রোহানী ম্যাডামকে পুলিশ আটক করে । এ সময় সেখানকার একটি বাসা থেকে উদ্ধার করা হয় অপহৃত তামান্নাকে।  তামান্নাকে উদ্ধারের সংবাদে তার পরিবার ও স্কুলের সহপাঠি এবং এলাকাবাসির মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে ।পুলিশ ও তামান্নার পরিবার সূত্রে জানা গেছে,  চিতলমারী উপজেলা সদরের হাসিনা বেগম  মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী তামান্না ইয়াসমিন(১৫) কে গত ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে  মোবাইল ফোনে  প্রাইভেট শিক্ষিকা রিক্তা মোহনা ওরফে রোহানী প্রাইভেট পড়ানোর কথা বলে ডেকে এনে অপহরণ করে। এ দিন তামান্না বাসায় না ফেরায় রাতেই পরিবারের লোকজন খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, রোহানী  ম্যাডাম তাকে নিয়ে উধাও হয়েছেন। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও তামান্নার আর কোন সন্ধান মেলেনি।

এ ঘটনায় তামান্নার পিতা চিতলমারী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের টেকনিশিয়ান মো. গোলাম সরোয়ার বাদী হয়ে গত ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষিকা রুহানীসহ ৬ জনকে আসামি করে চিতলমারী থানায় একটি  অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে পুলিশ তামান্নাকে উদ্ধারের জন্য খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রাখে। এ ঘটনার ২৬ দিন পর গত সোমবার মোবাইলের কললিষ্ট ধরে চিতলমারী থানার এসআই রফিক আহম্মেদ টেকনাফ পুলিশের সহায়তায় ওই শহরে অভিযান চালিয়ে অপহরণকারী শিক্ষিকা রোহানী কে আটক করে। এ সময় সেখানকার একটি বাসা থেকে অপহৃত তামান্নাকে উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে চিতলমারী থানার এসআই রফিক আহম্মেদ জানান, তামান্নাকে উদ্ধার  করে টেকনাফ থেকে চিতলমারীর উদ্যেশ্যে রওনা দেয়া হয়েছে। এলাকায় এসে বিস্তারিত জানানো হবে।

##

বাগেরহাটে পাঠ্যপুস্তকবাহী ট্রাক উল্টে, আহত ৩
বাগেরহাট জেলা সংবাদদাতা :
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে যাওয়ার পথে সরকারি পাঠ্যপুস্তকবাহী একটি ট্রাক উল্টে চালকসহ তিনজন আহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা সড়কের স্টিলব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।আহতরা হলেন-ট্রাকের চালক অহিদুল ইসলাম (৩০), হেলপার হাবিবুর রহমান (২৮) ও বই সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মো. মিজানুর রহমান।ট্রাকটিতে এক লাখ ৩০ হাজার মাধ্যমিক স্তরের বই ছিল। শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণের জন্য ঢাকা থেকে পাঠানো সরকারি ওই বই মোরেলগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসে নেওয়া হচ্ছিল।মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, চালক রাস্তা ভুল করে ট্রাক নিয়ে শরণখোলার দিকে চলে যান। পথে রাস্তার গভীর গর্তে চাকা গেড়ে ট্রাকটি উল্টে যায়। এতে ট্রাকে থাকা তিনজন আহত হন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।পরে বইগুলো ভ্যানে করে উপজেলা শিক্ষা অফিসে নেওয়া হচ্ছে।