বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে তিনহাজার পরিবারের মধ্যে ঈদ বস্ত্র বিতরণ


366 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে তিনহাজার পরিবারের মধ্যে ঈদ বস্ত্র বিতরণ
সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৫ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট থেকে :
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌরসভার তিনহাজার লোকের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ করেছেন সমভাব্য মেয়র প্রার্থী বিশিষ্ট সমাজসেবক শ্রী সোমনাথ দে। প্রতিটি ওয়ার্ড় থেকে ৩শ’টি মধ্যবিত্ত ও নি¤œমধ্যবিত্ত পরিবারে ১টি করে শাড়ি প্রদান করেন। এ ছাড়াও পৌরসভার বাইরের আরো ৩শতাধীক লোকের মাঝে ঈদুল আজহা উপলক্ষে তিনি বস্ত্র বিতরণ করেন। গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে পুলিশ ও স্বোচ্ছাসেবকদের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সেরেস্তাদার বাড়িতে তার নিজ বাসভবনে এই বস্ত্র বিতরণ শুরু হয়েছে। এইস এস ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সোমনাথ দে ২০১৬ সালের পৌরসভা নির্বাচনে একজন সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী।

##
বাগেরহাটে জমতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট ॥ চড়া দামের কারণে বিক্রি কম
এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট থেকে:

ঈদুল-আযহাকে সামনে রেখে বাগেরহাটে কোরবানির পশুর হাটগুলো জমতে শুরু করেছে। তবে চড়া দামের কারণে এখনো ক্রেতাদের অনেকেই হাট ঘুরে কোরবানির পশু না কিনেই ঘরে ফিরছেন। আগামী শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ইতিমধ্যে বাগেরহাট জেলার ছোট-বড় ৫০ টি কোরবানির পশুর হাটে আসতে শুরু করেছে স্থানীয় খামারিদের গরু। এছাড়া বড় হাটগুলোতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাপারীরা গরু নিয়ে এসেছেন। বাগেরহাটের ঐহিত্যবাহী যাত্রাপুর গরুর হাট ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। হাটে আসা মোঃ ইমরান (৩৬) বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে ৫ টি গরু কিনে তিন মাস ধরে বাড়িতে লালন-পালন করেছি। আজ হাটে গরু নিয়ে এসে তেমন ক্রেতা পাচ্ছিনা। হাট শুরুর দু’দিনেও কোন গরু বিক্রি হয়নি।’ ফকিরহাট থেকে গরু নিয়ে আসা ব্যাপারি আবুল কালাম (৫৬) বলেন, ‘এ বছর গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকদের গরু লালন-পালন করতে খরচ অনেক বেশি হয়েছে। তাই দাম একটু বেশি। তবে হাটে আসা ক্রেতারা যে দাম বলছেন তাতে গরু বিক্রি করতে পারছিনা।’ হাটে গরু কিনতে আসা পলাশ বলেন, খুব বেশি না হলেও যাত্রাপুর হাটে গরু-ছাগলের আমাদনি বেশ ভাল। তবে বিক্রেতারা শুরুতেই গরু-ছাগলের অতিরিক্ত দাম হাঁকাচ্ছেন। এ কারণে অনেক ক্রেতাই গরু-ছাগল কিনতে পারছেন না। তবে সামনের দিনগুলোতে দাম কমবে বলে ধারণা তার। বাগেরহাট সদরের আব্দুল জব্বার মল্লিক বলেন, ‘আজই প্রথম হাটে আসলাম। এখনো পুরো হাট ঘুরে দেখিনি। তবে গরু-ছাগলের দাম গতবারের চেয়ে একটু বেশি। বাদল বেগ জানান, যাত্রাপুর এই কোরবানির পশুর হাট প্রায় শত বছরের পুরাতন ঐহিত্যবাহী হাট। হাটে এখন সব দেশি জাতের স্থানীয় গরু। এখনো কোন ভারতীয় গরু আসেনি। এ কারণে দাম একটু চড়া। তবে দাম কমতে পারে।
যাত্রাপুর বাজার ও পশুর হাট কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ মশিউর রহমান পলাশ বলেন, বাজারে ক্রেতার সংখ্যা অনেক। তবে বেচাকেনা কম। শেষ দিকে দাম কমার প্রত্যাশায় এখনো বেচাকেনা জমে ওঠেনি বলে তিনি জানান। বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান জানান, প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে জেলায় ৩৫ টি বড় কোরবানির পশুর হাট বসেছে। এসব হাটে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও দালালদের দৌরাত্ম্য রোধে পুলিশের কঠোর নজরদারি রয়েছে। এছাড়া হাটগুলোতে জাল টাকা রোধে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নিরাপত্তার স¦ার্থে হাটে কেনাকাটায় বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনের সহায়তা নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।