বাগেরহাটে ব্যাংক ম্যানেজার সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা


344 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বাগেরহাটে ব্যাংক ম্যানেজার সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা
মে ১৮, ২০১৬ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট:
বাগেরহাট জেলার ফকিরহাটে দেশের একমাত্র মহিষ উন্নয়ন ও প্রজনন খামারের কর্মচারীর মরণোত্তর অবসর বেতন ভাতা, গ্রাচুয়িটি, প্রফিডেন্ট ফান্ড, বেনোভেলেন্ট ফান্ডের টাকা ওয়ারেশগণের মধ্যে বন্টনে কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন তালবাহানায় মহিষ খামার ও সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার সহ ৫ জনের নামে বাগেরহাট সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।

মামলার বিবরণী ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, দেশের একমাত্র মহিষ উন্নয়ন ও প্রজনন খামারটি বাগেরহাট জেলার ফকিরহাটের পিলজংগ শুকদাড়া নামক স্থানে অবস্থিত। খামারটি স্থাপনের সময় অত্র এলাকার জমি অধিগ্রহণকারীদের, সরকার মানবিক কারনে তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি দেন। এ সকল কর্মচারিরা অধিকাংশ অবসরে চলে গেছে। কয়েক জনের এখনো চাকরির মেয়াদ রয়েছে, ঠিক এমনি একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি তার নাম মোমিন উদ্দিন সরদার। মহিষ খামারের বাউন্ডারী সংলগ্ন তার বাড়ী। মোমিন সরদার কর্মরত অবস্থায় গত ৯ এপ্রিল ২০১৪ ইং তারিখে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে কন্যা শাহানার ও ২য় স্ত্রী জাহানারা বেগম তার ওয়ারেশ থাকে। মৃত মোমিন সরদারের প্রাপ্ত বেতন ভাতার ১ম কস্তির ৮ লক্ষ টাকা মহিষ খামার কতৃর্পক্ষ ও এলাকাবাসির সমন্বয় মুসলিম শরিয়া মোতাবেক শান্তিপূর্ণ বন্ঠন করে নেয়। উল্লেখ পরবর্তী প্রাপ্ত টাকা একই নিয়মে বন্টনে সিধান্ত হলেও অফিস ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষে জটিলতা এড়ানোর কথা বলে এক জনের নামে চেক ইস্যু হবে বলে কন্যা শাহানারা কাছ থেকে অথরাইচ করার কথা বলে সাদা কাগজে একটি স্বাক্ষর নেয়।
এরপর গত ১৮/০৪/২০১৬ ইং তারিখে, শাহানারা কোন টাকা পাবেনা বলে খামার কর্তৃপক্ষ জানান। এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে শাহানারা এলাকার জনপ্রতিনিধি সহ গন্য মান্যদের নিকট র্ধণ¦া দেয়। এক পর্যায়ে কোন প্রতিকার না পেয়ে বাগেরহাট সহকারী জজ আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা দয়ের করেন যার নং ৪১/২০১৬। এ মামলায় বিবাদী করেন মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারের ব্যবস্থাপক, সোনালী ব্যাংক ফকিরহাট শাখার ব্যবস্থাপক, ফকিরহাট উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ও শাহানারার শৎ মা জাহানারা বেগমকে ।
এ বিষয়ে খামার ব্যবস্থাপক ডাঃ লুৎফার রহমান জানান এরকম একটি ঘটানা আমার দপ্তরে রয়েছে। আমি এখন আদালতের সিধান্ত ছাড়া কোন পক্ষের নিকট চেক ইস্যু করবো না। ব্যাংক কর্মকর্তা আহাছান হাবিব জানান, আমি আদালতের একটি নোটিশ পেয়েছি এর কোন সমধান না হওয়া পর্যন্ত আমার দপ্তরে কোন চেক আসলেও ক্যাশ হবেনা।