বাগেরহাটে ৬৯টি পূজা মন্ডপের ১৭টি ঝুঁকিপূর্ন


423 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বাগেরহাটে ৬৯টি পূজা মন্ডপের ১৭টি ঝুঁকিপূর্ন
অক্টোবর ১৯, ২০১৫ খুলনা বিভাগ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট :
হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা প্রতিবছরের ন্যায় এবারেও চারদিকে শারদীয় দূর্গোৎসবকে ঘিরে চলছে নানা প্রস্তুতি ৫দিনের জন্য মহামায়া দেবী দূর্গা কৈলাস থেকে ঘোড়ায় চড়ে মর্ত্যে পিতৃ গৃহে আগামন করবেন এবং ফিরে যাবেন দোলায় চড়ে। ত্রি-নয়নী দেবীকে  বরণ করতে হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজারি ভক্ত ও আয়োজকদের মাঝে দিনরাত চলছে শেষ মুহুর্তের নানা প্রস্তুতি।

সারাদেশের ন্যায় বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলায় এবারে ৬৯টি পূজা মন্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দূর্গাপূজা। এর মধ্যে ১৭টি পূজামন্ডপকে ঝুঁকিপূর্ন হিসেবে চিন্থিত করেছেন পুলিশ প্রশাসন। তাই পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ন এসব মন্ডপগুলোর জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখার জন্য সকল প্রকারের প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে মাঠে থাকছে সার্বক্ষনিক মোবাইল টিম। ১৮ অক্টোবর দেবীর বোধনের মধ্যে দিয়ে পূজা শুরু হবে এবং ২৩ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে। দূর্গা পূজাকে  সামনে রেখে এ উপজেলার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে চলছে উৎসবের আমেজ শুধু হিন্দু নয় সাম্পদায়িক সম্প্রিতির সকল শ্রেনীর মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ লক্ষ করা যায়। কারন ইদের মত পূজার  এই সময়টা ও ব্যবসায়ীদের কাছে একটা ভালো মৌসুম। তাই দোকানীরা যেমন জুতা, জামাকাপড়, কসমেটিকস এর পাশা-পাশি বিভিন্ন পন্যের পসরা সাজিয়েছে তেমনি নাড়– চিরা পিঠাকুলি তৈরির ধুম পড়েছে বাড়ি-বাড়ি। দূর্গতি নাশিনী দেবীর মর্যাদা কোথাও যাতে ক্ষুন্ন  না হয় সেজন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।

মোড়েলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ ওবায়দুর রহমান জানান, এবার ৬৯টি মন্ডপে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। শান্তিপূর্ন পরিবেশে সুষ্ট ও সুন্দরভাবে পূজা উৎযাপন উপলক্ষ্যে ইতিমধ্যে ১৬টি ইউনিয়ন ও পৌর সভার মন্ডপগুলো পূজা উৎযাপন কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন দিয়ে প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ন কোন পূজা মন্ডপ রয়েছে কিনা জানতে চাইলে মোড়েলগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মো: রাসেদুল আলম জানান, ৬৯টি মন্ডপের মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ন ১২টি ও ঝুঁকিপূর্ন ৫টি এসব মন্ডপগুলোকে ৩টি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখা সহ সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পূন্ন করা হয়েছে। এদিকে সরকারিভাবে প্রতিটি পূজা মন্ডপের জন্য বরাদ্ধের কথা জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো.আশরাফ হোসেন জানান, সার্বজনীন প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৫শ’ কেজি এবং ব্যাক্তিগত মন্দিরে ৩শ’ বিশ কেজি ৫. করে চাল বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে।