বাগেরহাট সংবাদ ॥ বাগেরহাটের পিতাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যু দন্ডাদেশ


283 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
বাগেরহাট সংবাদ ॥ বাগেরহাটের পিতাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যু দন্ডাদেশ
আগস্ট ১০, ২০১৫ খুলনা বিভাগ
Print Friendly, PDF & Email

 

 

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট :
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পিতা হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার সকালে বাগেরহাট দায়রা জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান খান এই আদেশ দেন।
দন্ডাদেশ প্রাপ্ত বাদশা গাজী (৪৫) বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার মানিকজোড় গ্রামের মোতাহার আলী গাজীর ছেলে।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে জানা যায়, ২০১০ সালে ৯ ফেব্রুয়ারি সকালে অসুস্থ পিতা মোতাহার আলী তার বড় ছেলে বাদশা গাজীকে ঔষধ আনার জন্য বলে। দুপুর ২টার দিকে ঔষধ না নিয়ে বাড়িতে ফিরে এলে তাকে তার পিতা মোতাহার আলী বচসা করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়েছে ছেলে দা দিয়ে তার মাথায় কোপ দেয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে উপজেলার আমতলী বাজার নামক স্থানে তার মৃত্যু হয়।
এঘটনায় ওই দিন রাতে নিহতের ছোট ছেলে আব্দুল হক গাজী বাদি হয়ে পিতা ঘাতক বড় ভাইকে আসামি করে মোড়েলগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোরেলগঞ্জ থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) গৌতম হালদার ২০১০ সালের ২৯ জুন নিহতের বড় ছেলেকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র (চার্জশীট) দাখিল করেন। মামলার নয় জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ শেষে আদালত সোমবার এই রায় প্রদান করেন। মামলার পর থেকে দন্ডপ্রাপ্ত বাদশা গাজী পলাতক রয়েছে।
##

বাগেরহাটে অকৃতকার্য ছাত্রীর আত্মহত্ম্যার ঘটনায় উত্তেজনা
বাগেরহাট প্রতিনিধি :
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে আরতি রানী মন্ডল(২০) নামে এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য এক ছাত্রী আত্মহত্যা করায় এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ফল প্রকাশের পর রবিবার বিকেলে বিষ পান করে। মংলা হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। সোমবার মংলা থানা পুলিশের মাধ্যমে বাগেরহাটে পোষ্টমর্টেম শেষে আরতির শেষকৃর্ত সম্পন্ন হয়েছে।
আরতি রানীর আত্মহত্যার ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসি আরতিসহ ৫৯জন ফেল করার জন্য কলেজ অধ্যক্ষও পরিচালনা পরিষদকে দায়ী করছেন।  সোমবার বেলা ১১টার দিকে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসি কলেজমুখী হলে অধ্যক্ষসহ অন্যান্য শিক্ষকগন কলেজে তালা লাগিয়ে যে যার মত পালিয়ে যান।
গেল এইচএসসি পরীক্ষায় দক্ষিনবাংলা কলেজ থেকে মোট ৭৭ জন ছাত্র ছাত্রী পরীক্ষা দিয়েছিলেন। এদের মধ্যে পাশ করেছেন ১৮জন। ডুমুরিয়া গ্রামের দিনমজুর গৌরাঙ্গ মন্ডলের ২ মেয়ে জয়ন্তী ও আরতি পরীক্ষা দেন। জয়ন্তী পাশ করলেও আরতি ফেল করে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।
কলেজ পরিচালনা পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বাদশা,  খান নজরুল ইসলাম, ইউপি সদস্য হারুন-অর-রশিদ চুন্নু অভিযোগ করেন যে, কলেজটিতে কোন লেখাপড়া চলেনা। অনিয়ম ও দুর্নীতি জেকে বসেছে এখানে। এসব কারনে কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা এখন ১শ’র ও নীচে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আখতার হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি অফিসিয়াল কাজে বাইরে আছি।